রাসূলুল্লাহ ﷺ- এর নামের পূর্বে জনাব শব্দের ব্যবহার
Question
জনৈক ইমাম সাহেব তাফসীরে জালালাইন শরীফে ৩০২ নং পৃষ্টার ১০ নং টীকার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন যে, কোন ব্যক্তি যদি রাসূলুল্লাহ ﷺ শব্দটির পুর্বে জনাব শব্দ ব্যবহার করে তাহলে সে কাফির হয়ে যাবে। কথাটি কতটুকু সত্য?
Answer
হুযুর ﷺ-এর নামের পুর্বে জনাব শব্দ ব্যবহার করলে সে কাফির হয়ে যাবে, বক্তব্যটি ভিত্তিহীন এবং বক্তা জালালাইন শরীফে ৩০২ নং পৃষ্টার ১০ নং হুশিয়ার উপর ভুল ব্যাখ্যা করেছেন। এ রকম অপব্যাখ্যার দ্বারা জন সাধারণকে বিভ্রান্ত করা হয়। কারন সংশ্লিষ্ট আয়াতের মর্ম হচ্ছে তোমরা হুযুর ﷺ-এর নাম ধরেডাকবে না। যেমন ‘ইয়া মুহাম্মদ’ বলা এবং হুযুর ﷺ- এর কুনিয়ত দ্বারা ডাকবেনা। যেমন “ইয়া আবাল কাসিম” বলা। বরং হুযুর ﷺ -কে ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া নাবীয়াল্লাহ, ইয়া ইমামাল মুরসালীন, ইয়া রাসূলা রাব্বিল আলামীন, ইয়া খাতামান নাবিয়্যিন ইত্যাদি বলে সম্বোধন করতে হবে। সারকথা হুযুর ﷺ-কে এমন শব্দ দ্বারা ডাকা যাবে না, যে শব্দ দ্বারা হুযুর ﷺ- এর সম্মান প্রকাশ পায় না আর জনাব শব্দ সম্মান বুঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। [প্রমাণঃ সূরা নূর ৬৩, সূরা হুযুরাত ২, হাশিয়ায়ে জালালাইন ২:৩০২, মাআরিফুল কুরআন ৬:৪৫৫]