বুযুর্গানে দ্বীন ও উলামায়ে কিরামকে সম্মান দান ও তাদের খিদমতে হাযির হওয়া

শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক সাহেব রহ.January 29, 2024বান্দার হক, আত্মশুদ্ধি

স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর বিশেষ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। কিন্তু তাই বলে কি মাতা-পিতা, ভাই-বোন এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটে? অনুরূপ শাইখের সংগেও মুরীদের বিশেষ সম্পর্ক থাকে; কিন্তু তাই বলে কি অন্যান্য বুযুর্গানে দ্বীন ও উলামায়ে কিরামকে সম্মান দান ও তাদের খিদমতে হাযির হওয়া এবং দু‘আ চাওয়া বা তাদের মেহমানদারী করার অধিকার রহিত হয়ে যায়? এ রকম পিতার ভাই চাচা যদিও পিতার মত নন; কিন্তু তাই বলে কি পিতার হক ভাই-এর হক অর্থাৎ চাচার শ্রদ্ধা ও সম্মানের পরিসমাপ্তি ঘটে? অর্থাৎ স্বীয় মুর্শিদ ছাড়া অন্য কারো সঙ্গে ইসলাহী সম্পর্ক রাখা যাবে না ঠিকই; কিন্তু এ কারণে অন্যান্য বুযুর্গানে দ্বীনকে মুহাব্বত ও সম্মান না করা কোন দ্বীনদারীর কাজ নয়। এ রকম অনেক শক্ত-মূর্খ, বোকা ও হিংসুক আম পেয়েছি যে, যারা আমার ওয়াযে শরীক হওয়ার ব্যাপারে পরস্পর জিজ্ঞাসা করছিল যে, শরীক হবে কি হবে না। যদিও তারা একই সিলসিলার লোক ছিল। অনেকে এর ভুল অর্থ বুঝে। অর্থাৎ শাইখ ছাড়া অন্য কোন বুযুর্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ পর্যন্ত করে না। এটা বোকামী এবং আমাদের মুরব্বীদের আমলও নীতি-বিরুদ্ধ কাজ। আমাদের মুরব্বীগণ নিজের শাইখ ছাড়াও অন্যান্য বুযুর্গানে দ্বীনের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতেন। যেমন খাজা আযীযুল হাসান সাহেব মাজযূব রহ. থানা ভবন থেকে ফেরার পথে হযরত মাওলানা খলীল আহমদ সাহরানপুরী রহ. এর খিদমতে হাযির হতেন।