الروم
আর-রুম
Ayah ৬০ · Meccan · Para ২১
بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
الٓـمّٓ ۚ
আলিফ-লাম-মীম।
غُلِبَتِ الرُّوۡمُ ۙ
রোমকগণ পরাজিত হয়েছে,
فِیۡۤ اَدۡنَی الۡاَرۡضِ وَہُمۡ مِّنۡۢ بَعۡدِ غَلَبِہِمۡ سَیَغۡلِبُوۡنَ ۙ
কিন্তু নিকটবর্তী অঞ্চলে তারা তাদের পরাজয়ের পর বিজয় অর্জন করবে
فِیۡ بِضۡعِ سِنِیۡنَ ۬ؕ لِلّٰہِ الۡاَمۡرُ مِنۡ قَبۡلُ وَمِنۡۢ بَعۡدُ ؕ وَیَوۡمَئِذٍ یَّفۡرَحُ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ۙ
বছর কয়েকের মধ্যেই। সমস্ত ক্ষমতা আল্লাহরই, পূর্বেও এবং পরেও। সে দিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে
بِنَصۡرِ اللّٰہِ ؕ یَنۡصُرُ مَنۡ یَّشَآءُ ؕ وَہُوَ الۡعَزِیۡزُ الرَّحِیۡمُ ۙ
আল্লাহ প্রদত্ত বিজয়ের কারণে। তিনি যাকে ইচ্ছা বিজয় দান করেন। তিনিই ক্ষমতার মালিক, পরম দয়ালুও বটে।
وَعۡدَ اللّٰہِ ؕ لَا یُخۡلِفُ اللّٰہُ وَعۡدَہٗ وَلٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ
এটা আল্লাহর কৃত ওয়াদা। আল্লাহ নিজ ওয়াদার বিপরীত করেন না। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।
یَعۡلَمُوۡنَ ظَاہِرًا مِّنَ الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۚۖ وَہُمۡ عَنِ الۡاٰخِرَۃِ ہُمۡ غٰفِلُوۡنَ
তারা পার্থিব জীবনের প্রকাশ্য দিকটাই জানে আর আখেরাত সম্পর্কে তারা সম্পূর্ণ গাফেল।
اَوَلَمۡ یَتَفَکَّرُوۡا فِیۡۤ اَنۡفُسِہِمۡ ۟ مَا خَلَقَ اللّٰہُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَمَا بَیۡنَہُمَاۤ اِلَّا بِالۡحَقِّ وَاَجَلٍ مُّسَمًّی ؕ وَاِنَّ کَثِیۡرًا مِّنَ النَّاسِ بِلِقَآیِٔ رَبِّہِمۡ لَکٰفِرُوۡنَ
তবে কি তারা নিজেদের অন্তরে ভেবে দেখেনি? আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে এবং এতদুভয়ের মাঝে বিদ্যমান জিনিসকে যথাযথ উদ্দেশ্য ও নির্দিষ্ট মেয়াদ ব্যতিরেকে সৃষ্টি করেননি। কিন্তু মানুষের মধ্যে অনেকেই নিজ প্রতিপালকের সাথে মিলিত হওয়াকে অস্বীকার করে।
اَوَلَمۡ یَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَیَنۡظُرُوۡا کَیۡفَ کَانَ عَاقِبَۃُ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِہِمۡ ؕ کَانُوۡۤا اَشَدَّ مِنۡہُمۡ قُوَّۃً وَّاَثَارُوا الۡاَرۡضَ وَعَمَرُوۡہَاۤ اَکۡثَرَ مِمَّا عَمَرُوۡہَا وَجَآءَتۡہُمۡ رُسُلُہُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ ؕ فَمَا کَانَ اللّٰہُ لِیَظۡلِمَہُمۡ وَلٰکِنۡ کَانُوۡۤا اَنۡفُسَہُمۡ یَظۡلِمُوۡنَ ؕ
তারা কি ভূমিতে চলাফেরা করেনি, তাহলে দেখতে পেত তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের পরিণাম কী হয়েছে? তারা শক্তিতে ছিল তাদের চেয়ে প্রচণ্ডতর এবং তারা জমি চাষ করত এবং তা আবাদ করত তাদের আবাদ অপেক্ষা বেশি। তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিল। বস্তুত আল্লাহ এমন নন যে, তাদের প্রতি জুলুম করবেন; বরং তারা নিজেরাই নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।
ثُمَّ کَانَ عَاقِبَۃَ الَّذِیۡنَ اَسَآءُوا السُّوۡٓاٰۤی اَنۡ کَذَّبُوۡا بِاٰیٰتِ اللّٰہِ وَکَانُوۡا بِہَا یَسۡتَہۡزِءُوۡنَ ٪
অতঃপর যারা মন্দ কাজ করেছিল, তাদের পরিণামও মন্দই হয়েছে। কেননা তারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছিল এবং তারা তা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত।
اَللّٰہُ یَبۡدَؤُا الۡخَلۡقَ ثُمَّ یُعِیۡدُہٗ ثُمَّ اِلَیۡہِ تُرۡجَعُوۡنَ
আল্লাহই সৃষ্টির সূচনা করেন এবং তিনিই তাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন। তারপর তোমাদেরকে তাঁরই কাছে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
وَیَوۡمَ تَقُوۡمُ السَّاعَۃُ یُبۡلِسُ الۡمُجۡرِمُوۡنَ
যে দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সে দিন অপরাধীরা নিরাশ হয়ে যাবে।
وَلَمۡ یَکُنۡ لَّہُمۡ مِّنۡ شُرَکَآئِہِمۡ شُفَعٰٓؤُا وَکَانُوۡا بِشُرَکَآئِہِمۡ کٰفِرِیۡنَ
তারা যাদেরকে আল্লাহর শরীক মেনেছিল, তাদের মধ্যে কেউ তাদের সুপারিশকারী হবে না এবং তারা নিজেরাও তাদের শরীকদের অস্বীকারকারী হয়ে যাবে।
وَیَوۡمَ تَقُوۡمُ السَّاعَۃُ یَوۡمَئِذٍ یَّتَفَرَّقُوۡنَ
এবং যে দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে, সে দিন মানুষ বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যাবে।
فَاَمَّا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فَہُمۡ فِیۡ رَوۡضَۃٍ یُّحۡبَرُوۡنَ
সুতরাং যারা ঈমান এনেছিল ও সৎকর্ম করেছিল তাদেরকে জান্নাতে আনন্দ দান করা হবে, (যা তাদের চেহারা থেকে বিচ্ছুরিত হবে)।
وَاَمَّا الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا وَکَذَّبُوۡا بِاٰیٰتِنَا وَلِقَآیِٔ الۡاٰخِرَۃِ فَاُولٰٓئِکَ فِی الۡعَذَابِ مُحۡضَرُوۡنَ
আর যারা কুফর অবলম্বন করেছিল এবং আমার আয়াতসমূহ ও আখেরাতের সাক্ষাতকারকে অস্বীকার করেছিল তাদেরকে আযাবে ধৃত করা হবে।
فَسُبۡحٰنَ اللّٰہِ حِیۡنَ تُمۡسُوۡنَ وَحِیۡنَ تُصۡبِحُوۡنَ
সুতরাং আল্লাহর তাসবীহতে লিপ্ত থাক যখন তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হও এবং যখন তোমরা ভোরের সম্মুখীন হও।
وَلَہُ الۡحَمۡدُ فِی السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَعَشِیًّا وَّحِیۡنَ تُظۡہِرُوۡنَ
এবং তারই প্রশংসা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে এবং বিকাল বেলায় (তার তাসবীহতে লিপ্ত হও) এবং জুহরের সময়ও।
یُخۡرِجُ الۡحَیَّ مِنَ الۡمَیِّتِ وَیُخۡرِجُ الۡمَیِّتَ مِنَ الۡحَیِّ وَیُحۡیِ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِہَا ؕ وَکَذٰلِکَ تُخۡرَجُوۡنَ ٪
তিনি প্রাণহীন থেকে প্রাণবানকে বের করে আনেন এবং প্রাণবান থেকে প্রাণহীনকে বের করে আনেন। আর তিনি ভূমিকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন। এভাবেই তোমাদেরকে (কবর থেকে) বের করা হবে।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖۤ اَنۡ خَلَقَکُمۡ مِّنۡ تُرَابٍ ثُمَّ اِذَاۤ اَنۡتُمۡ بَشَرٌ تَنۡتَشِرُوۡنَ
তাঁর (কুদরতের) একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তোমরা দেখতে না দেখতে মানবরূপে (ভূমিতে) ছড়িয়ে পড়লে।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖۤ اَنۡ خَلَقَ لَکُمۡ مِّنۡ اَنۡفُسِکُمۡ اَزۡوَاجًا لِّتَسۡکُنُوۡۤا اِلَیۡہَا وَجَعَلَ بَیۡنَکُمۡ مَّوَدَّۃً وَّرَحۡمَۃً ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یَّتَفَکَّرُوۡنَ
তাঁর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই মধ্য হতে স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে গিয়ে শান্তি লাভ কর এবং তিনি তোমাদের পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয়ই এর ভেতর নিদর্শন আছে সেই সব লোকের জন্য, যারা চিন্তা-ভাবনা করে।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖ خَلۡقُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَاخۡتِلَافُ اَلۡسِنَتِکُمۡ وَاَلۡوَانِکُمۡ ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّلۡعٰلِمِیۡنَ
এবং তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে আছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃজন এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শন আছে জ্ঞানবানদের জন্য।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖ مَنَامُکُمۡ بِالَّیۡلِ وَالنَّہَارِ وَابۡتِغَآؤُکُمۡ مِّنۡ فَضۡلِہٖ ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یَّسۡمَعُوۡنَ
এবং তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে আছে রাত ও দিনে তোমাদের ঘুম এবং তোমাদের কর্তৃক তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান। নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শন আছে সেই সকল লোকের জন্য, যারা কথা শোনে।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖ یُرِیۡکُمُ الۡبَرۡقَ خَوۡفًا وَّطَمَعًا وَّیُنَزِّلُ مِنَ السَّمَآءِ مَآءً فَیُحۡیٖ بِہِ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِہَا ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یَّعۡقِلُوۡنَ
এবং তাঁর একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদেরকে দেখান বিজলী, ভয় ও আশা সঞ্চারকরূপে এবং আকাশ থেকে বারি বর্ষণ করেন, অনন্তর তা দ্বারা ভূমিকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শন আছে, সেই সব লোকের জন্য, যারা বুদ্ধিকে কাজে লাগায়।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖۤ اَنۡ تَقُوۡمَ السَّمَآءُ وَالۡاَرۡضُ بِاَمۡرِہٖ ؕ ثُمَّ اِذَا دَعَاکُمۡ دَعۡوَۃً ٭ۖ مِّنَ الۡاَرۡضِ ٭ۖ اِذَاۤ اَنۡتُمۡ تَخۡرُجُوۡنَ
তাঁর একটি নিদর্শন এই যে, আকাশ ও পৃথিবী তাঁরই হুকুমে প্রতিষ্ঠিত আছে। তারপর তিনি যখন মাটি থেকে (উঠে আসার জন্য) তোমাদেরকে একবার ডাক দিবেন সঙ্গে-সঙ্গে তোমরা বের হয়ে আসবে।
وَلَہٗ مَنۡ فِی السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ؕ کُلٌّ لَّہٗ قٰنِتُوۡنَ
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা-কিছু আছে সব তাঁরই মালিকানাধীন। সকলে তাঁরই আজ্ঞাবহ।
وَہُوَ الَّذِیۡ یَبۡدَؤُا الۡخَلۡقَ ثُمَّ یُعِیۡدُہٗ وَہُوَ اَہۡوَنُ عَلَیۡہِ ؕ وَلَہُ الۡمَثَلُ الۡاَعۡلٰی فِی السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ۚ وَہُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ٪
তিনিই সেই সত্তা, যিনি সৃষ্টির সূচনা করেন। তারপর তিনিই তাকে পুনর্জীবিত করবেন আর এটা তার জন্য সহজতর। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে তাঁরই মহিমা সর্বোচ্চ। তিনিই ক্ষমতার মালিক, প্রজ্ঞাময়।
ضَرَبَ لَکُمۡ مَّثَلًا مِّنۡ اَنۡفُسِکُمۡ ؕ ہَلۡ لَّکُمۡ مِّنۡ مَّا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُکُمۡ مِّنۡ شُرَکَآءَ فِیۡ مَا رَزَقۡنٰکُمۡ فَاَنۡتُمۡ فِیۡہِ سَوَآءٌ تَخَافُوۡنَہُمۡ کَخِیۡفَتِکُمۡ اَنۡفُسَکُمۡ ؕ کَذٰلِکَ نُفَصِّلُ الۡاٰیٰتِ لِقَوۡمٍ یَّعۡقِلُوۡنَ
তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্য হতেই একটি দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন। আমি তোমাদেরকে যে রিযক দিয়েছি, তোমাদের দাস- দাসীদের মধ্যে কেউ কি তাতে তোমাদের এমন অংশীদার আছে যে, তোমরা ও তারা তাতে সম-মর্যাদার এবং তোমরা তাদেরকে ঠিক সে রকমই ভয় কর, যেমন ভয় করে থাক তোমরা পরস্পরে একে অন্যকে? যারা বুদ্ধিকে কাজে লাগায়, তাদের জন্য আমি এভাবেই নিদর্শনাবলী সুস্পষ্টরূপে বিবৃত করি।
بَلِ اتَّبَعَ الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡۤا اَہۡوَآءَہُمۡ بِغَیۡرِ عِلۡمٍ ۚ فَمَنۡ یَّہۡدِیۡ مَنۡ اَضَلَّ اللّٰہُ ؕ وَمَا لَہُمۡ مِّنۡ نّٰصِرِیۡنَ
কিন্তু জালেমগণ অজ্ঞানতাবশত তাদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেছে। কাজেই আল্লাহ যাকে বিপথগামী করেছেন, কে তাকে হেদায়াত দিতে পারে? এরূপ লোকের কোন সাহায্যকারী থাকবে না।
فَاَقِمۡ وَجۡہَکَ لِلدِّیۡنِ حَنِیۡفًا ؕ فِطۡرَتَ اللّٰہِ الَّتِیۡ فَطَرَ النَّاسَ عَلَیۡہَا ؕ لَا تَبۡدِیۡلَ لِخَلۡقِ اللّٰہِ ؕ ذٰلِکَ الدِّیۡنُ الۡقَیِّمُ ٭ۙ وَلٰکِنَّ اَکۡثَرَ النَّاسِ لَا یَعۡلَمُوۡنَ ٭ۙ
সুতরাং তুমি নিজ চেহারাকে একনিষ্ঠভাবে এই দীনের অভিমুখী রাখ। আল্লাহর সেই ফিতরত অনুযায়ী চল, যে ফিতরতের উপর তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টিতে কোন পরিবর্তন সাধন সম্ভব নয়। এটাই সম্পূর্ণ সরল দীন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।
مُنِیۡبِیۡنَ اِلَیۡہِ وَاتَّقُوۡہُ وَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَلَا تَکُوۡنُوۡا مِنَ الۡمُشۡرِکِیۡنَ ۙ
(ফিতরতের অনুসরণ করবে) তাঁরই (অর্থাৎ আল্লাহরই) অভিমুখী হয়ে তাঁকে ভয় করবে, নামায কায়েম করবে এবং অন্তর্ভুক্ত হবে না মুশরিকদের
مِنَ الَّذِیۡنَ فَرَّقُوۡا دِیۡنَہُمۡ وَکَانُوۡا شِیَعًا ؕ کُلُّ حِزۡبٍۭ بِمَا لَدَیۡہِمۡ فَرِحُوۡنَ
যারা নিজেদের দীনকে খণ্ড-খণ্ড করে ফেলেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিটি দল আপন-আপন পন্থা নিয়ে উৎফুল্ল।
وَاِذَا مَسَّ النَّاسَ ضُرٌّ دَعَوۡا رَبَّہُمۡ مُّنِیۡبِیۡنَ اِلَیۡہِ ثُمَّ اِذَاۤ اَذَاقَہُمۡ مِّنۡہُ رَحۡمَۃً اِذَا فَرِیۡقٌ مِّنۡہُمۡ بِرَبِّہِمۡ یُشۡرِکُوۡنَ ۙ
মানুষকে যখন কোন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে, তখন তারা তাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হয়ে তাঁকেই ডাকে, তারপর তিনি যখন নিজের পক্ষ হতে তাদেরকে কোন রহমতের স্বাদ গ্রহণ করান, অমনি তাদের একদল নিজ প্রতিপালকের সাথে শিরক শুরু করে দেয়
لِیَکۡفُرُوۡا بِمَاۤ اٰتَیۡنٰہُمۡ ؕ فَتَمَتَّعُوۡا ٝ فَسَوۡفَ تَعۡلَمُوۡنَ
আমি তাদেরকে যা-কিছু দিয়েছি তার না-শোকরি করার জন্য। ঠিক আছে! কিছুটা মজা লুটে নাও, শীঘ্রই তোমরা সবকিছু জানতে পারবে।
اَمۡ اَنۡزَلۡنَا عَلَیۡہِمۡ سُلۡطٰنًا فَہُوَ یَتَکَلَّمُ بِمَا کَانُوۡا بِہٖ یُشۡرِکُوۡنَ
আমি কি তাদের উপর এমন কোন দলীল নাযিল করেছি, যা তারা আল্লাহর সঙ্গে যে শিরক করছে তাদেরকে তা করতে বলে?
وَاِذَاۤ اَذَقۡنَا النَّاسَ رَحۡمَۃً فَرِحُوۡا بِہَا ؕ وَاِنۡ تُصِبۡہُمۡ سَیِّئَۃٌۢ بِمَا قَدَّمَتۡ اَیۡدِیۡہِمۡ اِذَا ہُمۡ یَقۡنَطُوۡنَ
আমি মানুষকে যখন রহমতের স্বাদ গ্রহণ করাই তখন তারা তাতে উৎফুল্ল হয়। পক্ষান্তরে তাদেরই কৃতকর্মের কারণে যখন তাদের কোন অনিষ্ট সাধিত হয়, অমনি তারা হতাশ হয়ে পড়ে।
اَوَلَمۡ یَرَوۡا اَنَّ اللّٰہَ یَبۡسُطُ الرِّزۡقَ لِمَنۡ یَّشَآءُ وَیَقۡدِرُ ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یُّؤۡمِنُوۡنَ
তারা কি দেখেনি আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা রিযক প্রশস্ত করে দেন এবং (যার জন্য ইচ্ছা) সংকীর্ণ করে দেন? নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শন আছে সেই সব লোকের জন্য, যারা ঈমান আনে।
فَاٰتِ ذَا الۡقُرۡبٰی حَقَّہٗ وَالۡمِسۡکِیۡنَ وَابۡنَ السَّبِیۡلِ ؕ ذٰلِکَ خَیۡرٌ لِّلَّذِیۡنَ یُرِیۡدُوۡنَ وَجۡہَ اللّٰہِ ۫ وَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ
সুতরাং আত্মীয়কে তার হক দিয়ে দাও এবং অভাবগ্রস্তকে ও মুসাফিরকেও। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে তাদের জন্য এটা শ্রেয় এবং তারাই সফলকাম।
وَمَاۤ اٰتَیۡتُمۡ مِّنۡ رِّبًا لِّیَرۡبُوَا۠ فِیۡۤ اَمۡوَالِ النَّاسِ فَلَا یَرۡبُوۡا عِنۡدَ اللّٰہِ ۚ وَمَاۤ اٰتَیۡتُمۡ مِّنۡ زَکٰوۃٍ تُرِیۡدُوۡنَ وَجۡہَ اللّٰہِ فَاُولٰٓئِکَ ہُمُ الۡمُضۡعِفُوۡنَ
তোমরা যে সুদ দাও, যাতে তা মানুষের সম্পদে (যুক্ত হয়ে) বৃদ্ধি পায়, আল্লাহর কাছে তা বৃদ্ধি পায় না। পক্ষান্তরে আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধানের উদ্দেশ্যে তোমরা যে যাকাত দিয়ে থাক, তো যারা তা দেয় তারাই (নিজেদের সম্পদ) কয়েক গুণ বৃদ্ধি করে নেয়।
اَللّٰہُ الَّذِیۡ خَلَقَکُمۡ ثُمَّ رَزَقَکُمۡ ثُمَّ یُمِیۡتُکُمۡ ثُمَّ یُحۡیِیۡکُمۡ ؕ ہَلۡ مِنۡ شُرَکَآئِکُمۡ مَّنۡ یَّفۡعَلُ مِنۡ ذٰلِکُمۡ مِّنۡ شَیۡءٍ ؕ سُبۡحٰنَہٗ وَتَعٰلٰی عَمَّا یُشۡرِکُوۡنَ ٪
আল্লাহ সেই সত্তা, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তিনি তোমাদেরকে রিযক দিয়েছেন, তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটান, তারপর তিনি তোমাদেরকে জীবিত করবেন। তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরীক সাব্যস্ত করেছ, তাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে, যে এর কোনওটি করতে পারে? তিনি পবিত্র ও সেই শিরক থেকে সমুচ্চ, যাতে তারা লিপ্ত রয়েছে।
ظَہَرَ الۡفَسَادُ فِی الۡبَرِّ وَالۡبَحۡرِ بِمَا کَسَبَتۡ اَیۡدِی النَّاسِ لِیُذِیۡقَہُمۡ بَعۡضَ الَّذِیۡ عَمِلُوۡا لَعَلَّہُمۡ یَرۡجِعُوۡنَ
মানুষ নিজ হাতে যা কামায়, তার ফলে স্থলে ও জলে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে, আল্লাহ তাদেরকে তাদের কতক কৃতকর্মের স্বাদ গ্রহণ করাবেন বলে, হয়ত (এর ফলে) তারা ফিরে আসবে।
قُلۡ سِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَانۡظُرُوۡا کَیۡفَ کَانَ عَاقِبَۃُ الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلُ ؕ کَانَ اَکۡثَرُہُمۡ مُّشۡرِکِیۡنَ
(হে রাসূল!) তাদেরকে বল, ভূমিতে বিচরণ করে দেখ পূর্বে যারা গত হয়েছে তাদের পরিণাম কী হয়েছে। তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।
فَاَقِمۡ وَجۡہَکَ لِلدِّیۡنِ الۡقَیِّمِ مِنۡ قَبۡلِ اَنۡ یَّاۡتِیَ یَوۡمٌ لَّا مَرَدَّ لَہٗ مِنَ اللّٰہِ یَوۡمَئِذٍ یَّصَّدَّعُوۡنَ
সুতরাং তুমি নিজ চেহারা বিশুদ্ধ দীনের দিকে কায়েম রাখ, সেই দিন আসার আগে, আল্লাহর পক্ষ থেকে যা টলবার কোন সম্ভাবনাই নেই। সে দিন মানুষ বিভক্ত হয়ে পড়বে।
مَنۡ کَفَرَ فَعَلَیۡہِ کُفۡرُہٗ ۚ وَمَنۡ عَمِلَ صَالِحًا فَلِاَنۡفُسِہِمۡ یَمۡہَدُوۡنَ ۙ
যে ব্যক্তি কুফর করেছে, তার কুফরের শাস্তি তাকেই ভোগ করতে হবে। আর যারা সৎকর্ম করেছে, তারা নিজেদের জন্য পথ তৈরি করছে।
لِیَجۡزِیَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ مِنۡ فَضۡلِہٖ ؕ اِنَّہٗ لَا یُحِبُّ الۡکٰفِرِیۡنَ
ফলে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পুরস্কৃত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদেরকে ভালবাসেন না।
وَمِنۡ اٰیٰتِہٖۤ اَنۡ یُّرۡسِلَ الرِّیَاحَ مُبَشِّرٰتٍ وَّلِیُذِیۡقَکُمۡ مِّنۡ رَّحۡمَتِہٖ وَلِتَجۡرِیَ الۡفُلۡکُ بِاَمۡرِہٖ وَلِتَبۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِہٖ وَلَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ
এবং তাঁর (কুদরতের) একটি নিদর্শন এই যে, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন (বৃষ্টির) সুসংবাদবাহীরূপে, তোমাদেরকে তাঁর রহমত আস্বাদন করানোর জন্য এবং যাতে নৌযান তাঁর নির্দেশে (পানিতে) চলাচল করে, যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান কর এবং তার শোকর আদায় কর।
وَلَقَدۡ اَرۡسَلۡنَا مِنۡ قَبۡلِکَ رُسُلًا اِلٰی قَوۡمِہِمۡ فَجَآءُوۡہُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ فَانۡتَقَمۡنَا مِنَ الَّذِیۡنَ اَجۡرَمُوۡا ؕ وَکَانَ حَقًّا عَلَیۡنَا نَصۡرُ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ
(হে রাসূল!) আমি তোমার আগেও বহু রাসূল পাঠিয়েছি তাদের আপন-আপন সম্প্রদায়ের কাছে। তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণ নিয়ে এসেছিল। অতঃপর যারা অন্যায়-অপরাধে লিপ্ত হয়েছিল আমি তাদেরকে শাস্তি দিয়েছি। আর মুমিনদেরকে সাহায্য করার দায়িত্ব আমি নিজের উপর রেখেছি।
اَللّٰہُ الَّذِیۡ یُرۡسِلُ الرِّیٰحَ فَتُثِیۡرُ سَحَابًا فَیَبۡسُطُہٗ فِی السَّمَآءِ کَیۡفَ یَشَآءُ وَیَجۡعَلُہٗ کِسَفًا فَتَرَی الۡوَدۡقَ یَخۡرُجُ مِنۡ خِلٰلِہٖ ۚ فَاِذَاۤ اَصَابَ بِہٖ مَنۡ یَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِہٖۤ اِذَا ہُمۡ یَسۡتَبۡشِرُوۡنَ ۚ
আল্লাহই সেই সত্তা, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন। সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চালন করে। তারপর তিনি যেভাবে চান তা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে কয়েক স্তর বিশিষ্ট (ঘনঘটা) বানিয়ে দেন। ফলে তোমরা দেখতে পাও তার ভেতর থেকে বৃষ্টি নির্গত হয়। যখন তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাদের নিকট ইচ্ছা হয় সে বৃষ্টি পৌঁছিয়ে দেন, তখন সহসাই তারা হয়ে ওঠে আনন্দোৎফুল্ল।
وَاِنۡ کَانُوۡا مِنۡ قَبۡلِ اَنۡ یُّنَزَّلَ عَلَیۡہِمۡ مِّنۡ قَبۡلِہٖ لَمُبۡلِسِیۡنَ
অথচ তার আগে যতক্ষণ তাদের উপর বৃষ্টিপাত করা হয়নি, ততক্ষণ তারা ছিল হতাশাগ্রস্ত।
فَانۡظُرۡ اِلٰۤی اٰثٰرِ رَحۡمَتِ اللّٰہِ کَیۡفَ یُحۡیِ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ مَوۡتِہَا ؕ اِنَّ ذٰلِکَ لَمُحۡیِ الۡمَوۡتٰی ۚ وَہُوَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ
আল্লাহর রহমতের ফল লক্ষ্য কর, তিনি কিভাবে ভূমিকে তার মৃত্যুর পর জীবন দান করেন। বস্তুত তিনি মৃতদের জীবনদাতা এবং তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
وَلَئِنۡ اَرۡسَلۡنَا رِیۡحًا فَرَاَوۡہُ مُصۡفَرًّا لَّظَلُّوۡا مِنۡۢ بَعۡدِہٖ یَکۡفُرُوۡنَ
আমি যদি (ক্ষতিকর) বায়ু প্রবাহিত করি, ফলে তারা তাদের শস্যক্ষেত্রকে পীতবর্ণ দেখতে পায়, এরপর তারা অকৃতজ্ঞতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।
فَاِنَّکَ لَا تُسۡمِعُ الۡمَوۡتٰی وَلَا تُسۡمِعُ الصُّمَّ الدُّعَآءَ اِذَا وَلَّوۡا مُدۡبِرِیۡنَ
(হে রাসূল!) তুমি তো মৃতদেরকে কোন কথা শোনাতে পারবে না এবং বধিরকেও পারবে না ডাক শোনাতে, যখন তারা পিছন ফিরে চলে যায়।
وَمَاۤ اَنۡتَ بِہٰدِ الۡعُمۡیِ عَنۡ ضَلٰلَتِہِمۡ ؕ اِنۡ تُسۡمِعُ اِلَّا مَنۡ یُّؤۡمِنُ بِاٰیٰتِنَا فَہُمۡ مُّسۡلِمُوۡنَ ٪
এবং তুমি অন্ধদেরকে পথভ্রষ্টতা থেকে মুক্ত করে সঠিক পথে আনতে পারবে না। তুমি তো কেবল তাদেরকেই নিজের কথা শোনাতে পারবে, যারা আমার আয়াতসমূহে ঈমান আনে অতঃপর হয়ে যায় আজ্ঞানুবর্তী।
اَللّٰہُ الَّذِیۡ خَلَقَکُمۡ مِّنۡ ضُؔعۡفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنۡۢ بَعۡدِ ضُؔعۡفٍ قُوَّۃً ثُمَّ جَعَلَ مِنۡۢ بَعۡدِ قُوَّۃٍ ضُؔعۡفًا وَّشَیۡبَۃً ؕ یَخۡلُقُ مَا یَشَآءُ ۚ وَہُوَ الۡعَلِیۡمُ الۡقَدِیۡرُ
আল্লাহ সেই সত্তা, যিনি তোমাদের সৃষ্টি (শুরু) করেছেন দুর্বল অবস্থা থেকে, দুর্বলতার পর তিনি দান করেন শক্তি, ফের শক্তির পর দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন এবং তিনিই সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।
وَیَوۡمَ تَقُوۡمُ السَّاعَۃُ یُقۡسِمُ الۡمُجۡرِمُوۡنَ ۬ۙ مَا لَبِثُوۡا غَیۡرَ سَاعَۃٍ ؕ کَذٰلِکَ کَانُوۡا یُؤۡفَکُوۡنَ
যে দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে সে দিন অপরাধীরা কসম করে বলবে যে, তারা (বরযখে) মুহূর্ত কালের বেশি অবস্থান করেনি। এভাবেই তারা (দুনিয়ায়ও) উল্টো মুখে চলত।
وَقَالَ الَّذِیۡنَ اُوۡتُوا الۡعِلۡمَ وَالۡاِیۡمَانَ لَقَدۡ لَبِثۡتُمۡ فِیۡ کِتٰبِ اللّٰہِ اِلٰی یَوۡمِ الۡبَعۡثِ ۫ فَہٰذَا یَوۡمُ الۡبَعۡثِ وَلٰکِنَّکُمۡ کُنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ
আর যাদেরকে ইলম ও ঈমান দেওয়া হয়েছিল তারা বলবে, তোমরা তো আল্লাহর লেখা (তাকদীর) অনুসারে পুনরুত্থান দিন পর্যন্ত (বরযখে) অবস্থান করেছ। এটাই সেই পুনরুত্থান-দিবস। কিন্তু তোমরা তো বিশ্বাস করতে না।
فَیَوۡمَئِذٍ لَّا یَنۡفَعُ الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡا مَعۡذِرَتُہُمۡ وَلَا ہُمۡ یُسۡتَعۡتَبُوۡنَ
যারা জুলুমের পথ অবলম্বন করেছিল, সে দিন তাদের ওজর-আপত্তি তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে আল্লাহর অসন্তুষ্টি দূর করতেও বলা হবে না।
وَلَقَدۡ ضَرَبۡنَا لِلنَّاسِ فِیۡ ہٰذَا الۡقُرۡاٰنِ مِنۡ کُلِّ مَثَلٍ ؕ وَلَئِنۡ جِئۡتَہُمۡ بِاٰیَۃٍ لَّیَقُوۡلَنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡۤا اِنۡ اَنۡتُمۡ اِلَّا مُبۡطِلُوۡنَ
বস্তুত এ কুরআনে আমি মানুষ (-কে বোঝানো)-এর জন্য সব রকম বিষয় বিবৃত করেছি এবং (হে রাসূল!) তুমি যদি তাদের কাছে কোনও নিদর্শন নিয়েও আস, কাফেরগণ তথাপি বলবে, তোমরা ভ্রান্ত পথেই আছ।
کَذٰلِکَ یَطۡبَعُ اللّٰہُ عَلٰی قُلُوۡبِ الَّذِیۡنَ لَا یَعۡلَمُوۡنَ
যারা জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে লাগায় না, আল্লাহ এভাবেই তাদের অন্তরে মোহর করে দেন।
فَاصۡبِرۡ اِنَّ وَعۡدَ اللّٰہِ حَقٌّ وَّلَا یَسۡتَخِفَّنَّکَ الَّذِیۡنَ لَا یُوۡقِنُوۡنَ ٪
সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি সবর অবলম্বন কর। নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। যারা ইয়াকীন করে না, তারা যেন কিছুতেই তোমাকে দিয়ে শিথিলতা প্রদর্শন করাতে না পারে।