বৈধ কাজের জন্য তাবীজ লেখা দুনিয়াবী তদবীর, ইবাদত নয়
Question
আমাদের একজন মুরব্বী বলেন, শরী‘আতের দৃষ্টিতে তাবীজ লেখা জায়েয নেই চাই সেটা যে কোন কাজের জন্যই হোক না কেন। তিনি আরো বলেন, কুরআনের কোথাও একথা বলা হয় নেই যে, ওমুক আয়াত লিখে গলায় ঝুলালে বা হাতে বাধলে ওমুক হাজত পুরা হয়ে যাবে। শুধু মাত্র আল্লাহ তাআলার সাহায্যের উপরই একীন করা উচিৎ। তার এই কথা কতটুকু বাস্তব সম্মত?
Answer
কুরআনী আয়াত পড়ে দম করার কথা তো হাদীসের মধ্যেই আছে। রাসূলে আকরাম ﷺ সাহাবায়ে কেরাম এবং পরবর্তী বুযুর্গদের এটা মামুল ছিল। তাবীজও তারই একটি পদ্ধতি। সুতরাং সেটা জায়েয হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ পোষণ করার অবকাশ নেই। তবে তাবীজের দর্জাও স্তরটা বুঝতে হবে। অনেক লোক তাবীজকেই সরাসরি উপকারী বা ক্ষতিকারী বলে মনে করে। এটা ভুল। বরং অন্যান্য তদবীর ও চেষ্টার মত তাবীজও একটা তদবীর ও চিকিৎসা, আর সেটার উপকারী হওয়া না হওয়া আল্লাহ পাকের ইচ্ছার সাথে সম্পৃক্ত। অনেক লোক তাবীজকে রুহানী আমল মনে করে। এটাও ঠিক নয়, রুহানিয়াত। অন্য জিনিষ, আর তাবীজ তো একটি দুনিয়াবী তদবীর মাত্র। অনেক লোক দু‘আর উপরেও অতটুকু বিশ্বাস রাখেনা যতটুকু তাবীজের উপর রাখে। এটাও ঠিক না, দু‘আ হচ্ছে ইবাদাত, তাবীজ হচ্ছে তদবীর। (আপকে মাসাইল-১/৩৫২)