الجاثية
আল-জাসিয়া
Ayah ৩৭ · Meccan · Para ২৫
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
حٰمٓ ۚ
হা-মীম।
تَنۡزِیۡلُ الۡکِتٰبِ مِنَ اللّٰہِ الۡعَزِیۡزِ الۡحَکِیۡمِ
এ কিতাব নাযিল করা হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
اِنَّ فِی السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ لَاٰیٰتٍ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ ؕ
প্রকৃতপক্ষে বিশ্বাসীদের জন্য আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে বহু নিদর্শন আছে।
وَفِیۡ خَلۡقِکُمۡ وَمَا یَبُثُّ مِنۡ دَآبَّۃٍ اٰیٰتٌ لِّقَوۡمٍ یُّوۡقِنُوۡنَ ۙ
এবং খোদ তোমাদের সৃজন ও সেইসব জীবের মধ্যেও, যা তিনি (পৃথিবীতে) ছড়িয়ে দিয়েছেন, যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে সেইসব লোকের জন্য আছে বহু নিদর্শন।
وَاخۡتِلَافِ الَّیۡلِ وَالنَّہَارِ وَمَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰہُ مِنَ السَّمَآءِ مِنۡ رِّزۡقٍ فَاَحۡیَا بِہِ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِہَا وَتَصۡرِیۡفِ الرِّیٰحِ اٰیٰتٌ لِّقَوۡمٍ یَّعۡقِلُوۡنَ
(তাছাড়া) রাত-দিনের পরিবর্তনের মধ্যে, আল্লাহ আকাশ থেকে জীবিকার যে মাধ্যম অবতীর্ণ করেছেন, তারপর তা দ্বারা ভূমিকে তার মৃত্যুর পর নতুন জীবন দান করেছেন, তার মধ্যে এবং বায়ুর পরিবর্তনের মধ্যে বহু নিদর্শন আছে সেইসব লোকের জন্য যারা বোধশক্তিকে কাজে লাগায়।
تِلۡکَ اٰیٰتُ اللّٰہِ نَتۡلُوۡہَا عَلَیۡکَ بِالۡحَقِّ ۚ فَبِاَیِّ حَدِیۡثٍۭ بَعۡدَ اللّٰہِ وَاٰیٰتِہٖ یُؤۡمِنُوۡنَ
এসব আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমাকে যথাযথভাবে পড়ে শোনাচ্ছি। সুতরাং আল্লাহ ও তাঁর আয়াতসমূহের পর এমন কোন জিনিস আছে, যার উপর তারা ঈমান আনবে?
وَیۡلٌ لِّکُلِّ اَفَّاکٍ اَثِیۡمٍ ۙ
দুর্গতি হোক প্রত্যেক এমন মিথ্যুক পাপিষ্ঠের
یَّسۡمَعُ اٰیٰتِ اللّٰہِ تُتۡلٰی عَلَیۡہِ ثُمَّ یُصِرُّ مُسۡتَکۡبِرًا کَاَنۡ لَّمۡ یَسۡمَعۡہَا ۚ فَبَشِّرۡہُ بِعَذَابٍ اَلِیۡمٍ
যে আল্লাহর আয়াতসমূহ শোনে, যখন তাকে পড়ে শোনানো হয়, কিন্তু তা সত্ত্বেও সে ঔদ্ধত্যের সাথে এমনভাবে (কুফরের উপর) অটল থাকে, যেন আয়াতসমূহ শোনেইনি। সুতরাং এমন ব্যক্তিকে যন্ত্রণাময় শাস্তির সুসংবাদ (?) শোনাও।
وَاِذَا عَلِمَ مِنۡ اٰیٰتِنَا شَیۡئَۨا اتَّخَذَہَا ہُزُوًا ؕ اُولٰٓئِکَ لَہُمۡ عَذَابٌ مُّہِیۡنٌ ؕ
যখন আমার আয়াতসমূহের মধ্য হতে কোন আয়াত তার জ্ঞানগোচর হয়, তখন সে তা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে। এরূপ ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি।
مِنۡ وَّرَآئِہِمۡ جَہَنَّمُ ۚ وَلَا یُغۡنِیۡ عَنۡہُمۡ مَّا کَسَبُوۡا شَیۡئًا وَّلَا مَا اتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ اَوۡلِیَآءَ ۚ وَلَہُمۡ عَذَابٌ عَظِیۡمٌ ؕ
তাদের সামনে আছে জাহান্নাম। তারা যা-কিছু অর্জন করেছে তা তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে নিজেদের অভিভাবক বানিয়েছে তারাও না। তাদের জন্য আছে এক মহাশাস্তি।
ہٰذَا ہُدًی ۚ وَالَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِاٰیٰتِ رَبِّہِمۡ لَہُمۡ عَذَابٌ مِّنۡ رِّجۡزٍ اَلِیۡمٌ ٪
এটা (অর্থাৎ কুরআন আদ্যোপান্ত) হেদায়াত। যারা নিজ প্রতিপালকের আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে তাদের জন্য আছে মহা মুসিবতের মর্মন্তুদ শাস্তি।
اَللّٰہُ الَّذِیۡ سَخَّرَ لَکُمُ الۡبَحۡرَ لِتَجۡرِیَ الۡفُلۡکُ فِیۡہِ بِاَمۡرِہٖ وَلِتَبۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِہٖ وَلَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ ۚ
তিনিই আল্লাহ, যিনি সাগরকে তোমাদের কাজে নিযুক্ত করেছেন, যাতে তাঁর নির্দেশে তাতে চলে জলযান এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং যাতে তোমরা তাঁর শোকর আদায় কর।
وَسَخَّرَ لَکُمۡ مَّا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الۡاَرۡضِ جَمِیۡعًا مِّنۡہُ ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یَّتَفَکَّرُوۡنَ
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে, তা সবই তিনি নিজের পক্ষ থেকে তোমাদের কাজে লাগিয়ে রেখেছেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে বহু নিদর্শন আছে সেই সব লোকের জন্য, যারা চিন্তা-ভাবনা করে।
قُلۡ لِّلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا یَغۡفِرُوۡا لِلَّذِیۡنَ لَا یَرۡجُوۡنَ اَیَّامَ اللّٰہِ لِیَجۡزِیَ قَوۡمًۢا بِمَا کَانُوۡا یَکۡسِبُوۡنَ
(হে রাসূল!) যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে বল, যারা আল্লাহর দিনসমূহের ভয় রাখে না, তাদেরকে যেন ক্ষমা করে। এইজন্য যে, আল্লাহ মানুষকে তাদের কৃতকর্মের প্রতিফল দান করবেন।
مَنۡ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفۡسِہٖ ۚ وَمَنۡ اَسَآءَ فَعَلَیۡہَا ۫ ثُمَّ اِلٰی رَبِّکُمۡ تُرۡجَعُوۡنَ
যে ব্যক্তিই সৎকর্ম করে সে তা করে নিজের কল্যাণার্থে আর যে-কেউ মন্দ কর্ম করে, সে নিজেরই ক্ষতি করে। অবশেষে তোমাদের সকলকে তোমাদের প্রতিপালকের কাছেই ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
وَلَقَدۡ اٰتَیۡنَا بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ الۡکِتٰبَ وَالۡحُکۡمَ وَالنُّبُوَّۃَ وَرَزَقۡنٰہُمۡ مِّنَ الطَّیِّبٰتِ وَفَضَّلۡنٰہُمۡ عَلَی الۡعٰلَمِیۡنَ ۚ
আমি বনী ইসরাঈলকে কিতাব, রাজত্ব ও নবুওয়াত দান করেছিলাম, তাদেরকে উৎকৃষ্ট বস্তু সমূহের রিযক দিয়েছিলাম এবং জগদ্বাসীর উপর তাদেরকে দিয়েছিলাম শ্রেষ্ঠত্ব।
وَاٰتَیۡنٰہُمۡ بَیِّنٰتٍ مِّنَ الۡاَمۡرِ ۚ فَمَا اخۡتَلَفُوۡۤا اِلَّا مِنۡۢ بَعۡدِ مَا جَآءَہُمُ الۡعِلۡمُ ۙ بَغۡیًۢا بَیۡنَہُمۡ ؕ اِنَّ رَبَّکَ یَقۡضِیۡ بَیۡنَہُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ فِیۡمَا کَانُوۡا فِیۡہِ یَخۡتَلِفُوۡنَ
আর তাদেরকে দিয়েছিলাম দীনের সুস্পষ্ট বিধানাবলী। অতঃপর তারা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছিল তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরই, কেবল তাদের পারস্পরিক বিদ্বেষবশত। তারা যেসব বিষয়ে মতবিরোধ করে, তোমার প্রতিপালক নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন তার মধ্যে ফায়সালা করে দিবেন।
ثُمَّ جَعَلۡنٰکَ عَلٰی شَرِیۡعَۃٍ مِّنَ الۡاَمۡرِ فَاتَّبِعۡہَا وَلَا تَتَّبِعۡ اَہۡوَآءَ الَّذِیۡنَ لَا یَعۡلَمُوۡنَ
(হে রাসূল!) আমি তোমাকে দীনের এক বিশেষ শরীয়তের উপর রেখেছি। সুতরাং তুমি তারই অনুসরণ কর এবং যারা প্রকৃত জ্ঞান রাখে না, তাদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করো না।
اِنَّہُمۡ لَنۡ یُّغۡنُوۡا عَنۡکَ مِنَ اللّٰہِ شَیۡئًا ؕ وَاِنَّ الظّٰلِمِیۡنَ بَعۡضُہُمۡ اَوۡلِیَآءُ بَعۡضٍ ۚ وَاللّٰہُ وَلِیُّ الۡمُتَّقِیۡنَ
আল্লাহর বিপরীতে তারা তোমার কিছুমাত্র কাজে আসবে না। বস্তুত জালেমগণ একে অন্যের বন্ধু আর আল্লাহ বন্ধু মুত্তাকীদের।
ہٰذَا بَصَآئِرُ لِلنَّاسِ وَہُدًی وَّرَحۡمَۃٌ لِّقَوۡمٍ یُّوۡقِنُوۡنَ
এটা (কুরআন) সমস্ত মানুষের জন্য প্রকৃত জ্ঞানের সমষ্টি এবং যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে, তাদের জন্য পথনির্দেশ ও রহমত।
اَمۡ حَسِبَ الَّذِیۡنَ اجۡتَرَحُوا السَّیِّاٰتِ اَنۡ نَّجۡعَلَہُمۡ کَالَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ۙ سَوَآءً مَّحۡیَاہُمۡ وَمَمَاتُہُمۡ ؕ سَآءَ مَا یَحۡکُمُوۡنَ ٪
যারা অসৎ কার্যাবলীতে লিপ্ত হয়েছে, তারা কি ভেবেছে আমি তাদেরকে সেই সকল লোকের সম গণ্য করব, যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, ফলে তাদের জীবন ও মরণ একই রকম হয়ে যাবে? তারা যা সিদ্ধান্ত করে রেখেছে তা কতই না মন্দ!
وَخَلَقَ اللّٰہُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَقِّ وَلِتُجۡزٰی کُلُّ نَفۡسٍۭ بِمَا کَسَبَتۡ وَہُمۡ لَا یُظۡلَمُوۡنَ
আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী যথাযথ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন এবং তা করেছেন এজন্য যে, প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে যখন তাদের প্রতি কোন জুলুম করা হবে না।
اَفَرَءَیۡتَ مَنِ اتَّخَذَ اِلٰـہَہٗ ہَوٰىہُ وَاَضَلَّہُ اللّٰہُ عَلٰی عِلۡمٍ وَّخَتَمَ عَلٰی سَمۡعِہٖ وَقَلۡبِہٖ وَجَعَلَ عَلٰی بَصَرِہٖ غِشٰوَۃً ؕ فَمَنۡ یَّہۡدِیۡہِ مِنۡۢ بَعۡدِ اللّٰہِ ؕ اَفَلَا تَذَکَّرُوۡنَ
তুমি কি দেখেছ তাকে, যে তার খেয়াল-খুশীকে নিজ মাবুদ বানিয়ে নিয়েছে এবং জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও আল্লাহ তাকে গোমরাহীতে নিক্ষেপ করেছেন এবং তার কান ও অন্তরে মোহর করে দিয়েছেন আর তার চোখের উপর পর্দা ফেলে দিয়েছেন? অতএব, আল্লাহর পর এমন কে আছে, যে তাকে সুপথে নিয়ে আসবে? তবুও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে না?
وَقَالُوۡا مَا ہِیَ اِلَّا حَیَاتُنَا الدُّنۡیَا نَمُوۡتُ وَنَحۡیَا وَمَا یُہۡلِکُنَاۤ اِلَّا الدَّہۡرُ ۚ وَمَا لَہُمۡ بِذٰلِکَ مِنۡ عِلۡمٍ ۚ اِنۡ ہُمۡ اِلَّا یَظُنُّوۡنَ
তারা বলে, জীবন বলতে যা-কিছু তা ব্যস আমাদের এই পার্থিব জীবনই। আমরা এখানেই মরি ও বাঁচি, আর আমাদেরকে কেবল কালই ধ্বংস করে, অথচ এ বিষয়ে তাদের কোনই জ্ঞান নেই। তারা কেবল ধারণাই করে।
وَاِذَا تُتۡلٰی عَلَیۡہِمۡ اٰیٰتُنَا بَیِّنٰتٍ مَّا کَانَ حُجَّتَہُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ قَالُوا ائۡتُوۡا بِاٰبَآئِنَاۤ اِنۡ کُنۡتُمۡ صٰدِقِیۡنَ
যখন আমার আয়াতসমূহ সুস্পষ্টভাবে তাদেরকে পড়ে শোনানো হয়, তখন তাদের কোন যুক্তি থাকে না এই কথা বলা ছাড়া যে, তোমরা সত্যবাদী হলে আমাদের বাপ-দাদাদেরকে (জীবিত করে) নিয়ে এসো।
قُلِ اللّٰہُ یُحۡیِیۡکُمۡ ثُمَّ یُمِیۡتُکُمۡ ثُمَّ یَجۡمَعُکُمۡ اِلٰی یَوۡمِ الۡقِیٰمَۃِ لَا رَیۡبَ فِیۡہِ وَلٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ ٪
বলে দাও, আল্লাহই তোমাদেরকে জীবন দান করেন, তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন তারপর কিয়ামতের দিন তোমাদের সকলকে সমবেত করবেন, যে বিষয়ে কোন রকম সন্দেহ নেই, কিন্তু অধিকাংশ লোকে বোঝে না।
وَلِلّٰہِ مُلۡکُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ؕ وَیَوۡمَ تَقُوۡمُ السَّاعَۃُ یَوۡمَئِذٍ یَّخۡسَرُ الۡمُبۡطِلُوۡنَ
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব আল্লাহরই। যে দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সে দিন বাতিলপন্থীগণ কঠিনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
وَتَرٰی کُلَّ اُمَّۃٍ جَاثِیَۃً ۟ کُلُّ اُمَّۃٍ تُدۡعٰۤی اِلٰی کِتٰبِہَا ؕ اَلۡیَوۡمَ تُجۡزَوۡنَ مَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ
আর তুমি প্রত্যেক দলকে দেখবে হাঁটু ভেঙ্গে পড়ে আছে এবং প্রত্যেক দলকে তাদের আমলনামার দিকে ডাকা হবে (এবং বলা হবে,) আজ তোমাদেরকে তোমাদের কৃতকর্মের বদলা দেওয়া হবে।
ہٰذَا کِتٰبُنَا یَنۡطِقُ عَلَیۡکُمۡ بِالۡحَقِّ ؕ اِنَّا کُنَّا نَسۡتَنۡسِخُ مَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ
এটা আমার (লিপিবদ্ধ করানো) দফতর, যা তোমাদের সম্পর্কে সত্য বলছে। তোমরা যা-কিছু করতে আমি তা সবই লিপিবদ্ধ করাতাম।
فَاَمَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فَیُدۡخِلُہُمۡ رَبُّہُمۡ فِیۡ رَحۡمَتِہٖ ؕ ذٰلِکَ ہُوَ الۡفَوۡزُ الۡمُبِیۡنُ
সুতরাং যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে তো তাদের প্রতিপালক নিজ রহমতের ভেতর দাখিল করবেন। এটাই সুস্পষ্ট সফলতা।
وَاَمَّا الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا ۟ اَفَلَمۡ تَکُنۡ اٰیٰتِیۡ تُتۡلٰی عَلَیۡکُمۡ فَاسۡتَکۡبَرۡتُمۡ وَکُنۡتُمۡ قَوۡمًا مُّجۡرِمِیۡنَ
আর যারা কুফর অবলম্বন করেছিল, (তাদেরকে বলা হবে) তোমাদের সামনে কি আমার আয়াতসমূহ পড়া হত না? তা সত্ত্বেও তোমরা অহংকার করেছিলে এবং তোমরা ছিলে এক অপরাধী সম্প্রদায়।
وَاِذَا قِیۡلَ اِنَّ وَعۡدَ اللّٰہِ حَقٌّ وَّالسَّاعَۃُ لَا رَیۡبَ فِیۡہَا قُلۡتُمۡ مَّا نَدۡرِیۡ مَا السَّاعَۃُ ۙ اِنۡ نَّظُنُّ اِلَّا ظَنًّا وَّمَا نَحۡنُ بِمُسۡتَیۡقِنِیۡنَ
এবং যখন তোমাদেরকে বলা হত, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কিয়ামত এমন এক বাস্তবতা, যার মধ্যে কোন সন্দেহ নেই, তখন তোমরা বলতে, আমরা জানি না কিয়ামত কী? এ সম্পর্কে আমরা মনে করি এটা একটা ধারণা মাত্র। এ সম্পর্কে আমরা বিলকুল বিশ্বাসী নই।
وَبَدَا لَہُمۡ سَیِّاٰتُ مَا عَمِلُوۡا وَحَاقَ بِہِمۡ مَّا کَانُوۡا بِہٖ یَسۡتَہۡزِءُوۡنَ
এবং তারা যা কিছু করেছিল (তখন) তার মন্দত্ব তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে যাবে। আর তারা যে বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত, তা তাদেরকে বেষ্টন করে ফেলবে।
وَقِیۡلَ الۡیَوۡمَ نَنۡسٰکُمۡ کَمَا نَسِیۡتُمۡ لِقَآءَ یَوۡمِکُمۡ ہٰذَا وَمَاۡوٰىکُمُ النَّارُ وَمَا لَکُمۡ مِّنۡ نّٰصِرِیۡنَ
তাদেরকে বলা হবে, আজ আমি সেইভাবেই তোমাদেরকে বিস্মৃত হব, যেমন তোমরা তোমাদের এই দিবসের সম্মুখীন হওয়াকে বিস্মৃত হয়েছিলে। তোমাদের ঠিকানা আগুন এবং তোমাদের কোন রকমের সাহায্যকারী থাকবে না।
ذٰلِکُمۡ بِاَنَّکُمُ اتَّخَذۡتُمۡ اٰیٰتِ اللّٰہِ ہُزُوًا وَّغَرَّتۡکُمُ الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَا ۚ فَالۡیَوۡمَ لَا یُخۡرَجُوۡنَ مِنۡہَا وَلَا ہُمۡ یُسۡتَعۡتَبُوۡنَ
তা এ কারণে যে, তোমরা আল্লাহর আয়াতসমূহকে ঠাট্টা-বিদ্রূপের বস্তু বানিয়েছিলে এবং পার্থিব জীবন তোমাদেরকে ধোঁকায় ফেলে রেখেছিল। সুতরাং আজ এরূপ লোকদেরকে তা থেকে বের করা হবে না এবং তাদেরকে ক্ষমা প্রার্থনা করতেও বলা হবে না।
فَلِلّٰہِ الۡحَمۡدُ رَبِّ السَّمٰوٰتِ وَرَبِّ الۡاَرۡضِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ
মোদ্দাকথা সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আকাশমণ্ডলীর মালিক, পৃথিবীর মালিক, জগতসমূহেরও মালিক।
وَلَہُ الۡکِبۡرِیَآءُ فِی السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ۪ وَہُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ٪
এবং সমস্ত গৌরব তাঁরই, আকাশমণ্ডলীতেও এবং পৃথিবীতেও। এবং তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।