দুশ্চিন্তা, পেরেশানী, অক্ষমতা, অলসতা থেকে হেফাজত ও ঋণ মুক্তির দু‘আ
اَللّٰهُمَّ اِنِّـيْۤ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ، وَاَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَاَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ والْبُخْلِ، وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে এবং আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে, আরো আশ্রয় চাচ্ছি ঋণ প্রবল হওয়া ও মানুষের কঠোর আচরণ থেকে।
ফযীলত: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেরেশান ও ঋণগ্রস্ত সাহাবী হযরত আবু উমামা রা.কে বলেন, আমি কি তোমাকে এমন কথা শিক্ষা দিবো না যা বললে আল্লাহ তোমার পেরেশানী দূর করবেন এবং তোমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন? তুমি সকাল-সন্ধ্যায় উক্ত দু‘আ পড়বে। সাহাবী বলেন, এ আমলের পর আল্লাহ পাক আমার পেরেশানী দূর করে দিলেন এবং ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিলেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ১৫৫৭)
اَللّٰهُمَّ اكْفِنِـيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَاَغْنِنِـيْ بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে হারাম থেকে বাঁচিয়ে তোমার প্রদত্ত হালালকে আমার জন্য যথেষ্ট করো এবং অনুগ্রহ করে তুমি ব্যতীত অন্যের থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করো।
ফযীলত: উক্ত দু‘আ সম্পর্কে হযরত আলী রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এমন কিছু কালিমা শিক্ষা দিয়েছেন যেগুলো পড়লে (ইয়ামানের) ছীর পাহাড় পরিমাণ ঋণ থাকলেও আল্লাহ তা‘আলা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস: ৩৫৬৩)