الذاريات
আয-যারিয়াত
আয়াত ৬০ · মক্কী · পারা ২৬
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
وَالذّٰرِیٰتِ ذَرۡوًا ۙ
কসম সেই সবের (অর্থাৎ সেই বায়ুর), যা ধুলোবালি উড়িয়ে বিক্ষিপ্ত করে দেয়,
فَالۡحٰمِلٰتِ وِقۡرًا ۙ
তারপর সেই সবের, যা (মেঘের) ভার বহন করে,
فَالۡجٰرِیٰتِ یُسۡرًا ۙ
তারপর সেই সবের, যা সচ্ছন্দ গতিতে চলাচল করে,
فَالۡمُقَسِّمٰتِ اَمۡرًا ۙ
তারপর সেই সবের, যা বস্তুরাজি বণ্টন করে
اِنَّمَا تُوۡعَدُوۡنَ لَصَادِقٌ ۙ
তোমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা নিশ্চিত সত্য
وَّاِنَّ الدِّیۡنَ لَوَاقِعٌ ؕ
এবং কর্মের প্রতিফল অবশ্যম্ভাবী।
وَالسَّمَآءِ ذَاتِ الۡحُبُکِ ۙ
কসম বহু পথবিশিষ্ট আকাশের,
اِنَّکُمۡ لَفِیۡ قَوۡلٍ مُّخۡتَلِفٍ ۙ
তোমরা পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।
یُّؤۡفَکُ عَنۡہُ مَنۡ اُفِکَ ؕ
এর (অর্থাৎ আখেরাতের বিশ্বাস) থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে কেবল সেই যে সম্পূর্ণরূপে সত্যবিমুখ।
قُتِلَ الۡخَرّٰصُوۡنَ ۙ
আল্লাহর ‘মার’ হোক (আকীদা-বিশ্বাসের ব্যাপারে) অনুমান নির্ভর উক্তিকারীদের প্রতি।
الَّذِیۡنَ ہُمۡ فِیۡ غَمۡرَۃٍ سَاہُوۡنَ ۙ
যারা উদাসীনতায় নিমজ্জিত থেকে সব কিছু বিস্মৃত হয়ে আছে।
یَسۡـَٔلُوۡنَ اَیَّانَ یَوۡمُ الدِّیۡنِ ؕ
জিজ্ঞেস করে, কর্মফল দিবস কবে?
یَوۡمَ ہُمۡ عَلَی النَّارِ یُفۡتَنُوۡنَ
তা সেই দিন, যে দিন তাদেরকে আগুনে দগ্ধ করা হবে।
ذُوۡقُوۡا فِتۡنَتَکُمۡ ؕ ہٰذَا الَّذِیۡ کُنۡتُمۡ بِہٖ تَسۡتَعۡجِلُوۡنَ
(বলা হবে) নিজেদের দুষ্কর্মের মজা ভোগ কর। এটাই সেই জিনিস, যা তোমরা তাড়াতাড়ি চাচ্ছিলে।
اِنَّ الۡمُتَّقِیۡنَ فِیۡ جَنّٰتٍ وَّعُیُوۡنٍ ۙ
মুত্তাকীগণ অবশ্যই উদ্যানরাজি ও প্রস্রবণসমূহের ভেতর থাকবে।
اٰخِذِیۡنَ مَاۤ اٰتٰہُمۡ رَبُّہُمۡ ؕ اِنَّہُمۡ کَانُوۡا قَبۡلَ ذٰلِکَ مُحۡسِنِیۡنَ ؕ
তাদের প্রতিপালক তাদেরকে যা-কিছু দেবেন, তারা তা উপভোগ করতে থাকবে। তারা তো এর আগেই সৎকর্মশীল ছিল।
کَانُوۡا قَلِیۡلًا مِّنَ الَّیۡلِ مَا یَہۡجَعُوۡنَ
তারা রাতের অল্প সময়ই ঘুমাত
وَبِالۡاَسۡحَارِ ہُمۡ یَسۡتَغۡفِرُوۡنَ
এবং তারা সাহরীর সময় ইস্তিগফার করত।
وَفِیۡۤ اَمۡوَالِہِمۡ حَقٌّ لِّلسَّآئِلِ وَالۡمَحۡرُوۡمِ
তাদের ধন-সম্পদে যাচক ও বঞ্চিতের (যথারীতি) হক থাকত।
وَفِی الۡاَرۡضِ اٰیٰتٌ لِّلۡمُوۡقِنِیۡنَ ۙ
যারা নিশ্চিত বিশ্বাসী, তাদের জন্য পৃথিবীতে আছে বহু নিদর্শন।
وَفِیۡۤ اَنۡفُسِکُمۡ ؕ اَفَلَا تُبۡصِرُوۡنَ
এবং স্বয়ং তোমাদের অস্তিত্বেও! তবুও কি তোমরা অনুধাবন করতে পার না?
وَفِی السَّمَآءِ رِزۡقُکُمۡ وَمَا تُوۡعَدُوۡنَ
আসমানেই আছে তোমাদের রিযক এবং তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাও।
فَوَرَبِّ السَّمَآءِ وَالۡاَرۡضِ اِنَّہٗ لَحَقٌّ مِّثۡلَ مَاۤ اَنَّکُمۡ تَنۡطِقُوۡنَ ٪
সুতরাং আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! নিশ্চয়ই এটা সত্য, যেমন (সত্য) তোমাদের কথা বলাটা।
ہَلۡ اَتٰىکَ حَدِیۡثُ ضَیۡفِ اِبۡرٰہِیۡمَ الۡمُکۡرَمِیۡنَ ۘ
(হে রাসূল!) তোমার কাছে কি ইবরাহীমের সম্মানিত অতিথিদের বৃত্তান্ত পৌঁছেছে?
اِذۡ دَخَلُوۡا عَلَیۡہِ فَقَالُوۡا سَلٰمًا ؕ قَالَ سَلٰمٌ ۚ قَوۡمٌ مُّنۡکَرُوۡنَ ۚ
যখন তারা ইবরাহীমের কাছে উপস্থিত হয়ে বলল সালাম, তখন ইবরাহীমও বলল, সালাম (এবং সে মনে মনে চিন্তা করল যে,) এরা তো অপরিচিত লোক।
فَرَاغَ اِلٰۤی اَہۡلِہٖ فَجَآءَ بِعِجۡلٍ سَمِیۡنٍ ۙ
তারপর সে চুপিসারে নিজ পরিবারবর্গের কাছে গেল এবং একটি মোটাতাজা বাছুর (-ভাজা) নিয়ে আসল।
فَقَرَّبَہٗۤ اِلَیۡہِمۡ قَالَ اَلَا تَاۡکُلُوۡنَ ۫
এবং তা সেই অতিথিদের সামনে এগিয়ে দিল এবং বলল, আপনারা খাচ্ছেন না যে?
فَاَوۡجَسَ مِنۡہُمۡ خِیۡفَۃً ؕ قَالُوۡا لَا تَخَفۡ ؕ وَبَشَّرُوۡہُ بِغُلٰمٍ عَلِیۡمٍ
এতে তাদের সম্পর্কে ইবরাহীমের মনে ভয় দেখা দিল। তারা বলল, ভয় পাবেন না। অতঃপর তারা তাকে এক মস্ত জ্ঞানী পুত্রের সুসংবাদ দিল।
فَاَقۡبَلَتِ امۡرَاَتُہٗ فِیۡ صَرَّۃٍ فَصَکَّتۡ وَجۡہَہَا وَقَالَتۡ عَجُوۡزٌ عَقِیۡمٌ
তখন তার স্ত্রী উচ্চৈঃস্বরে বলতে বলতে সামনে আসল এবং সে তার গাল চাপড়িয়ে বলতে লাগল, এক বৃদ্ধা বন্ধ্যা (বাচ্চা জন্ম দেবে)?
قَالُوۡا کَذٰلِکِ ۙ قَالَ رَبُّکِ ؕ اِنَّہٗ ہُوَ الۡحَکِیۡمُ الۡعَلِیۡمُ
অতিথিগণ বলল, তোমার প্রতিপালক এ রকমই বলেছেন। নিশ্চয়ই তিনি অতি হেকমতওয়ালা, সর্বজ্ঞ।
قَالَ فَمَا خَطۡبُکُمۡ اَیُّہَا الۡمُرۡسَلُوۡنَ
ইবরাহীম বলল, ওহে আল্লাহ-প্রেরিত ফেরেশতাগণ! তোমাদের গুরু কার্যটি কী?
قَالُوۡۤا اِنَّاۤ اُرۡسِلۡنَاۤ اِلٰی قَوۡمٍ مُّجۡرِمِیۡنَ ۙ
তারা বলল, আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের কাছে পাঠানো হয়েছে।
لِنُرۡسِلَ عَلَیۡہِمۡ حِجَارَۃً مِّنۡ طِیۡنٍ ۙ
যেন তাদের উপর নিক্ষেপ করি পাকা মাটির ঢেলা।
مُّسَوَّمَۃً عِنۡدَ رَبِّکَ لِلۡمُسۡرِفِیۡنَ
যাতে তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে বিশেষ চিহ্ন দেওয়া আছে সীমালংঘনকারীদের জন্য।
فَاَخۡرَجۡنَا مَنۡ کَانَ فِیۡہَا مِنَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ ۚ
অতঃপর সেই জনপদে যেসব মুমিন ছিল আমি তাদেরকে সেখান থেকে বের করলাম।
فَمَا وَجَدۡنَا فِیۡہَا غَیۡرَ بَیۡتٍ مِّنَ الۡمُسۡلِمِیۡنَ ۚ
এবং সেখানে একটি পরিবার ছাড়া আর কোন মুসলিম পাইনি।
وَتَرَکۡنَا فِیۡہَاۤ اٰیَۃً لِّلَّذِیۡنَ یَخَافُوۡنَ الۡعَذَابَ الۡاَلِیۡمَ ؕ
আমি তাতে (শিক্ষা গ্রহণের জন্য) এক নিদর্শন রেখে দিয়েছি তাদের জন্য, যারা যন্ত্রণাময় শাস্তিকে ভয় করে।
وَفِیۡ مُوۡسٰۤی اِذۡ اَرۡسَلۡنٰہُ اِلٰی فِرۡعَوۡنَ بِسُلۡطٰنٍ مُّبِیۡنٍ
এবং মূসার ঘটনায়ও (আমি এ রকম নিদর্শন রেখেছি), যখন আমি তাকে এক প্রকাশ্য দলীলসহ ফির‘আউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
فَتَوَلّٰی بِرُکۡنِہٖ وَقَالَ سٰحِرٌ اَوۡ مَجۡنُوۡنٌ
ফির‘আউন তার ক্ষমতার দর্পে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বলল, সে একজন যাদুকর অথবা উন্মাদ।
فَاَخَذۡنٰہُ وَجُنُوۡدَہٗ فَنَبَذۡنٰہُمۡ فِی الۡیَمِّ وَہُوَ مُلِیۡمٌ ؕ
সুতরাং আমি তাকে ও তার বাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং সকলকে সাগরে নিক্ষেপ করলাম। সে তো ছিলই তিরস্কার যোগ্য।
وَفِیۡ عَادٍ اِذۡ اَرۡسَلۡنَا عَلَیۡہِمُ الرِّیۡحَ الۡعَقِیۡمَ ۚ
এবং আদ জাতির মধ্যেও (আমি অনুরূপ নিদর্শন রেখেছিলাম), যখন আমি তাদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম এমন ঝঞ্ঝা বায়ু, যা সর্বপ্রকার কল্যাণ থেকে বন্ধ্যা ছিল।
مَا تَذَرُ مِنۡ شَیۡءٍ اَتَتۡ عَلَیۡہِ اِلَّا جَعَلَتۡہُ کَالرَّمِیۡمِ ؕ
তা যা-কিছুর উপর দিয়েই বয়ে যেত তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে রেখে যেত।
وَفِیۡ ثَمُوۡدَ اِذۡ قِیۡلَ لَہُمۡ تَمَتَّعُوۡا حَتّٰی حِیۡنٍ
এবং ছামুদ জাতির মধ্যেও (অনুরূপ নিদর্শন রেখেছিলাম), যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, কিছু কালের জন্য মজা লুটে নাও (এর মধ্যে নিজেদের না শোধরালে শাস্তি ভোগ করতে হবে)।
فَعَتَوۡا عَنۡ اَمۡرِ رَبِّہِمۡ فَاَخَذَتۡہُمُ الصّٰعِقَۃُ وَہُمۡ یَنۡظُرُوۡنَ
কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল। ফলে তাদেরকে আক্রান্ত করল বজ্র এবং তারা তা দেখছিল।
فَمَا اسۡتَطَاعُوۡا مِنۡ قِیَامٍ وَّمَا کَانُوۡا مُنۡتَصِرِیۡنَ ۙ
ফলে তারা না পারল উঠে দাঁড়াতে আর না ছিল তারা আত্মরক্ষায় সক্ষম।
وَقَوۡمَ نُوۡحٍ مِّنۡ قَبۡلُ ؕ اِنَّہُمۡ کَانُوۡا قَوۡمًا فٰسِقِیۡنَ ٪
তারও আগে আমি নূহের সম্প্রদায়কে পাকড়াও করেছিলাম। নিশ্চয়ই তারা ছিল এক অবাধ্য সম্প্রদায়।
وَالسَّمَآءَ بَنَیۡنٰہَا بِاَیۡىدٍ وَّاِنَّا لَمُوۡسِعُوۡنَ
আমি আকাশকে নির্মাণ করেছি (আমার) ক্ষমতাবলে এবং নিশ্চয়ই আমি বিস্তৃতি দাতা।
وَالۡاَرۡضَ فَرَشۡنٰہَا فَنِعۡمَ الۡمٰہِدُوۡنَ
আমি ভূমিকে বিছিয়ে দিয়েছি। সুতরাং আমি কত উত্তম করে বিছাই!
وَمِنۡ کُلِّ شَیۡءٍ خَلَقۡنَا زَوۡجَیۡنِ لَعَلَّکُمۡ تَذَکَّرُوۡنَ
আমি প্রতিটি বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।
فَفِرُّوۡۤا اِلَی اللّٰہِ ؕ اِنِّیۡ لَکُمۡ مِّنۡہُ نَذِیۡرٌ مُّبِیۡنٌ ۚ
সুতরাং ধাবিত হও আল্লাহর দিকে। নিশ্চয়ই আমি তাঁর পক্ষ হতে তোমাদের কাছে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী (হয়ে এসেছি)।
وَلَا تَجۡعَلُوۡا مَعَ اللّٰہِ اِلٰـہًا اٰخَرَ ؕ اِنِّیۡ لَکُمۡ مِّنۡہُ نَذِیۡرٌ مُّبِیۡنٌ ۚ
আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে মাবুদ বানিও না। নিশ্চয়ই আমি তাঁর পক্ষ হতে তোমাদের কাছে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী (হয়ে এসেছি)।
کَذٰلِکَ مَاۤ اَتَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِہِمۡ مِّنۡ رَّسُوۡلٍ اِلَّا قَالُوۡا سَاحِرٌ اَوۡ مَجۡنُوۡنٌ ۚ
এমনিভাবে তাদের আগে যারা ছিল, তাদের কাছেও এমন কোন রাসূল আসেনি, যার সম্পর্কে তারা বলেনি যে, সে একজন যাদুকর বা উন্মাদ।
اَتَوَاصَوۡا بِہٖ ۚ بَلۡ ہُمۡ قَوۡمٌ طَاغُوۡنَ ۚ
তারা কি পরস্পরে এ কথার অসিয়ত করে আসছে? না, বরং তারা এক উদ্ধত সম্প্রদায়।
فَتَوَلَّ عَنۡہُمۡ فَمَاۤ اَنۡتَ بِمَلُوۡمٍ ٭۫
সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি তাদেরকে অগ্রাহ্য কর। কেননা তুমি নিন্দাযোগ্য নও।
وَّذَکِّرۡ فَاِنَّ الذِّکۡرٰی تَنۡفَعُ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ
এবং উপদেশ দিতে থাক। কেননা উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।
وَمَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَالۡاِنۡسَ اِلَّا لِیَعۡبُدُوۡنِ
আমি জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমার ইবাদত করবে।
مَاۤ اُرِیۡدُ مِنۡہُمۡ مِّنۡ رِّزۡقٍ وَّمَاۤ اُرِیۡدُ اَنۡ یُّطۡعِمُوۡنِ
আমি তাদের কাছে কোন রকম রিযক চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিক।
اِنَّ اللّٰہَ ہُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الۡقُوَّۃِ الۡمَتِیۡنُ
আল্লাহ নিজেই তো রিযিকদাতা এবং তিনি প্রবল পরাক্রমশালী।
فَاِنَّ لِلَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡا ذَنُوۡبًا مِّثۡلَ ذَنُوۡبِ اَصۡحٰبِہِمۡ فَلَا یَسۡتَعۡجِلُوۡنِ
যারা জুলুম করেছে তাদেরও (শাস্তির) সেই পালা আসবে, যেমন পালা এসেছিল তাদের (পূর্ববর্তী) অনুরূপ লোকদের ক্ষেত্রে। সুতরাং তারা যেন আমার কাছে তাড়াহুড়া করে (শাস্তি) না চায়।
فَوَیۡلٌ لِّلَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡ یَّوۡمِہِمُ الَّذِیۡ یُوۡعَدُوۡنَ ٪
যারা কুফর অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ সেই দিনের, যে দিনের প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে।