এক মিনিটের মাদরাসা
হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দামাত বারকাতুহুম হলেন শতাব্দির মুজাদ্দিদ মুহিউসসুন্নাহ শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক সাহেব রহ. এর বিশিষ্ট খলীফা, এবং ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য মাদরাসা জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়ার প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস। তিনি এক মিনিটের মাদরাসা নামক কিতাবের বিষয়ে যে অভিমত প্রকাশ করেছেন তা নিচে তুলে ধরা হলো।
মহান আল্লাহ তা‘আলার কাছে লাখো-কোটি শুকরিয়া যে, তিনি সব যুগেই এমন কিছু মহামানব সৃষ্টি করেন; যারা একদিকে যেমন নিজেরা আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের হুকুম পুরোপুরি মেনে চলতে সচেষ্ট থাকেন, ঠিক অপরদিকে পুরো উম্মাহও যেন তাদের জীবনে আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারে সে জন্য নিজেদের গোটা জীবন ওয়াক্ত করে দেন। এই সোনালী কাফেলারই অন্যতম হলেন, হাকীমুল উম্মাত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. এর সুযোগ্য খলীফা মুহীউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা শাহ আবরারুল হক রহ.। তাঁর সারা জীবনের ধ্যান-জ্ঞান ছিল মুসলিম উম্মাহ যেন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালিত করে। মৃতপ্রায় সুন্নতগুলো যেন পুনরায় তাদের মাঝে জীবন্ত হয়ে ওঠে। এ লক্ষ্যে তিনি সারা জীবন দেশ-বিদেশ ছুটে বেড়িয়েছেন। সুন্নাতের আমলী মশক করিয়েছেন। এর পাশাপাশি বহু কিতাব, রিসালা রচনা করেছেন।
তার সংকলিত রচনাসমগ্রের মধ্যে অধিক পরিচিত ও প্রসিদ্ধ একটি কিতাব হলো, "এক মিনিটের মাদরাসা”। কিতাবটির পরিচিতি নতুনভাবে তুলে ধরার অপেক্ষা রাখে না। দীনী কিতাবাদীর ব্যাপারে সামান্য জানা-শোনা আছে এমন যে কোন পাঠকমাত্রই কিতাবটি সম্পর্কে অবগত আছেন। দীনের মৌলিক বিষয়গুলো খুবই বিন্যস্তভাবে সবক আকারে (পাঠভিত্তিক) সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।
বক্ষমাণ গ্রন্থটি সেই কিতাবটিরই একটি পরিমার্জিতরূপ। আমি এর কিছু কিছু অংশ দেখেছি। বিশেষ করে প্রত্যেকটি সুন্নাতের হাদীস ভিত্তিক দলীল পেশ করা হয়েছে, এটা খুবই খশীর বিষয়। আমার কাছে উপকারীই মনে হয়েছে। মহান রাব্বুল আলামীন এ কিতাবের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জাযায়ে খাইর দান করেন। পুরো মুসলিম জাতিকে সহীহভাবে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবিক জীবন পরিচালনা করার তাওফীক নসীব করেন। আমীন।
মনসূরুল হক