ঈমানদারের শাস্তি

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব৫ ডিসেম্বর, ২০২২আত্মশুদ্ধি

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, ঈমানদার নেকীর দ্বারা জান্নাতী হওয়া সত্ত্বেও গীবত করার কারণে আটকে যাবে। একজন তাবে‘ঈ গীবতের মজমা থেকে ১ম বার উঠে গেলেন। ২য় বার কোন একদিন উঠতে না পেরে শরীক হলেন। ২/১ টা বিষয়ে সাপোর্ট করলেন। মজমা শেষে রাতে বাড়িতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখলেন- একজন তাকে শুকরের গোশত জোর করে খাওয়াচ্ছে আর তাঁর বমী আসছে। স্বপ্ন ভেঙে গেলে ৩ দিন পর্যন্ত তিনি সেই দুর্গন্ধের কারণে হালাল খাবারও খেতে পারেননি। সব খাবারেই তাঁর কাছে শুকরের দুর্গন্ধ লাগতো। ঐ স্বপ্নের দ্বারা তাঁর গীবত থেকে বাঁচার তাওফীক হলো। তাই নেক আমল করা থেকে বেশী সাবধান থাকতে হবে গুনাহ করা থেকে।

ঈমানদারের শাস্তি | ইসলামী যিন্দেগী