المجادلة

المجادلة

আল-মুজাদালা

আয়াত ২২ · মাদানী · পারা ২৮

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

قَدۡ سَمِعَ اللّٰہُ قَوۡلَ الَّتِیۡ تُجَادِلُکَ فِیۡ زَوۡجِہَا وَتَشۡتَکِیۡۤ اِلَی اللّٰہِ ٭ۖ وَاللّٰہُ یَسۡمَعُ تَحَاوُرَکُمَا ؕ اِنَّ اللّٰہَ سَمِیۡعٌۢ بَصِیۡرٌ

(হে নবী!) আল্লাহ সেই নারীর কথা শুনেছেন, যে তার স্বামীর ব্যাপারে তোমার সাথে বাদানুবাদ করছে এবং আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছে। আল্লাহ তোমাদের কথোপকথন শুনছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু শোনেন, সবকিছু দেখেন।

اَلَّذِیۡنَ یُظٰہِرُوۡنَ مِنۡکُمۡ مِّنۡ نِّسَآئِہِمۡ مَّا ہُنَّ اُمَّہٰتِہِمۡ ؕ اِنۡ اُمَّہٰتُہُمۡ اِلَّا الّٰٓیِٴۡ وَلَدۡنَہُمۡ ؕ وَاِنَّہُمۡ لَیَقُوۡلُوۡنَ مُنۡکَرًا مِّنَ الۡقَوۡلِ وَزُوۡرًا ؕ وَاِنَّ اللّٰہَ لَعَفُوٌّ غَفُوۡرٌ

তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে জিহার করে, (তাদের এ কাজ দ্বারা) তাদের সে স্ত্রীগণ তাদের মা হয়ে যায় না। তাদের মা তো তারাই যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। প্রকৃতপক্ষে তারা এমন কথা বলে, যা অতি মন্দ ও মিথ্যা। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি মার্জনাকারী, অতি ক্ষমাশীল।

وَالَّذِیۡنَ یُظٰہِرُوۡنَ مِنۡ نِّسَآئِہِمۡ ثُمَّ یَعُوۡدُوۡنَ لِمَا قَالُوۡا فَتَحۡرِیۡرُ رَقَبَۃٍ مِّنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّتَمَآسَّا ؕ ذٰلِکُمۡ تُوۡعَظُوۡنَ بِہٖ ؕ وَاللّٰہُ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ خَبِیۡرٌ

যারা তাদের স্ত্রীদের সাথে জিহার করে, তারপর তারা তাদের সে কথা প্রত্যাহার করে নেয়, তাদের কর্তব্য একটি গোলাম আযাদ করা তারা (স্বামী-স্ত্রী) একে অন্যকে স্পর্শ করার আগে। এই উপদেশ তোমাদেরকে দেওয়া হচ্ছে। তোমরা যা-কিছু কর আল্লাহ সে সম্পর্কে পরিপূর্ণ অবগত।

فَمَنۡ لَّمۡ یَجِدۡ فَصِیَامُ شَہۡرَیۡنِ مُتَتَابِعَیۡنِ مِنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّتَمَآسَّا ۚ فَمَنۡ لَّمۡ یَسۡتَطِعۡ فَاِطۡعَامُ سِتِّیۡنَ مِسۡکِیۡنًا ؕ ذٰلِکَ لِتُؤۡمِنُوۡا بِاللّٰہِ وَرَسُوۡلِہٖ ؕ وَتِلۡکَ حُدُوۡدُ اللّٰہِ ؕ وَلِلۡکٰفِرِیۡنَ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ

যে ব্যক্তি এ সামর্থ্য রাখে না, তাকে একটানা দু’মাস রোযা রাখতে হবে তারা ( স্বামী-স্ত্রী) একে অন্যকে স্পর্শ করার আগে। যে ব্যক্তি সে ক্ষমতাও রাখে না তার কর্তব্য ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়ানো। এটা এজন্য, যাতে তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন। এটা আল্লাহর স্থিরীকৃত সীমা (বিধান)। আর কাফেরদের জন্য আছে যন্ত্রণাময় শাস্তি।

اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحَآدُّوۡنَ اللّٰہَ وَرَسُوۡلَہٗ کُبِتُوۡا کَمَا کُبِتَ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِہِمۡ وَقَدۡ اَنۡزَلۡنَاۤ اٰیٰتٍۭ بَیِّنٰتٍ ؕ  وَلِلۡکٰفِرِیۡنَ عَذَابٌ مُّہِیۡنٌ ۚ

নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে, তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত হবে, যেমন লাঞ্ছিত হয়েছিল তাদের পূর্ববর্তীগণ। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। কাফেরদের জন্য আছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি।

یَوۡمَ یَبۡعَثُہُمُ اللّٰہُ جَمِیۡعًا فَیُنَبِّئُہُمۡ بِمَا عَمِلُوۡا ؕ  اَحۡصٰہُ اللّٰہُ وَنَسُوۡہُ ؕ  وَاللّٰہُ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ شَہِیۡدٌ ٪

সেই দিন, যে দিন আল্লাহ তাদের সকলকে পুনর্জীবিত করবেন, তারপর তারা যা-কিছু করত সে সম্বন্ধে তাদেরকে অবহিত করবেন। আল্লাহ তা গুণে গুণে সংরক্ষণ করেছেন। আর তারা তা ভুলে গেছে। আল্লাহ সবকিছুর সাক্ষী।

اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰہَ یَعۡلَمُ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ مَا یَکُوۡنُ مِنۡ نَّجۡوٰی ثَلٰثَۃٍ اِلَّا ہُوَ رَابِعُہُمۡ وَلَا خَمۡسَۃٍ اِلَّا ہُوَ سَادِسُہُمۡ وَلَاۤ اَدۡنٰی مِنۡ ذٰلِکَ وَلَاۤ اَکۡثَرَ اِلَّا ہُوَ مَعَہُمۡ اَیۡنَ مَا کَانُوۡا ۚ ثُمَّ یُنَبِّئُہُمۡ بِمَا عَمِلُوۡا یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ بِکُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمٌ

তুমি কি দেখনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে তা আল্লাহ জানেন? কখনও তিনজনের মধ্যে এমন কোন গোপন কথা হয় না, যাতে চতুর্থ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত না থাকেন এবং কখনও পাঁচ জনের মধ্যে এমন কোনও গোপন কথা হয় না, যাতে ষষ্ঠজন হিসেবে তিনি উপস্থিত না থাকেন। এমনিভাবে তারা এর কম হোক বা বেশি, তারা যেখানেই থাকুক, আল্লাহ তাদের সঙ্গে থাকেন। অতঃপর কিয়ামতের দিন তিনি তাদেরকে অবহিত করবেন তারা যা-কিছু করত। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।

اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ نُہُوۡا عَنِ النَّجۡوٰی ثُمَّ یَعُوۡدُوۡنَ لِمَا نُہُوۡا عَنۡہُ وَیَتَنٰجَوۡنَ بِالۡاِثۡمِ وَالۡعُدۡوَانِ وَمَعۡصِیَتِ الرَّسُوۡلِ ۫ وَاِذَا جَآءُوۡکَ حَیَّوۡکَ بِمَا لَمۡ یُحَیِّکَ بِہِ اللّٰہُ ۙ وَیَقُوۡلُوۡنَ فِیۡۤ اَنۡفُسِہِمۡ لَوۡلَا یُعَذِّبُنَا اللّٰہُ بِمَا نَقُوۡلُ ؕ حَسۡبُہُمۡ جَہَنَّمُ ۚ یَصۡلَوۡنَہَا ۚ فَبِئۡسَ الۡمَصِیۡرُ

তুমি কি দেখনি তাদেরকে, যাদেরকে কানে কানে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছিল, তারপরও তারা তাদেরকে যা করতে নিষেধ করা হয়েছিল তাই করে? তারা পরস্পরে এমন বিষয়ে কানাকানি করে, যা গুনাহ, সীমালংঘন ও রাসূলের অবাধ্যতা এবং (হে রাসূল!) তারা তোমার কাছে যখন আসে, তখন তারা তোমাকে এমন কথা দ্বারা অভিবাদন জানায়, যা দ্বারা আল্লাহ তোমাকে অভিবাদন জানাননি এবং তারা মনে মনে বলে, আমরা যা বলছি সেজন্য আল্লাহ আমাদেরকে শাস্তি দিচ্ছেন না কেন? জাহান্নামই তাদের (শাস্তি দানের) জন্য যথেষ্ট। তারা তাতেই গিয়ে পৌঁছবে এবং তা অতি নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থল।

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا تَنَاجَیۡتُمۡ فَلَا تَتَنَاجَوۡا بِالۡاِثۡمِ وَالۡعُدۡوَانِ وَمَعۡصِیَتِ الرَّسُوۡلِ وَتَنَاجَوۡا بِالۡبِرِّ وَالتَّقۡوٰی ؕ وَاتَّقُوا اللّٰہَ الَّذِیۡۤ اِلَیۡہِ تُحۡشَرُوۡنَ

হে মুমিনগণ! তোমরা পরস্পরে যখন কানে কানে কথা বল, তখন এমন বিষয়ে কানাকানি করবে না, যাতে গুনাহ, সীমালংঘন ও রাসূলের অবাধ্যতা হয়। বরং কানাকানি করবে সৎকর্ম ও তাকওয়া সম্বন্ধে এবং আল্লাহকে ভয় কর, যার কাছে তোমাদেরকে একত্র করে নিয়ে যাওয়া হবে।

اِنَّمَا النَّجۡوٰی مِنَ الشَّیۡطٰنِ لِیَحۡزُنَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَلَیۡسَ بِضَآرِّہِمۡ شَیۡئًا اِلَّا بِاِذۡنِ اللّٰہِ ؕ وَعَلَی اللّٰہِ فَلۡیَتَوَکَّلِ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ

এরূপ কানাকানি হয় শয়তানের প্ররোচনায়, যাতে সে মুমিনদেরকে দুঃখ দিতে পারে। কিন্তু সে আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত তাদের বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারে না। মুমিনদের উচিত কেবল আল্লাহরই উপর ভরসা করা।

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا قِیۡلَ لَکُمۡ تَفَسَّحُوۡا فِی الۡمَجٰلِسِ فَافۡسَحُوۡا یَفۡسَحِ اللّٰہُ لَکُمۡ ۚ وَاِذَا قِیۡلَ انۡشُزُوۡا فَانۡشُزُوۡا یَرۡفَعِ اللّٰہُ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا مِنۡکُمۡ ۙ وَالَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡعِلۡمَ دَرَجٰتٍ ؕ وَاللّٰہُ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ خَبِیۡرٌ

হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে যখন বলা হয়, মজলিসে অন্যদের জন্য স্থান সংকুলান করে দাও, তখন স্থান সংকুলান করে দিও। আল্লাহ তোমাদের জন্য স্থান সংকুলান করে দেবেন এবং যখন বলা হয়, উঠে যাও, তখন উঠে যেও। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে ও যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদেরকে মর্যাদায় উন্নত করবেন। তোমরা যা-কিছু কর আল্লাহ সে সম্বন্ধে পরিপূর্ণ অবগত।

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا نَاجَیۡتُمُ الرَّسُوۡلَ فَقَدِّمُوۡا بَیۡنَ یَدَیۡ نَجۡوٰىکُمۡ صَدَقَۃً ؕ ذٰلِکَ خَیۡرٌ لَّکُمۡ وَاَطۡہَرُ ؕ فَاِنۡ لَّمۡ تَجِدُوۡا فَاِنَّ اللّٰہَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ

হে মুমিনগণ! তোমরা যখন নবীর সঙ্গে নিভৃতে কোন কথা বলতে চাবে, তখন নিভৃতে কথা বলার আগে কিছু সদকা দিয়ে দেবে। এটা তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট ও পবিত্রতম পন্থা। তবে তোমাদের কাছে (সদকা করার মত) কিছু না থাকলে তো আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

ءَاَشۡفَقۡتُمۡ اَنۡ تُقَدِّمُوۡا بَیۡنَ یَدَیۡ نَجۡوٰىکُمۡ صَدَقٰتٍ ؕ  فَاِذۡ لَمۡ تَفۡعَلُوۡا وَتَابَ اللّٰہُ عَلَیۡکُمۡ فَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَاٰتُوا الزَّکٰوۃَ وَاَطِیۡعُوا اللّٰہَ وَرَسُوۡلَہٗ ؕ  وَاللّٰہُ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ ٪

তোমরা নিভৃতে কথা বলার আগে সদকা করতে কি ভয় পাচ্ছ? তোমরা যখন তা করতে পারনি এবং আল্লাহ তাআলাও তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, তখন নামায কায়েম করতে থাক, যাকাত দিতে থাক এবং আল্লাহ ও তার রাসূলের আনুগত্য করে যাও। তোমরা যা-কিছু কর আল্লাহ সে সম্বন্ধে পরিপূর্ণ অবগত।

اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ تَوَلَّوۡا قَوۡمًا غَضِبَ اللّٰہُ عَلَیۡہِمۡ ؕ مَا ہُمۡ مِّنۡکُمۡ وَلَا مِنۡہُمۡ ۙ وَیَحۡلِفُوۡنَ عَلَی الۡکَذِبِ وَہُمۡ یَعۡلَمُوۡنَ

তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা আল্লাহ যে সম্প্রদায়ের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন তাদেরকে বন্ধু বানিয়ে নিয়েছে? তারা তাদের দলেরও নয় এবং তোমাদের দলেরও নয়। তারা জেনে শুনে মিথ্যা বিষয়ের উপর কসম করে।

اَعَدَّ اللّٰہُ لَہُمۡ عَذَابًا شَدِیۡدًا ؕ اِنَّہُمۡ سَآءَ مَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ

আল্লাহ তাদের জন্য কঠোর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। বস্তুত তারা যে কাজ করত তা অতি মন্দ।

اِتَّخَذُوۡۤا اَیۡمَانَہُمۡ جُنَّۃً فَصَدُّوۡا عَنۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ فَلَہُمۡ عَذَابٌ مُّہِیۡنٌ

তারা তাদের কসমসমূহকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, অতঃপর তারা অন্যদেরকে আল্লাহর পথ থেকে নিবৃত্ত করে। সুতরাং তাদের জন্য লাঞ্ছনাকর শাস্তি।

لَنۡ تُغۡنِیَ عَنۡہُمۡ اَمۡوَالُہُمۡ وَلَاۤ اَوۡلَادُہُمۡ مِّنَ اللّٰہِ شَیۡئًا ؕ اُولٰٓئِکَ اَصۡحٰبُ النَّارِ ؕ ہُمۡ فِیۡہَا خٰلِدُوۡنَ

আল্লাহর মোকাবেলায় তাদের অর্থ-সম্পদ ও তাদের সন্তান-সন্ততি তাদের কোন কাজে আসবে না। তারা হবে জাহান্নামবাসী। তারা সর্বদাই তাতে থাকবে।

یَوۡمَ یَبۡعَثُہُمُ اللّٰہُ جَمِیۡعًا فَیَحۡلِفُوۡنَ لَہٗ کَمَا یَحۡلِفُوۡنَ لَکُمۡ وَیَحۡسَبُوۡنَ اَنَّہُمۡ عَلٰی شَیۡءٍ ؕ اَلَاۤ اِنَّہُمۡ ہُمُ الۡکٰذِبُوۡنَ

যে দিন আল্লাহ তাদেরকে পুনর্জীবিত করবেন, সে দিন তাঁর সামনেও তারা এভাবে কসম করবে, যেমন তোমাদের সামনে কসম করে। তারা মনে করবে কোন (উপকারী) জিনিস পেয়ে গেছে। মনে রেখ, তারা সম্পূর্ণ মিথ্যাবাদী।

اِسۡتَحۡوَذَ عَلَیۡہِمُ الشَّیۡطٰنُ فَاَنۡسٰہُمۡ ذِکۡرَ اللّٰہِ ؕ اُولٰٓئِکَ حِزۡبُ الشَّیۡطٰنِ ؕ اَلَاۤ اِنَّ حِزۡبَ الشَّیۡطٰنِ ہُمُ الۡخٰسِرُوۡنَ

শয়তান তাদের উপর পুরোপুরি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছে। ফলে সে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল করে রেখেছে। তারা শয়তানের দল। মনে রেখ, শয়তানের দলই অকৃতকার্য হয়।

اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحَآدُّوۡنَ اللّٰہَ وَرَسُوۡلَہٗۤ اُولٰٓئِکَ فِی الۡاَذَلِّیۡنَ

নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা হীনতম লোকদের অন্তর্ভুক্ত।

کَتَبَ اللّٰہُ لَاَغۡلِبَنَّ اَنَا وَرُسُلِیۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ قَوِیٌّ عَزِیۡزٌ

আল্লাহ লিখে দিয়েছেন, আমি ও আমার রাসূলগণ অবশ্যই জয়যুক্ত হব। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি শক্তিমান, সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।

لَا تَجِدُ قَوۡمًا یُّؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰہِ وَالۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ یُوَآدُّوۡنَ مَنۡ حَآدَّ اللّٰہَ وَرَسُوۡلَہٗ وَلَوۡ کَانُوۡۤا اٰبَآءَہُمۡ اَوۡ اَبۡنَآءَہُمۡ اَوۡ اِخۡوَانَہُمۡ اَوۡ عَشِیۡرَتَہُمۡ ؕ  اُولٰٓئِکَ کَتَبَ فِیۡ قُلُوۡبِہِمُ الۡاِیۡمَانَ وَاَیَّدَہُمۡ بِرُوۡحٍ مِّنۡہُ ؕ  وَیُدۡخِلُہُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَا ؕ  رَضِیَ اللّٰہُ عَنۡہُمۡ وَرَضُوۡا عَنۡہُ ؕ  اُولٰٓئِکَ حِزۡبُ اللّٰہِ ؕ  اَلَاۤ اِنَّ حِزۡبَ اللّٰہِ ہُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ ٪

যে সব লোক আল্লাহ ও আখেরাত দিবসে ঈমান রাখে, তাদেরকে তুমি এমন পাবে না যে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখছে। হোক না তারা তাদের পিতা বা তাদের পুত্র বা তাদের ভাই কিংবা তাদের স্বগোত্রীয়। তারাই এমন, আল্লাহ যাদের অন্তরে ঈমানকে খোদাই করে দিয়েছেন এবং নিজ রূহ দ্বারা তাদের সাহায্য করেছেন। তিনি তাদেরকে প্রবেশ করাবেন এমন জান্নাতে, যার তলদেশে নহর প্রবাহিত থাকবে। তাতে তারা সর্বদা থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গেছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে গেছে। তারা আল্লাহর দল। স্মরণ রেখ, আল্লাহর দলই কৃতকার্য হয়।