বুযুর্গদের আমল
ইমাম আহমদ রহ. এর এখানে দাওরায় হাদীসে শুধু এরকম ছাত্ররাই ভর্তির সুযোগ পেতো, যারা তাহাজ্জুদ গুযার। হযরত শাহ ইসহাক দেহলভী রহ.-এর এখানে মাওলানা মুযাফ্ফর হুসাইন কান্দলভী রহ. পড়তে এসেছিলেন। যখন রাতের খানা আসলো, তখন তিনি শুধু রুটি খেলেন এবং সালুন ফিরিয়ে দিলেন। শাহ সাহেব চিন্তিত মনে জানতে চাইলেন, ব্যাপার কি? তিনি বললেন, সঙ্গত কারণেই দিল্লীর সালুনে সন্দেহ জাগে। কেননা, এখানে সালুনের মধ্যে আমের টক দেয়া হয়, আর আম বড় হওয়ার আগেই বিক্রি করা হয় যা বাই’-এ ফাসেদ। এতদশ্রবণে হযরত শাহ সাহেব খুশী হয়ে বললেন, ‘আল্হামদুলিল্লাহ‘ আমাদের এখানে ফেরেশতা পড়তে এসেছে। ছাত্র হলে এ রকমই হতে হয়।’
এ-তো শুনলেন বুযুর্গদের আমলের কথা। আর আজ এসব বুযুর্গের এরকম অনেক ভক্ত আছে, যারা রাত-দিন একে অপরের গীবত, শেকায়েতে লিপ্ত হয়ে নিজেদের আমল বরবাদ করছে। আল্লামা আবদুল ওয়াহাব শা’রানী রহ. লিখেছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা আমাকে যতো নি‘আমত দিয়েছেন তার মধ্যে এটাও একটা যে, আমার পেছনে এ রকম এক দুশমন লেগে আছে, যে আমাকে মিথ্যা অপবাদ ও গীবতের দ্বারা কষ্ট দেয় এবং এর মাধ্যমে তাদের নেকী আমার আমলনামায় চলে। আর এভাবেই জোর পূর্বক চাপিয়ে দেয়ার মাধ্যমে আমারও এই সুন্নাতে আম্বিয়া (আঃ)ও হাসিল হয়ে গেছে।