রুকু থেকে উঠার পর পড়া
رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ
হযরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, হুযূর ﷺ ইরশাদ করেন, ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে তার অনুসরণের জন্য। অতএব যখন তিনি তাকবীর দেন তখন তোমরা তাকবীর দাও, যখন তিনি রুকু করেন তখন তোমরা রুকু করো। আর যখন তিনি ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলেন তখন তোমরা ‘রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদ’ বলো।
সহীহ বুখারী (৭৩৪), হযরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে সহীহ বুখারীর (৭৮৯) নং হাদীসের শব্দ হচ্ছে, ‘রাব্বানা লাকাল হামদ।’ একই সাহাবী থেকে সহীহ বুখারীর (৭৯৬) নং হাদীসের শব্দ হচ্ছে, ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ।’ আর সহীহ বুখারীর (৭৯৫) নং হাদীসের শব্দ হচ্ছে, ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদ।’ হাফেজ ইবনে হাজার রহ. (সহীহ বুখারীর ৭৯৫ নং হাদীসের অধীনে) বলেন, ‘আল্লাহুম্মা’-সহ অগ্রগণ্য তবে ‘আল্লাহুম্মা’-সহ এবং ‘আল্লাহুম্মা’ ছাড়া উভয়টিই জায়েয। এরপর ইমাম নববী রহ. এর সূত্রে উদ্ধৃত করেন, ‘লাকাল হামদ’ এবং ‘ওয়ালাকাল হামদ’ দুটোই সমান।’ আর ইবনু দাকীকিল ঈদ রহ.-এর সূত্রে ‘ওয়ালাকাল হামদ’-এর কিছু অগ্রগণ্যতা উল্লেখ করেছেন। মোটকথা সব রকমেই পড়া বৈধ; তবে ‘আল্লাহুম্মা’ এবং ‘ওয়াও’-সহ পড়া বেশি উত্তম।