التكوير

التكوير

আত-তাকওয়ীর

Ayah ২৯ · Meccan · Para ৩০

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ

اِذَا الشَّمۡسُ کُوِّرَتۡ ۪ۙ

যখন সূর্যকে ভাঁজ করা হবে

وَاِذَا النُّجُوۡمُ انۡکَدَرَتۡ ۪ۙ

এবং যখন নক্ষত্ররাজি খসে-খসে পড়বে

وَاِذَا الۡجِبَالُ سُیِّرَتۡ ۪ۙ

এবং যখন পর্বতসমূহকে সঞ্চালিত করা হবে

وَاِذَا الۡعِشَارُ عُطِّلَتۡ ۪ۙ

এবং যখন দশ মাসের গর্ভবতী উটনীকেও পরিত্যক্ত রূপে ছেড়ে দেওয়া হবে

وَاِذَا الۡوُحُوۡشُ حُشِرَتۡ ۪ۙ

এবং যখন বন্য পশুসমূহ একত্র করা হবে

وَاِذَا الۡبِحَارُ سُجِّرَتۡ ۪ۙ

এবং যখন সাগরগুলিকে উত্তাল করে তোলা হবে,

وَاِذَا النُّفُوۡسُ زُوِّجَتۡ ۪ۙ

এবং যখন মানুষকে জোড়া-জোড়া বানিয়ে দেওয়া হবে।

وَاِذَا الۡمَوۡءٗدَۃُ سُئِلَتۡ ۪ۙ

এবং যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে, জিজ্ঞেস করা হবে

بِاَیِّ ذَنۡۢبٍ قُتِلَتۡ ۚ

তাকে কী অপরাধে হত্যা করা হয়েছিল?

وَاِذَا الصُّحُفُ نُشِرَتۡ ۪ۙ

এবং যখন আমলনামা খুলে দেওয়া হবে

وَاِذَا السَّمَآءُ کُشِطَتۡ ۪ۙ

এবং যখন আকাশের ছাল খসানো হবে

وَاِذَا الۡجَحِیۡمُ سُعِّرَتۡ ۪ۙ

এবং যখন জাহান্নামকে প্রজ্বলিত করা হবে

وَاِذَا الۡجَنَّۃُ اُزۡلِفَتۡ ۪ۙ

এবং যখন জান্নাতকে নিকটবর্তী করা হবে,

عَلِمَتۡ نَفۡسٌ مَّاۤ اَحۡضَرَتۡ ؕ

তখন প্রত্যেক ব্যক্তি জানতে পারবে সে (ভালো-মন্দ) যা কিছু হাজির করেছে।

فَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالۡخُنَّسِ ۙ

আমি শপথ করছি সেই সব নক্ষত্রের, যা পিছন দিকে চলে

الۡجَوَارِ الۡکُنَّسِ ۙ

যা চলতে চলতে অদৃশ্য হয়ে যায়।

وَالَّیۡلِ اِذَا عَسۡعَسَ ۙ

এবং শপথ করছি রাতের, যখন তার অবসান হয়

وَالصُّبۡحِ اِذَا تَنَفَّسَ ۙ

এবং ভোরের, যখন তা শ্বাস গ্রহণ করে।

اِنَّہٗ لَقَوۡلُ رَسُوۡلٍ کَرِیۡمٍ ۙ

নিশ্চয়ই এটা (অর্থাৎ কুরআন) এক সম্মানিত ফেরেশতার আনীত বাণী

ذِیۡ قُوَّۃٍ عِنۡدَ ذِی الۡعَرۡشِ مَکِیۡنٍ ۙ

যে শক্তিশালী, আরশের অধিপতির কাছে মর্যাদাসম্পন্ন।

مُّطَاعٍ ثَمَّ اَمِیۡنٍ ؕ

যাকে সেখানে মান্য করা হয় এবং যে আমানতদার।

وَمَا صَاحِبُکُمۡ بِمَجۡنُوۡنٍ ۚ

(হে মক্কাবাসীগণ!) তোমাদের সঙ্গী (অর্থাৎ হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উন্মাদ নয়।

وَلَقَدۡ رَاٰہُ بِالۡاُفُقِ الۡمُبِیۡنِ ۚ

নিশ্চয়ই সে তাকে (অর্থাৎ জিবরাঈলকে) স্পষ্ট দিগন্তে দেখতে পেয়েছে।

وَمَا ہُوَ عَلَی الۡغَیۡبِ بِضَنِیۡنٍ ۚ

এবং সে অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে কৃপণ নয়।

وَمَا ہُوَ بِقَوۡلِ شَیۡطٰنٍ رَّجِیۡمٍ ۙ

এবং এটা (অর্থাৎ কুরআন) কোন বিতাড়িত শয়তানের (রচিত) বাণীও নয়।

فَاَیۡنَ تَذۡہَبُوۡنَ ؕ

তা সত্ত্বেও তোমরা কোন দিকে যাচ্ছ?

اِنۡ ہُوَ اِلَّا ذِکۡرٌ لِّلۡعٰلَمِیۡنَ ۙ

এটা তো জগদ্বাসীদের জন্য উপদেশ,

لِمَنۡ شَآءَ مِنۡکُمۡ اَنۡ یَّسۡتَقِیۡمَ ؕ

তোমাদের মধ্যে যে সরল পথে থাকতে চায় তার জন্য।

وَمَا تَشَآءُوۡنَ اِلَّاۤ اَنۡ یَّشَآءَ اللّٰہُ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ ٪

তোমরা ইচ্ছা করবে না, যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।