الرحمن
আর-রাহমান
আয়াত ৭৮ · মাদানী · পারা ২৭
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
اَلرَّحۡمٰنُ ۙ
তিনি তো রহমানই,
عَلَّمَ الۡقُرۡاٰنَ ؕ
যিনি কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন
خَلَقَ الۡاِنۡسَانَ ۙ
মানুষকে সৃষ্টি করেছেন।
عَلَّمَہُ الۡبَیَانَ
তাকে ভাব প্রকাশ করতে শিখিয়েছেন।
اَلشَّمۡسُ وَالۡقَمَرُ بِحُسۡبَانٍ ۪
সূর্য ও চন্দ্র একটি হিসাবের সাথে আবদ্ধ আছে।
وَّالنَّجۡمُ وَالشَّجَرُ یَسۡجُدٰنِ
তৃণলতা ও বৃক্ষ তাঁর সম্মুখে সিজদা করে।
وَالسَّمَآءَ رَفَعَہَا وَوَضَعَ الۡمِیۡزَانَ ۙ
এবং তিনিই আকাশকে উঁচু করেছেন এবং তুলাদণ্ড স্থাপন করেছেন,
اَلَّا تَطۡغَوۡا فِی الۡمِیۡزَانِ
যাতে তোমরা পরিমাপে জুলুম না কর।
وَاَقِیۡمُوا الۡوَزۡنَ بِالۡقِسۡطِ وَلَا تُخۡسِرُوا الۡمِیۡزَانَ
এবং ইনসাফের সাথে ওজন ঠিক রাখ এবং পরিমাপে কম না দাও।
وَالۡاَرۡضَ وَضَعَہَا لِلۡاَنَامِ ۙ
এবং পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টজীবের জন্য।
فِیۡہَا فَاکِہَۃٌ ۪ۙ وَّالنَّخۡلُ ذَاتُ الۡاَکۡمَامِ ۖ
তাতে আছে ফলমূল এবং চুমরিযুক্ত খেজুর গাছ।
وَالۡحَبُّ ذُو الۡعَصۡفِ وَالرَّیۡحَانُ ۚ
এবং খোসা বিশিষ্ট শস্যদানা ও সুগন্ধযুক্ত ফুল।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং (হে মানুষ ও জিন্ন!) তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
خَلَقَ الۡاِنۡسَانَ مِنۡ صَلۡصَالٍ کَالۡفَخَّارِ ۙ
তিনিই মানুষকে পোড়া মাটির মত ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।
وَخَلَقَ الۡجَآنَّ مِنۡ مَّارِجٍ مِّنۡ نَّارٍ ۚ
আর জিন্নদেরকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা দ্বারা।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
رَبُّ الۡمَشۡرِقَیۡنِ وَرَبُّ الۡمَغۡرِبَیۡنِ ۚ
তিনিই দুই মাশরিক (উদয়াচল) ও দুই মাগরিব (অস্তাচল)-এর প্রতিপালক।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مَرَجَ الۡبَحۡرَیۡنِ یَلۡتَقِیٰنِ ۙ
তিনিই দুই সাগরকে এভাবে প্রবাহিত করেন যে, তারা পরস্পর মিলিত হয়,
بَیۡنَہُمَا بَرۡزَخٌ لَّا یَبۡغِیٰنِ ۚ
কিন্তু (তা সত্ত্বেও) তাদের মধ্যে থাকে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করতে পারে না।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یَخۡرُجُ مِنۡہُمَا اللُّؤۡلُؤُ وَالۡمَرۡجَانُ ۚ
উভয় সাগর থেকে উৎপন্ন হয় মুক্তা ও পলা।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
وَلَہُ الۡجَوَارِ الۡمُنۡشَئٰتُ فِی الۡبَحۡرِ کَالۡاَعۡلَامِ ۚ
সাগরে উঁচু পাহাড়ের মত চলমান জাহাজসমূহ তাঁরই নিয়ন্ত্রণাধীন।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ٪
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
کُلُّ مَنۡ عَلَیۡہَا فَانٍ ۚۖ
ভূ-পৃষ্ঠে যা-কিছু আছে, সবই ধ্বংস হবে।
وَّیَبۡقٰی وَجۡہُ رَبِّکَ ذُو الۡجَلٰلِ وَالۡاِکۡرَامِ ۚ
বাকি থাকবে কেবল তোমার প্রতিপালকের গৌরবময়, মহানুভব সত্তা।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یَسۡـَٔلُہٗ مَنۡ فِی السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ؕ کُلَّ یَوۡمٍ ہُوَ فِیۡ شَاۡنٍ ۚ
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে, সকলে তাঁরই কাছে (আপন-আপন প্রয়োজন) যাচনা করে। তিনি প্রত্যহ একেকটি শানে থাকেন।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
سَنَفۡرُغُ لَکُمۡ اَیُّہَ الثَّقَلٰنِ ۚ
ওহে দুই ওজনদার সৃষ্টি! আমি শীঘ্রই তোমাদের (হিসাব নেওয়ার) জন্য মুক্ত হয়ে যাব।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یٰمَعۡشَرَ الۡجِنِّ وَالۡاِنۡسِ اِنِ اسۡتَطَعۡتُمۡ اَنۡ تَنۡفُذُوۡا مِنۡ اَقۡطَارِ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ فَانۡفُذُوۡا ؕ لَا تَنۡفُذُوۡنَ اِلَّا بِسُلۡطٰنٍ ۚ
হে মানুষ ও জিন্ন সম্প্রদায়! তোমাদের যদি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সীমানা অতিক্রম করার সামর্থ্য থাকে, তবে তা অতিক্রম কর। তোমরা প্রচণ্ড শক্তি ছাড়া তা অতিক্রম করতে পারবে না।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یُرۡسَلُ عَلَیۡکُمَا شُوَاظٌ مِّنۡ نَّارٍ ۬ۙ وَّنُحَاسٌ فَلَا تَنۡتَصِرٰنِ ۚ
তোমাদের উপর ছেড়ে দেওয়া হবে আগুনের শিখা এবং তাম্রবর্ণের ধোঁয়া। তখন তোমরা পারবে না আত্মরক্ষা করতে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فَاِذَا انۡشَقَّتِ السَّمَآءُ فَکَانَتۡ وَرۡدَۃً کَالدِّہَانِ ۚ
(সেই সময় অবশ্যম্ভাবী) যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং তা লাল চামড়ার মত লাল-গোলাপী হয়ে যাবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فَیَوۡمَئِذٍ لَّا یُسۡـَٔلُ عَنۡ ذَنۡۢبِہٖۤ اِنۡسٌ وَّلَا جَآنٌّ ۚ
সেই দিন না কোন মানুষকে তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে, না কোন জিন্নকে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یُعۡرَفُ الۡمُجۡرِمُوۡنَ بِسِیۡمٰہُمۡ فَیُؤۡخَذُ بِالنَّوَاصِیۡ وَالۡاَقۡدَامِ ۚ
অপরাধীদেরকে তাদের আলামত দ্বারা চেনা যাবে। তারপর তাদেরকে পাকড়াও করা হবে তাদের পা ও মাথার অগ্রভাগের চুল ধরে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
ہٰذِہٖ جَہَنَّمُ الَّتِیۡ یُکَذِّبُ بِہَا الۡمُجۡرِمُوۡنَ ۘ
এই সেই জাহান্নাম, অপরাধীরা যা অবিশ্বাস করত।
یَطُوۡفُوۡنَ بَیۡنَہَا وَبَیۡنَ حَمِیۡمٍ اٰنٍ ۚ
তারা এর আগুন ও ফুটন্ত পানির মধ্যে ছোটাছুটি করবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ٪
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
وَلِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّہٖ جَنَّتٰنِ ۚ
(দুনিয়ায়) যে ব্যক্তি নিজ প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ভয় রাখত, তার জন্য থাকবে দু’টি উদ্যান।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۙ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
ذَوَاتَاۤ اَفۡنَانٍ ۚ
উভয় উদ্যান শাখা-প্রশাখায় পরিপূর্ণ।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیۡہِمَا عَیۡنٰنِ تَجۡرِیٰنِ ۚ
উভয় উদ্যানে দু’টি প্রস্রবণ প্রবাহিত থাকবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیۡہِمَا مِنۡ کُلِّ فَاکِہَۃٍ زَوۡجٰنِ ۚ
তাতে প্রত্যেক ফল থাকবে দু’ দু’প্রকার।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مُتَّکِـِٕیۡنَ عَلٰی فُرُشٍۭ بَطَآئِنُہَا مِنۡ اِسۡتَبۡرَقٍ ؕ وَجَنَا الۡجَنَّتَیۡنِ دَانٍ ۚ
তারা (অর্থাৎ জান্নাতবাসীগণ) সেখানে এমন বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে, যাতে থাকবে পুরু রেশমের আস্তর এবং উভয় উদ্যানের ফল তাদের কাছে ঝোঁকা থাকবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیۡہِنَّ قٰصِرٰتُ الطَّرۡفِ ۙ لَمۡ یَطۡمِثۡہُنَّ اِنۡسٌ قَبۡلَہُمۡ وَلَا جَآنٌّ ۚ
সেই উদ্যানসমূহের মধ্যে থাকবে এমন আনত নয়না (নারী) যাদেরকে জান্নাতবাসীদের আগে না কোন মানুষ স্পর্শ করেছে, না কোন জিন্ন।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
کَاَنَّہُنَّ الۡیَاقُوۡتُ وَالۡمَرۡجَانُ ۚ
তারা যেন পদ্মরাগ ও প্রবাল।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
ہَلۡ جَزَآءُ الۡاِحۡسَانِ اِلَّا الۡاِحۡسَانُ ۚ
উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে?
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
وَمِنۡ دُوۡنِہِمَا جَنَّتٰنِ ۚ
এবং সেই উদ্যান দু’টি অপেক্ষা কিছুটা নিম্নস্তরের আরও দু’টি উদ্যান থাকবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۙ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مُدۡہَآمَّتٰنِ ۚ
উদ্যান দু’টি (অত্যধিক সবুজ হওয়ার কারণে) কৃষ্ণাভ দেখা যাবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیۡہِمَا عَیۡنٰنِ نَضَّاخَتٰنِ ۚ
উভয় উদ্যানে থাকবে দু’টি উচ্ছলিত প্রস্রবণ।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیۡہِمَا فَاکِہَۃٌ وَّنَخۡلٌ وَّرُمَّانٌ ۚ
তাতে থাকবে ফলমূল, খেজুর ও আনার।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیۡہِنَّ خَیۡرٰتٌ حِسَانٌ ۚ
তাতে থাকবে সচ্চরিত্রা, সুন্দরী নারী।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
حُوۡرٌ مَّقۡصُوۡرٰتٌ فِی الۡخِیَامِ ۚ
এমন হুর, যাদেরকে তাঁবুতে হেফাজতে রাখা হয়েছে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
لَمۡ یَطۡمِثۡہُنَّ اِنۡسٌ قَبۡلَہُمۡ وَلَا جَآنٌّ ۚ
তাদেরকে তাদের (অর্থাৎ জান্নাতবাসীদের) পূর্বে না কোন মানুষ স্পর্শ করেছে, না কোন জিন।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ ۚ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مُتَّکِـِٕیۡنَ عَلٰی رَفۡرَفٍ خُضۡرٍ وَّعَبۡقَرِیٍّ حِسَانٍ ۚ
তারা (অর্থাৎ জান্নাতবাসীগণ) সবুজ রফরফ ও অদ্ভুত সুন্দর গালিচায় হেলান দিয়ে বসা থাকবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّکُمَا تُکَذِّبٰنِ
সুতরাং তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
تَبٰرَکَ اسۡمُ رَبِّکَ ذِی الۡجَلٰلِ وَالۡاِکۡرَامِ ٪
বড় মহিয়ান তোমার প্রতিপালকের নাম, যিনি গৌরবময়, মহানুভব!