৩৬৮. মূর্খ্য মুসলমানের মূর্খতা

মাওলানা আব্দুল মতিন বিন হুসাইন সাহেব (ঢালকানগর)October 6, 2024আত্মশুদ্ধি, গুনাহ শিরক কুফর ও বিদ‘আত

হযরত মাওলানা আব্দুল মতীন সাহেব বলেন, ঈমানওয়ালা হওয়া সত্বেও অনেক আবেগী মুসলমান ভাইয়েরা অন্য কারো চিন্তা-চেতনা, গবেষণা, লেখা বই-পুস্তক, বক্তব্য ও বক্তৃতা এবং লিটারেচার দেখার দ্বারা, পড়ার দ্বারা ভুল পথে চালিত হন এবং সহীহ দ্বীন থেকে অনেক দূরে সরে যান। আর নিজের ধারণায় ভাবতে থাকেন যে, আমি একদমই সঠিক দ্বীনের মধ্যে আছি যেটা আলেম-উলামারাও বুঝতে পারেন নাই। এমনকি যেটা মোজাদ্দিদে আলফেসানীও বোঝেন নি, শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবীও বোঝেন নি। যেটা ইমাম গাযযালীও বোঝেন নি, যেটা নিজামুদ্দিন আউলিয়াও বোঝেন নি। যেটা শাইখুল ইসলাম হযরত মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানী বোঝেন নি এবং হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভীও বোঝেননি। হযরত মাওলানা জাকারিয়া বোঝেন নি। বুঝেছি! আমরা কিছু সংখ্যক ইসলামিক পণ্ডিতরা, চিন্তাবিদরা ও গবেষকরা।

হযরত মাওলানা আব্দুল মতীন সাহেব বলেন, আমার প্রিয় বন্ধুরা! এই ধরনের আবেগী মুসলমানদের ব্যাপরে যেটা চিন্তার বিষয় সেটা হলো, তাদের এই দ্বীনি যিন্দেগী, মেহনত এবং অভিযান নিয়ে কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারবে কি না? এ বিষয়টা তাদেরও চিন্তা করা দরকার .... ....।