فصلت

فصلت

ফুসসিলাত

আয়াত ৫৪ · মক্কী · পারা ২৪

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

حٰمٓ ۚ

হা-মীম।

تَنۡزِیۡلٌ مِّنَ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ۚ

এ বাণী সেই সত্তার পক্ষ হতে অবতীর্ণ, যিনি সকলের প্রতি দয়াবান, পরম দয়ালু।

کِتٰبٌ فُصِّلَتۡ اٰیٰتُہٗ قُرۡاٰنًا عَرَبِیًّا لِّقَوۡمٍ یَّعۡلَمُوۡنَ ۙ

আরবী কুরআনরূপে এটি এমন কিতাব, জ্ঞান অর্জনকারীদের জন্য যার আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত হয়েছে।

بَشِیۡرًا وَّنَذِیۡرًا ۚ فَاَعۡرَضَ اَکۡثَرُہُمۡ فَہُمۡ لَا یَسۡمَعُوۡنَ

যা অবতীর্ণ সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। তা সত্ত্বেও তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে রেখেছে। ফলে তারা শুনতে পায় না।

وَقَالُوۡا قُلُوۡبُنَا فِیۡۤ اَکِنَّۃٍ مِّمَّا تَدۡعُوۡنَاۤ اِلَیۡہِ وَفِیۡۤ اٰذَانِنَا وَقۡرٌ وَّمِنۡۢ بَیۡنِنَا وَبَیۡنِکَ حِجَابٌ فَاعۡمَلۡ اِنَّنَا عٰمِلُوۡنَ ؓ

(রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে) তারা বলে, তুমি আমাদেরকে যার দিকে ডাকছ, সে বিষয়ে আমাদের অন্তর গিলাফে ঢাকা, আমাদের কান বধির এবং আমাদের ও তোমার মাঝখানে আছে এক অন্তরাল। সুতরাং তুমি আপন কাজ করতে থাক আমরা আমাদের কাজ করছি।

قُلۡ اِنَّمَاۤ اَنَا بَشَرٌ مِّثۡلُکُمۡ یُوۡحٰۤی اِلَیَّ اَنَّمَاۤ اِلٰـہُکُمۡ اِلٰہٌ وَّاحِدٌ فَاسۡتَقِیۡمُوۡۤا اِلَیۡہِ وَاسۡتَغۡفِرُوۡہُ ؕ  وَوَیۡلٌ لِّلۡمُشۡرِکِیۡنَ ۙ

(হে রাসূল!) বলে দাও, আমি তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ। (অবশ্য) আমার প্রতি ওহী নাযিল হয় যে, তোমাদের মাবুদ একই মাবুদ। সুতরাং তোমরা তাঁরই অভিমুখী থাক এবং তাঁরই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। ধ্বংস মুশরিকদের জন্য

الَّذِیۡنَ لَا یُؤۡتُوۡنَ الزَّکٰوۃَ وَہُمۡ بِالۡاٰخِرَۃِ ہُمۡ کٰفِرُوۡنَ

যারা যাকাত আদায় করে না। আবার তারা আখেরাতের প্রতি সম্পূর্ণ অবিশ্বাসী।

اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَہُمۡ اَجۡرٌ غَیۡرُ مَمۡنُوۡنٍ ٪

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য আছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার।

قُلۡ اَئِنَّکُمۡ لَتَکۡفُرُوۡنَ بِالَّذِیۡ خَلَقَ الۡاَرۡضَ فِیۡ یَوۡمَیۡنِ وَتَجۡعَلُوۡنَ لَہٗۤ اَنۡدَادًا ؕ  ذٰلِکَ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ ۚ

বলে দাও, সত্যিই কি তোমরা সেই সত্তার সাথে কুফরী পন্থা অবলম্বন করছ, যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তার সাথে অন্যকে শরীক করছ? তিনি তো জগতসমূহের প্রতিপালক!

وَجَعَلَ فِیۡہَا رَوَاسِیَ مِنۡ فَوۡقِہَا وَبٰرَکَ فِیۡہَا وَقَدَّرَ فِیۡہَاۤ اَقۡوَاتَہَا فِیۡۤ اَرۡبَعَۃِ اَیَّامٍ ؕ سَوَآءً لِّلسَّآئِلِیۡنَ

তিনি ভূমিতে সৃষ্টি করেছেন অবিচলিত পাহাড়, যা তার উপর উত্থিত রয়েছে। আর তাতে দিয়েছেন বরকত এবং তাতে তার খাদ্য সৃষ্টি করেছেন সুষমভাবে (সবকিছুই) চারদিনে সকল যাচনাকারীর জন্য সমান।

ثُمَّ اسۡتَوٰۤی اِلَی السَّمَآءِ وَہِیَ دُخَانٌ فَقَالَ لَہَا وَلِلۡاَرۡضِ ائۡتِیَا طَوۡعًا اَوۡ کَرۡہًا ؕ قَالَتَاۤ اَتَیۡنَا طَآئِعِیۡنَ

তারপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দান করলেন, যা ছিল ধোঁয়া রূপে। তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা চলে এসো ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। উভয়ে বলল, আমরা ইচ্ছাক্রমেই আসলাম।

فَقَضٰہُنَّ سَبۡعَ سَمٰوَاتٍ فِیۡ یَوۡمَیۡنِ وَاَوۡحٰی فِیۡ کُلِّ سَمَآءٍ اَمۡرَہَا ؕ وَزَیَّنَّا السَّمَآءَ الدُّنۡیَا بِمَصَابِیۡحَ ٭ۖ وَحِفۡظًا ؕ ذٰلِکَ تَقۡدِیۡرُ الۡعَزِیۡزِ الۡعَلِیۡمِ

অতঃপর তিনি নিজ ফায়সালা অনুযায়ী দু’দিনে তাকে সাত আকাশে পরিণত করলেন এবং প্রতি আকাশে তার উপযোগী আদেশ প্রেরণ করলেন। আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সাজিয়েছি এবং তাকে করেছি সুরক্ষিত। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ (আল্লাহ)-এর পরিমিত ব্যবস্থাপনা।

فَاِنۡ اَعۡرَضُوۡا فَقُلۡ اَنۡذَرۡتُکُمۡ صٰعِقَۃً مِّثۡلَ صٰعِقَۃِ عَادٍ وَّثَمُوۡدَ ؕ

তারপরও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দাও, আমি তোমাদেরকে সতর্ক করেছি তেমনি বজ্র সম্পর্কে, যেমন বজ্র অবতীর্ণ হয়েছিল আদ ও ছামূদ (জাতি)-এর উপর।

اِذۡ جَآءَتۡہُمُ الرُّسُلُ مِنۡۢ بَیۡنِ اَیۡدِیۡہِمۡ وَمِنۡ خَلۡفِہِمۡ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّا اللّٰہَ ؕ قَالُوۡا لَوۡ شَآءَ رَبُّنَا لَاَنۡزَلَ مَلٰٓئِکَۃً فَاِنَّا بِمَاۤ اُرۡسِلۡتُمۡ بِہٖ کٰفِرُوۡنَ

এটা সেই সময়ের কথা, যখন তাদের কাছে রাসূলগণ এসেছিল (কখনও) তাদের সম্মুখ দিক থেকে এবং (কখনও) তাদের পিছন দিক থেকে, এই বার্তা নিয়ে যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না। তারা বলেছিল, আমাদের প্রতিপালক চাইলে ফেরেশতাদেরকে পাঠাতেন। সুতরাং তোমাদেরকে যে বিষয়সহ পাঠানো হয়েছে আমরা তা মানতে অস্বীকার করছি।

فَاَمَّا عَادٌ فَاسۡتَکۡبَرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ بِغَیۡرِ الۡحَقِّ وَقَالُوۡا مَنۡ اَشَدُّ مِنَّا قُوَّۃً ؕ اَوَلَمۡ یَرَوۡا اَنَّ اللّٰہَ الَّذِیۡ خَلَقَہُمۡ ہُوَ اَشَدُّ مِنۡہُمۡ قُوَّۃً ؕ وَکَانُوۡا بِاٰیٰتِنَا یَجۡحَدُوۡنَ

অতঃপর আদের ঘটনা তো এই ঘটল যে, তারা পৃথিবীতে অন্যায় দম্ভ প্রদর্শন করতে লাগল এবং বলল, শক্তিতে আমাদের উপরে কে আছে? তবে কি তারা অনুধাবন করল না যে, যেই আল্লাহ তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন শক্তিতে তিনি তাদের অনেক উপরে? আর তারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করতে থাকল।

فَاَرۡسَلۡنَا عَلَیۡہِمۡ رِیۡحًا صَرۡصَرًا فِیۡۤ اَیَّامٍ نَّحِسَاتٍ لِّنُذِیۡقَہُمۡ عَذَابَ الۡخِزۡیِ فِی الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ؕ وَلَعَذَابُ الۡاٰخِرَۃِ اَخۡزٰی وَہُمۡ لَا یُنۡصَرُوۡنَ

সুতরাং আমি অশুভ কতক দিনে তাদের উপর পাঠালাম প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া, তাদেরকে পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করানোর জন্য। আর আখেরাতের শাস্তি তো আরও বেশি লাঞ্ছনাকর এবং তারা পাবে না কোন সাহায্য।

وَاَمَّا ثَمُوۡدُ فَہَدَیۡنٰہُمۡ فَاسۡتَحَبُّوا الۡعَمٰی عَلَی الۡہُدٰی فَاَخَذَتۡہُمۡ صٰعِقَۃُ الۡعَذَابِ الۡہُوۡنِ بِمَا کَانُوۡا یَکۡسِبُوۡنَ ۚ

আর ছামূদের ঘটনা হল আমি তাদেরকে সরল পথ দেখিয়েছিলাম, কিন্তু তারা সরল পথ অবলম্বনের চেয়ে বিভ্রান্ত থাকাকেই বেশি পছন্দ করল। সুতরাং তারা যা অর্জন করেছিল তার ফলে তাদেরকে আঘাত হানল লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্র।

وَنَجَّیۡنَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَکَانُوۡا یَتَّقُوۡنَ ٪

অপর দিকে যারা ঈমান এনেছিল ও তাকওয়া অবলম্বন করেছিল, আমি তাদেরকে রক্ষা করলাম।

وَیَوۡمَ یُحۡشَرُ اَعۡدَآءُ اللّٰہِ اِلَی النَّارِ فَہُمۡ یُوۡزَعُوۡنَ

সেই দিনকে স্মরণ রাখ, যে দিন আল্লাহর শত্রুদেরকে একত্র করে আগুনের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে আর তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করা হবে।

حَتّٰۤی اِذَا مَا جَآءُوۡہَا شَہِدَ عَلَیۡہِمۡ سَمۡعُہُمۡ وَاَبۡصَارُہُمۡ وَجُلُوۡدُہُمۡ بِمَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ

অবশেষে যখন তারা তার (অর্থাৎ আগুনের) কাছে পৌঁছবে, তখন তাদের কান, তাদের চোখ ও তাদের চামড়া তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।

وَقَالُوۡا لِجُلُوۡدِہِمۡ لِمَ شَہِدۡتُّمۡ عَلَیۡنَا ؕ قَالُوۡۤا اَنۡطَقَنَا اللّٰہُ الَّذِیۡۤ اَنۡطَقَ کُلَّ شَیۡءٍ وَّہُوَ خَلَقَکُمۡ اَوَّلَ مَرَّۃٍ وَّاِلَیۡہِ تُرۡجَعُوۡنَ

তারা তাদের চামড়াকে বলবে, তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে কেন? তারা বলবে, আল্লাহ আমাদেরকে বাকশক্তি দান করেছেন, যিনি বাকশক্তি দান করেছেন প্রতিটি জিনিসকে। তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন প্রথমবার আর তাঁরই কাছে তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

وَمَا کُنۡتُمۡ تَسۡتَتِرُوۡنَ اَنۡ یَّشۡہَدَ عَلَیۡکُمۡ سَمۡعُکُمۡ وَلَاۤ اَبۡصَارُکُمۡ وَلَا جُلُوۡدُکُمۡ وَلٰکِنۡ ظَنَنۡتُمۡ اَنَّ اللّٰہَ لَا یَعۡلَمُ کَثِیۡرًا مِّمَّا تَعۡمَلُوۡنَ

এবং (গোনাহ করার সময়) তোমরা তো তোমাদের বিরুদ্ধে তোমাদের কান, চোখ ও চামড়ার সাক্ষ্যদান থেকে আত্মগোপন করতে সক্ষম ছিলে না। বরং তোমাদের ধারণা ছিল আল্লাহ তোমাদের কর্মের বহু কিছুই জানেন না।

وَذٰلِکُمۡ ظَنُّکُمُ الَّذِیۡ ظَنَنۡتُمۡ بِرَبِّکُمۡ اَرۡدٰىکُمۡ فَاَصۡبَحۡتُمۡ مِّنَ الۡخٰسِرِیۡنَ

আপন প্রতিপালক সম্পর্কে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে। পরিণামে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছ।

فَاِنۡ یَّصۡبِرُوۡا فَالنَّارُ مَثۡوًی لَّہُمۡ ۚ وَاِنۡ یَّسۡتَعۡتِبُوۡا فَمَا ہُمۡ مِّنَ الۡمُعۡتَبِیۡنَ

এখন তারা ধৈর্য ধারণ করলেও জাহান্নামই হবে তাদের ঠিকানা আর যদি অজুহাত প্রদর্শন করে, তবে যাদের অজুহাত গৃহীত হবে, তাদের অন্তর্ভুক্ত এদেরকে করা হবে না।

وَقَیَّضۡنَا لَہُمۡ قُرَنَآءَ فَزَیَّنُوۡا لَہُمۡ مَّا بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِمۡ وَمَا خَلۡفَہُمۡ وَحَقَّ عَلَیۡہِمُ الۡقَوۡلُ فِیۡۤ اُمَمٍ قَدۡ خَلَتۡ مِنۡ قَبۡلِہِمۡ مِّنَ الۡجِنِّ وَالۡاِنۡسِ ۚ  اِنَّہُمۡ کَانُوۡا خٰسِرِیۡنَ ٪

আমি (দুনিয়ায়) তাদের পেছনে কিছু সহচর লাগিয়ে দিয়েছিলাম, যারা তাদের সম্মুখ ও পিছনের সমস্ত কাজকে তাদের দৃষ্টিতে শোভন করে দিয়েছিল। ফলে তাদের পূর্বে অতিবাহিত জিন্ন ও মানব জাতিসমূহের অন্তর্ভুক্তরূপে তাদের উপরও (শাস্তির) কথা সত্যে পরিণত হয়েছে। নিশ্চয়ই তারা ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

وَقَالَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا لَا تَسۡمَعُوۡا لِہٰذَا الۡقُرۡاٰنِ وَالۡغَوۡا فِیۡہِ لَعَلَّکُمۡ تَغۡلِبُوۡنَ

এবং কাফেরগণ (একে অন্যকে) বলে, এই কুরআন শুনো না এবং এর (পাঠের) মাঝে হট্টগোল কর, যাতে তোমরা জয়ী থাক।

فَلَنُذِیۡقَنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا عَذَابًا شَدِیۡدًا ۙ وَّلَنَجۡزِیَنَّہُمۡ اَسۡوَاَ الَّذِیۡ کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ

সুতরাং ওই কাফেরদেরকে আমি কঠিন শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাব এবং তারা (দুনিয়ায়) যে নিকৃষ্ট কাজ করত, তার পরিপূর্ণ প্রতিফল দেব।

ذٰلِکَ جَزَآءُ اَعۡدَآءِ اللّٰہِ النَّارُ ۚ لَہُمۡ فِیۡہَا دَارُ الۡخُلۡدِ ؕ جَزَآءًۢ بِمَا کَانُوۡا بِاٰیٰتِنَا یَجۡحَدُوۡنَ

আগুনরূপে এটাই আল্লাহর শত্রুদের শাস্তি। তারই মধ্যে হবে তাদের স্থায়ী ঠিকানা, আমার আয়াতসমূহকে যে তারা অস্বীকার করত তার প্রতিফলস্বরূপ।

وَقَالَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا رَبَّنَاۤ اَرِنَا الَّذَیۡنِ اَضَلّٰنَا مِنَ الۡجِنِّ وَالۡاِنۡسِ نَجۡعَلۡہُمَا تَحۡتَ اَقۡدَامِنَا لِیَکُوۡنَا مِنَ الۡاَسۡفَلِیۡنَ

কাফেরগণ বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! যে সকল জিন ও মানুষ আমাদেরকে বিপথগামী করেছিল তাদেরকে আমাদের দেখিয়ে দাও। আমরা তাদেরকে আমাদের পায়ের নিচে রেখে এমনভাবে দলিত করব, যাতে তারা চরম লাঞ্ছিত হয়।

اِنَّ الَّذِیۡنَ قَالُوۡا رَبُّنَا اللّٰہُ ثُمَّ اسۡتَقَامُوۡا تَتَنَزَّلُ عَلَیۡہِمُ الۡمَلٰٓئِکَۃُ اَلَّا تَخَافُوۡا وَلَا تَحۡزَنُوۡا وَاَبۡشِرُوۡا بِالۡجَنَّۃِ الَّتِیۡ کُنۡتُمۡ تُوۡعَدُوۡنَ

(অপর দিকে) যারা বলেছে, আমাদের রব্ব আল্লাহ! তারপর তারা তাতে থাকে অবিচলিত, নিশ্চয়ই তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হবে (এবং বলবে) যে, তোমরা কোন ভয় করো না এবং কোন কিছুর জন্য চিন্তিত হয়ো না আর আনন্দিত হয়ে যাও সেই জান্নাতের জন্য, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেওয়া হত।

نَحۡنُ اَوۡلِیٰٓؤُکُمۡ فِی الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا وَفِی الۡاٰخِرَۃِ ۚ  وَلَکُمۡ فِیۡہَا مَا تَشۡتَہِیۡۤ اَنۡفُسُکُمۡ وَلَکُمۡ فِیۡہَا مَا تَدَّعُوۡنَ ؕ

আমরা পার্থিব জীবনেও তোমাদের সাথী ছিলাম এবং আখেরাতেও থাকব। জান্নাতে তোমাদের জন্য আছে এমন সব কিছুই, যা তোমাদের অন্তর চাবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আছে এমন সব কিছুই যার ফরমায়েশ তোমরা করবে,

نُزُلًا مِّنۡ غَفُوۡرٍ رَّحِیۡمٍ ٪

অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু (আল্লাহ)-এর পক্ষ হতে প্রাথমিক আতিথেয়তাস্বরূপ।

وَمَنۡ اَحۡسَنُ قَوۡلًا مِّمَّنۡ دَعَاۤ اِلَی اللّٰہِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَّقَالَ اِنَّنِیۡ مِنَ الۡمُسۡلِمِیۡنَ

তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যে আল্লাহর দিকে ডাকে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি আনুগত্য স্বীকারকারীদের একজন।

وَلَا تَسۡتَوِی الۡحَسَنَۃُ وَلَا السَّیِّئَۃُ ؕ اِدۡفَعۡ بِالَّتِیۡ ہِیَ اَحۡسَنُ فَاِذَا الَّذِیۡ بَیۡنَکَ وَبَیۡنَہٗ عَدَاوَۃٌ کَاَنَّہٗ وَلِیٌّ حَمِیۡمٌ

ভালো ও মন্দ সমান হয় না। তুমি মন্দকে প্রতিহত কর এমন পন্থায়, যা হবে উৎকৃষ্ট। ফলে যার ও তোমার মধ্যে শত্রুতা ছিল, সে সহসাই হয়ে যাবে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু।

وَمَا یُلَقّٰہَاۤ اِلَّا الَّذِیۡنَ صَبَرُوۡا ۚ وَمَا یُلَقّٰہَاۤ اِلَّا ذُوۡ حَظٍّ عَظِیۡمٍ

আর এ গুণ কেবল তাদেরকেই দান করা হয়, যারা সবর করে এবং এ গুণ কেবল তাদেরকেই দান করা হয় যারা মহাভাগ্যবান।

وَاِمَّا یَنۡزَغَنَّکَ مِنَ الشَّیۡطٰنِ نَزۡغٌ فَاسۡتَعِذۡ بِاللّٰہِ ؕ اِنَّہٗ ہُوَ السَّمِیۡعُ الۡعَلِیۡمُ

যদি শয়তানের পক্ষ থেকে তোমার কখনও কোন খোঁচা লাগে, তবে (বিতাড়িত শয়তান থেকে) আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করো। নিশ্চয়ই তিনি সকল কথার শ্রোতা, সকল বিষয়ের জ্ঞাতা।

وَمِنۡ اٰیٰتِہِ الَّیۡلُ وَالنَّہَارُ وَالشَّمۡسُ وَالۡقَمَرُ ؕ لَا تَسۡجُدُوۡا لِلشَّمۡسِ وَلَا لِلۡقَمَرِ وَاسۡجُدُوۡا لِلّٰہِ الَّذِیۡ خَلَقَہُنَّ اِنۡ کُنۡتُمۡ اِیَّاہُ تَعۡبُدُوۡنَ

তাঁরই নিদর্শনাবলীর অন্তর্ভুক্ত হল রাত, দিন, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্যকে সিজদা করো না এবং চন্দ্রকেও না। বরং সিজদা করো আল্লাহকে, যিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন যদি বাস্তবিকই তোমরা তাঁর ইবাদত করে থাক।

فَاِنِ اسۡتَکۡبَرُوۡا فَالَّذِیۡنَ عِنۡدَ رَبِّکَ یُسَبِّحُوۡنَ لَہٗ بِالَّیۡلِ وَالنَّہَارِ وَہُمۡ لَا یَسۡـَٔمُوۡنَ ٛ

তারপরও যদি তারা (অর্থাৎ কাফেরগণ) অহমিকা প্রদর্শন করে, তবে (তা করতে থাকুক) তোমার প্রতিপালকের কাছে যারা (অর্থাৎ যেই ফেরেশতাগণ) আছে, তারা রাত-দিন তাঁর তাসবীহ পাঠ করে এবং তারা ক্লান্তি বোধ করে না।

وَمِنۡ اٰیٰتِہٖۤ اَنَّکَ تَرَی الۡاَرۡضَ خَاشِعَۃً فَاِذَاۤ اَنۡزَلۡنَا عَلَیۡہَا الۡمَآءَ اہۡتَزَّتۡ وَرَبَتۡ ؕ اِنَّ الَّذِیۡۤ اَحۡیَاہَا لَمُحۡیِ الۡمَوۡتٰی ؕ اِنَّہٗ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ

তাঁর আরেকটি নিদর্শন হল, তুমি ভূমিকে শুষ্করূপে দেখতে পাও, তারপর যখন আমি তাতে বারি বর্ষণ করি, অমনি তা আলোড়িত হয় ও বেড়ে ওঠে। বস্তুত যিনি ভূমিতে প্রাণ সঞ্চার করেন, তিনিই মৃতদেরকেও জীবিত করবেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্ববিষয়ে শক্তিমান।

اِنَّ الَّذِیۡنَ یُلۡحِدُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِنَا لَا یَخۡفَوۡنَ عَلَیۡنَا ؕ اَفَمَنۡ یُّلۡقٰی فِی النَّارِ خَیۡرٌ اَمۡ مَّنۡ یَّاۡتِیۡۤ اٰمِنًا یَّوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ اِعۡمَلُوۡا مَا شِئۡتُمۡ ۙ اِنَّہٗ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ بَصِیۡرٌ

আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে যারা বাঁকা পথ অবলম্বন করে, তারা আমার অগোচর নয়। আচ্ছা বলতো, যে ব্যক্তিকে আগুনে নিক্ষেপ করা হবে, সে উত্তম, না সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে নির্ভয়ে-নিরাপদে? তোমরা যা ইচ্ছা করে নাও। জেনে রেখ, তোমরা যা করছ তিনি সবই দেখছেন।

اِنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِالذِّکۡرِ لَمَّا جَآءَہُمۡ ۚ  وَاِنَّہٗ لَکِتٰبٌ عَزِیۡزٌ ۙ

যারা উপদেশবাণী (কুরবান)-কে অস্বীকার করেছে তাদের কাছে তা আসার পর (তারা নেহাৎ মন্দ কাজ করেছে), অথচ এটি অতি মর্যাদাপূর্ণ কিতাব।

لَّا یَاۡتِیۡہِ الۡبَاطِلُ مِنۡۢ بَیۡنِ یَدَیۡہِ وَلَا مِنۡ خَلۡفِہٖ ؕ تَنۡزِیۡلٌ مِّنۡ حَکِیۡمٍ حَمِیۡدٍ

কোন মিথ্যা এর পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না, না এর সম্মুখ দিক থেকে এবং না এর পেছন থেকে। এটা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসার্হ (আল্লাহ)-এর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

مَا یُقَالُ لَکَ اِلَّا مَا قَدۡ قِیۡلَ لِلرُّسُلِ مِنۡ قَبۡلِکَ ؕ اِنَّ رَبَّکَ لَذُوۡ مَغۡفِرَۃٍ وَّذُوۡ عِقَابٍ اَلِیۡمٍ

(হে রাসূল!) তোমাকে তো সেসব কথাই বলা হচ্ছে, যা তোমার পূর্ববর্তী রাসূলগণকে বলা হয়েছিল। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক ক্ষমাশীল এবং মর্মন্তুদ শাস্তিদাতা।

وَلَوۡ جَعَلۡنٰہُ قُرۡاٰنًا اَعۡجَمِیًّا لَّقَالُوۡا لَوۡلَا فُصِّلَتۡ اٰیٰتُہٗ ؕ  ءَؔاَعۡجَمِیٌّ وَّعَرَبِیٌّ ؕ  قُلۡ ہُوَ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا ہُدًی وَّشِفَآءٌ ؕ  وَالَّذِیۡنَ لَا یُؤۡمِنُوۡنَ فِیۡۤ اٰذَانِہِمۡ وَقۡرٌ وَّہُوَ عَلَیۡہِمۡ عَمًی ؕ  اُولٰٓئِکَ یُنَادَوۡنَ مِنۡ مَّکَانٍۭ بَعِیۡدٍ ٪

আমি যদি এ কুরআনকে অনারবী কুরআন বানাতাম, তবে তারা অবশ্যই বলত, এর আয়াতসমূহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হল না কেন? এটা কেমন কথা যে, কুরআন অনারবী এবং রাসূল আরবী? বল, যারা ঈমান আনে তাদের জন্য এটা হেদায়াত ও উপশমের ব্যবস্থা। আর যারা ঈমান আনে না, তাদের কানে ছিপি লাগানো আছে। তাদের জন্য এটা (অর্থাৎ কুরআন) বিভ্রান্তির কারণ। এরূপ লোকদেরকে বহু দূর-দূরান্ত হতে ডাকা হচ্ছে।

وَلَقَدۡ اٰتَیۡنَا مُوۡسَی الۡکِتٰبَ فَاخۡتُلِفَ فِیۡہِ ؕ وَلَوۡلَا کَلِمَۃٌ سَبَقَتۡ مِنۡ رَّبِّکَ لَقُضِیَ بَیۡنَہُمۡ ؕ وَاِنَّہُمۡ لَفِیۡ شَکٍّ مِّنۡہُ مُرِیۡبٍ

<b>.</b> আমি মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম। তারপর তাতেও মতভেদ হয়েছিল। তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে একটি কথা পূর্ব থেকেই স্থিরীকৃত না থাকলে তাদের ব্যাপারে চুকিয়ে দেওয়া হত। প্রকৃতপক্ষে তারা বিভ্রান্তিকর সন্দেহে নিপতিত।

مَنۡ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفۡسِہٖ وَمَنۡ اَسَآءَ فَعَلَیۡہَا ؕ وَمَا رَبُّکَ بِظَلَّامٍ لِّلۡعَبِیۡدِ

<b>.</b> কেউ সৎকর্ম করলে তা নিজেরই কল্যাণার্থে করে আর কেউ অসৎ কাজ করলে, তার ক্ষতিও তার নিজেরই। তোমার প্রতিপালক বান্দাদের প্রতি জুলুম করেন না।

اِلَیۡہِ یُرَدُّ عِلۡمُ السَّاعَۃِ ؕ  وَمَا تَخۡرُجُ مِنۡ ثَمَرٰتٍ مِّنۡ اَکۡمَامِہَا وَمَا تَحۡمِلُ مِنۡ اُنۡثٰی وَلَا تَضَعُ اِلَّا بِعِلۡمِہٖ ؕ  وَیَوۡمَ یُنَادِیۡہِمۡ اَیۡنَ شُرَکَآءِیۡ ۙ  قَالُوۡۤا اٰذَنّٰکَ ۙ  مَا مِنَّا مِنۡ شَہِیۡدٍ ۚ

কিয়ামতের জ্ঞান তারই দিকে ফেরানো হয়। আল্লাহর অজ্ঞাতসারে কোন ফল তার আবরণ থেকে বের হয় না এবং কোন নারী গর্ভ ধারণ করে না এবং সন্তান প্রসবও করে না। যে দিন তিনি তাদেরকে (অর্থাৎ মুশরিকদেরকে) ডেকে বলবেন, কোথায় আমার সেই শরীকগণ? তারা বলবে, আমরা আপনার কাছে আরজ করছি যে, আমাদের মধ্যে এখন কেউ এ কথার সাক্ষী নয় (যে, আপনার কোন শরীক আছে)।

وَضَلَّ عَنۡہُمۡ مَّا کَانُوۡا یَدۡعُوۡنَ مِنۡ قَبۡلُ وَظَنُّوۡا مَا لَہُمۡ مِّنۡ مَّحِیۡصٍ

পূর্বে তারা যাদেরকে (অর্থাৎ যেই মিথ্যা উপাস্যদেরকে) ডাকত এখন আর তারা তাদের কোন হদিস পাবে না। তারা উপলব্ধি করবে যে, তাদের আর নিষ্কৃতি নেই।

لَا یَسۡـَٔمُ الۡاِنۡسَانُ مِنۡ دُعَآءِ الۡخَیۡرِ ۫ وَاِنۡ مَّسَّہُ الشَّرُّ فَیَـُٔوۡسٌ قَنُوۡطٌ

মানুষ মঙ্গল প্রার্থনায় ক্লান্ত হয় না। আর তাকে যদি কোন অমঙ্গল স্পর্শ করে, তখন চরম হতাশ হয়ে পড়ে, সব আশা ছেড়ে দেয়।

وَلَئِنۡ اَذَقۡنٰہُ رَحۡمَۃً مِّنَّا مِنۡۢ بَعۡدِ ضَرَّآءَ مَسَّتۡہُ لَیَقُوۡلَنَّ ہٰذَا لِیۡ ۙ وَمَاۤ اَظُنُّ السَّاعَۃَ قَآئِمَۃً ۙ وَّلَئِنۡ رُّجِعۡتُ اِلٰی رَبِّیۡۤ اِنَّ لِیۡ عِنۡدَہٗ لَلۡحُسۡنٰی ۚ فَلَنُنَبِّئَنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِمَا عَمِلُوۡا ۫ وَلَنُذِیۡقَنَّہُمۡ مِّنۡ عَذَابٍ غَلِیۡظٍ

তাকে যে দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করেছিল, তারপর যদি আমি আমার পক্ষ হতে তাকে রহমতের স্বাদ গ্রহণ করাই, তখন সে অবশ্যই বলবে, এটা তো আমার প্রাপ্য ছিল এবং আমি মনে করি না যে, কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আমাকে যদি আমার রব্বের কাছে ফিরিয়ে নেওয়াও হয়, তবে আমার বিশ্বাস তাঁর কাছেও আমার কল্যাণই লাভ হবে। আমি কাফেরদেরকে অবশ্যই অবহিত করব, তারা যা-কিছু করেছে এবং তাদেরকে অবশ্যই কঠোর শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাব।

وَاِذَاۤ اَنۡعَمۡنَا عَلَی الۡاِنۡسَانِ اَعۡرَضَ وَنَاٰ بِجَانِبِہٖ ۚ وَاِذَا مَسَّہُ الشَّرُّ فَذُوۡ دُعَآءٍ عَرِیۡضٍ

আমি মানুষের প্রতি যখন কোন অনুগ্রহ করি, তখন সে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও পার্শ্ব পরিবর্তন করে দূরে সরে যায়। আবার তাকে যখন কোন অমঙ্গল স্পর্শ করে, তখন সে লম্বা-চওড়া দুআকারী হয়ে যায়।

قُلۡ اَرَءَیۡتُمۡ اِنۡ کَانَ مِنۡ عِنۡدِ اللّٰہِ ثُمَّ کَفَرۡتُمۡ بِہٖ مَنۡ اَضَلُّ مِمَّنۡ ہُوَ فِیۡ شِقَاقٍۭ بَعِیۡدٍ

(হে রাসূল! কাফেরদেরকে) বলে দাও, তোমরা ভেবে দেখেছ কি এ কুরআন যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসে থাকে, তারপরও তোমরা এটাকে অস্বীকার কর, তবে যে ব্যক্তি (এর) ঘোর বিরুদ্ধাচরণে লিপ্ত থাকে, তার চেয়ে বেশি বিভ্রান্ত আর কে হতে পারে?

سَنُرِیۡہِمۡ اٰیٰتِنَا فِی الۡاٰفَاقِ وَفِیۡۤ اَنۡفُسِہِمۡ حَتّٰی یَتَبَیَّنَ لَہُمۡ اَنَّہُ الۡحَقُّ ؕ اَوَلَمۡ یَکۡفِ بِرَبِّکَ اَنَّہٗ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ شَہِیۡدٌ

আমি আমার নিদর্শনাবলী তাদেরকে দেখাব বিশ্বজগতেও এবং খোদ তাদের অস্তিত্বের ভেতরও, যাতে তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, এটাই সত্য। তোমার প্রতিপালকের একথা কি যথেষ্ট নয় যে, তিনি সকল বিষয়ের সাক্ষী?

اَلَاۤ اِنَّہُمۡ فِیۡ مِرۡیَۃٍ مِّنۡ لِّقَآءِ رَبِّہِمۡ ؕ  اَلَاۤ اِنَّہٗ بِکُلِّ شَیۡءٍ مُّحِیۡطٌ ٪

জেনে রেখ, তারা তাদের প্রতিপালকের সাক্ষাত সম্পর্কে সন্দেহে পড়ে আছে। জেনে রেখ, তিনি অবশ্যই প্রতিটি বস্তুকে বেষ্টন করে আছেন।