নামাযের সময়
১৪ শাউয়াল, ১৪৪৭ হিজরী
মাসাইল

ইশার নামাযের ওয়াক্ত

মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার সাথে সাথে ইশার ওয়াক্ত শুরু হয়ে যায়। ইশার ওয়াক্ত ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত থাকে। তথা সাহরীর ওয়াক্ত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত থাকে। (আল বাহরুর রায়েক ১)

ইশার উত্তম সময়

রাতের এক তৃতীয়াংশের শেষের দিকে ইশা পড়া উত্তম। অর্থাৎ ইশার সময় হওয়ার সোয়া এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে ইশা পড়া উত্তম। (আল বাহরুর রায়েক ১/৪৩০)

ইশার মাকরূহ সময়

বিশেষ কোনো ওযর ছাড়া মধ্য রাতের পরে ইশা পড়া মাকরূহ। রুগীর সেবা ওযরের মধ্যে গণ্য হতে পারে কিন্তু ওয়ায মাহফিল ওযরের মধ্যে গণ্য হবে না। তাই ওয়ায মাহফিলেও যথা সময়ে ইশার নামায আদায় করা জরুরী। (আল বাহরুর রায়েক ১/৪৩১)

ইশার ফায়দা

যে ব্যাক্তি জামা‘আতের সাথে ইশার নামায আদায় করে আল্লাহ তাকে অর্ধেক রাত নফল নামায পড়ার নেকী দান করেন।

রাক‘আত সংখ্যা

ইশার ফরজ নামাজ চার রাক‘আত। ফরজের পরে দু’ রাক‘আত সুন্নত (সুন্নতে মু‘আক্কাদাহ) পড়া। এবং তারপর তিন রাক‘আত বিতির নামায পড়া। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১১৪০, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-১২৫১, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-৪১৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৭৩০)

মোট: প্রথমে চার রাক‘আত ফরয অতঃপর দুই রাক‘আত সুন্নত তারপর তিন রাক‘আত বিতির মোট ৯ রাক‘আত নামায।