আযান ও ইক্বামতের উত্তর

আযানের শেষে পড়ার দু‘আ

প্রথমে দুরূদ শরীফ পড়ে এ দু‘আ পড়বে

اَللّٰهُمَّ رَبَّ هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ اٰتِ مُحَمَّدَانِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَانِ الَّذِيْ وَعَدْتَّهٗ. اِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيْعَادَ

অর্থ: হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ দাওয়াত ও প্রতিষ্ঠিত নামাযের অধিপতি। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উসীলা ও উচ্চমর্যাদা দান করো এবং তাঁকে মাকামে মাহমূদে (প্রশংসিত স্থানে) আসীন করো, যার ওয়াদা তুমি তাঁর সাথে করেছ। নিশ্চয় তুমি ওয়াদা ভঙ্গ করো না।

ফযীলত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আযানের পর উক্ত দু‘আ পড়বে তার জন্য আমার শাফা‘আত ওয়াজিব হয়ে যাবে। (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৬১৪, বায়হাকী- সুনানে কুবরা, হাদীস: ১৯৩০)

আযান ও ইক্বামতের উত্তর

আযান ও ইক্বামতের উত্তর দেওয়া সুন্নাত।

মুয়াজ্জিন সাহেব যা বলেন উত্তরের সময় হুবহু তাই বলতে হবে, শুধু حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ ও  حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ এর  উত্তরে لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ  বলতে হবে এবং ফজরের নামাজের আযানে اَلصَّلَاةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمِ এর উত্তরে صَدَقْتَ وَبَرَرْتَ  বলতে হবে।

ইক্বামতের সময়  قَدْقَامَتِالصَّلَاةُ এর উত্তরে اَقَامَهَااللهُوَاَدَامَهَا বলতে হবে।