দুরূদ পড়ার উত্তম অবস্থা

হযরতওয়ালা বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক ভুল জিনিসের প্রচলন আছে। যেমনঃ

  • প্রসিদ্ধ আছে, কুরআনের আয়াত ৬৬৬৬ টি, অথচ সহী হলো ৬২৩৬ টি।

  • কুরবানীর ঈদে যে হুজুর পশু জবেহ করেন তাকে গরুর মাথা দিয়ে দেন। লোকেরা বলে, মোল্লাকে কল্লা দাও অথচ এটা করার দ্বারা কুরবানীই সহী হবে না।

  • মুর্দাকে কবরে চিৎ করে শুয়ানো হয় অথচ সম্পূর্ণ ডান দিকে (কিবলামুখী করে) কাত করে শুয়ানো উচিৎ।

  • আযানের সময় ‘আল্লাহ’ উচ্চারণে এক আলিফ মদের যায়গায় ৪/৫ আলিফ তথা ৮/১০ আলিফ টানা হয়।

  • অনেক আশেকে রসূল নামধারী, দুরূদ শরীফ পড়ে দাঁড়িয়ে। প্রথমত: ভুল দুরূদ পড়ে তা আবার দাঁড়িয়ে পড়ে। অথচ দুরূদ শরীফ যে কোন অবস্থায় পড়া যায়। উযু করে, উযু ছাড়া, দাঁড়িয়ে, বসে ইত্যাদি যে কোন অবস্থায় পড়া যায়। তবে নামাযে যেহেতু বসে দুরূদ পড়ার কথা বলা হয়েছে তাই সর্বোত্তম হলো বসে দুরূদ শরীফ পড়া।

দুরূদ পড়ার উত্তম অবস্থা | ইসলামী যিন্দেগী