القيامة

القيامة

আল-কিয়ামা

Ayah ৪০ · Meccan · Para ২৯

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

لَاۤ اُقۡسِمُ بِیَوۡمِ الۡقِیٰمَۃِ ۙ

আমি শপথ করছি কিয়ামত দিবসের

وَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالنَّفۡسِ اللَّوَّامَۃِ ؕ

এবং শপথ করছি তিরস্কারকারী নফসের

اَیَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَلَّنۡ نَّجۡمَعَ عِظَامَہٗ ؕ

মানুষ কি মনে করে আমি তার অস্থিসমূহ একত্র করতে পারব না?

بَلٰی قٰدِرِیۡنَ عَلٰۤی اَنۡ نُّسَوِّیَ بَنَانَہٗ

কেন নয়? আমি তো তার আঙ্গুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।

بَلۡ یُرِیۡدُ الۡاِنۡسَانُ لِیَفۡجُرَ اَمَامَہٗ ۚ

বস্তুত মানুষ তার আগামী জীবনেও গুনাহে রত থাকতে চায়।

یَسۡـَٔلُ اَیَّانَ یَوۡمُ الۡقِیٰمَۃِ ؕ

সে জিজ্ঞেস করে, কিয়ামত দিবস কবে আসবে?

فَاِذَا بَرِقَ الۡبَصَرُ ۙ

যখন চোখ ঝলসে যাবে

وَخَسَفَ الۡقَمَرُ ۙ

এবং চাঁদ নিষ্প্রভ হয়ে যাবে

وَجُمِعَ الشَّمۡسُ وَالۡقَمَرُ ۙ

এবং চাঁদ ও সূর্যকে একত্র করা হবে

یَقُوۡلُ الۡاِنۡسَانُ یَوۡمَئِذٍ اَیۡنَ الۡمَفَرُّ ۚ

সেদিন মানুষ বলবে, পালিয়ে যাওয়ার জায়গা কোথায়?

کَلَّا لَا وَزَرَ ؕ

না, না। কোন আশ্রয়স্থল নেই।

اِلٰی رَبِّکَ یَوۡمَئِذِۣ الۡمُسۡتَقَرُّ ؕ

সে দিন তো প্রত্যেককে তোমার প্রতিপালকের কাছে গিয়েই অবস্থান নিতে হবে।

یُنَبَّؤُا الۡاِنۡسَانُ یَوۡمَئِذٍۭ بِمَا قَدَّمَ وَاَخَّرَ ؕ

সে দিন সকল মানুষকে জানিয়ে দেওয়া হবে সে কী আগে পাঠিয়েছে আর কী পেছনে রেখে গিয়েছে।

بَلِ الۡاِنۡسَانُ عَلٰی نَفۡسِہٖ بَصِیۡرَۃٌ ۙ

বরং মানুষ নিজেই নিজের সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।

وَّلَوۡ اَلۡقٰی مَعَاذِیۡرَہٗ ؕ

যদিও সে নানা অজুহাত পেশ করে!

لَا تُحَرِّکۡ بِہٖ لِسَانَکَ لِتَعۡجَلَ بِہٖ ؕ

(হে রাসূল!) তুমি এ কুরআনকে তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য এর সাথে তোমার জিহ্বা নাড়িও না।

اِنَّ عَلَیۡنَا جَمۡعَہٗ وَقُرۡاٰنَہٗ ۚۖ

নিশ্চয়ই একে (তোমার অন্তরে) জমানো ও (মুখ দিয়ে) পাঠ করানোর দায়িত্ব আমারই।

فَاِذَا قَرَاۡنٰہُ فَاتَّبِعۡ قُرۡاٰنَہٗ ۚ

সুতরাং আমি যখন এটা (জিবরাঈলের মাধ্যমে) পাঠ করি, তখন তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর

ثُمَّ اِنَّ عَلَیۡنَا بَیَانَہٗ ؕ

তারপর তার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্বও আমারই।

کَلَّا بَلۡ تُحِبُّوۡنَ الۡعَاجِلَۃَ ۙ

সাবধান (হে কাফেরগণ!) প্রকৃতপক্ষে তোমরা নগদ প্রাপ্তব্য বস্তু (অর্থাৎ পার্থিব জীবন)-কেই ভালোবাস।

وَتَذَرُوۡنَ الۡاٰخِرَۃَ ؕ

এবং আখেরাতকে উপেক্ষা করছ।

وُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍ نَّاضِرَۃٌ ۙ

সে দিন অনেক চেহারা উজ্জ্বল হবে।

اِلٰی رَبِّہَا نَاظِرَۃٌ ۚ

যারা তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে

وَوُجُوۡہٌ یَّوۡمَئِذٍۭ بَاسِرَۃٌ ۙ

এবং সেদিন অনেক চেহারা হয়ে পড়বে বিবর্ণ

تَظُنُّ اَنۡ یُّفۡعَلَ بِہَا فَاقِرَۃٌ ؕ

তারা উপলব্ধি করবে যে, তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হবে যা তাদের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেবে।

کَلَّاۤ اِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِیَ ۙ

সাবধান প্রাণ যখন কণ্ঠাগত হবে

وَقِیۡلَ مَنۡ ٜ  رَاقٍ ۙ

এবং (শুশ্রষাকারীদেরকে) বলা হবে, আছে কোন ঝাঁড়-ফুঁককারী?

وَّظَنَّ اَنَّہُ الۡفِرَاقُ ۙ

এবং মানুষ বুঝে ফেলবে যে, এটাই বিদায়ক্ষণ

وَالۡتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِ ۙ

এবং পায়ের গোছার সাথে গোছা জড়িয়ে যাবে

اِلٰی رَبِّکَ یَوۡمَئِذِۣ الۡمَسَاقُ ؕ٪

সে দিন সকলের যাত্রা হবে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট।

فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰی ۙ

তা সত্ত্বেও মানুষ বিশ্বাস করেনি ও নামায পড়েনি।

وَلٰکِنۡ کَذَّبَ وَتَوَلّٰی ۙ

বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছে ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে

ثُمَّ ذَہَبَ اِلٰۤی اَہۡلِہٖ یَتَمَطّٰی ؕ

অতঃপর সে দম্ভভরে তার পরিবারবর্গের কাছে চলে গেছে।

اَوۡلٰی لَکَ فَاَوۡلٰی ۙ

ধ্বংস তোর জন্য, হ্যাঁ ধ্বংস!

ثُمَّ اَوۡلٰی لَکَ فَاَوۡلٰی ؕ

ফের শুনে রাখ, ধ্বংস তোর জন্য, হ্যাঁ, ধ্বংস!

اَیَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَنۡ یُّتۡرَکَ سُدًی ؕ

মানুষ কি মনে করে তাকে এমনিই ছেড়ে দেওয়া হবে?

اَلَمۡ یَکُ نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی ۙ

সে কি ছিল না এক বিন্দু বীর্য, যা (মাতৃগর্ভে) স্খলিত করা হয়?

ثُمَّ کَانَ عَلَقَۃً فَخَلَقَ فَسَوّٰی ۙ

তারপর সে মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়েছে, তারপর আল্লাহ তাকে মানব রূপ দান করেছেন ও তাকে সুঠাম করেছেন।

فَجَعَلَ مِنۡہُ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَالۡاُنۡثٰی ؕ

তাছাড়া তা দ্বারাই তিনি নর-নারীর যুগল সৃষ্টি করেছেন।

اَلَیۡسَ ذٰلِکَ بِقٰدِرٍ عَلٰۤی اَنۡ یُّحۡیِۦَ الۡمَوۡتٰی ٪

তবুও কি তিনি মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?