ধূমপায়ীর ইমামতী

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪আযান ইক্বামাত ও ইমাম মু‘আযযিন

প্রশ্ন

আমাদের নিকটবর্তী এক মসজিদের ইমাম সাহেব এক মুষ্টির ভিতরে দাড়ী কাটেন, লাহনে জলী কিরাআত পড়েন এবং ধূমপান করেন। উক্ত ইমামের পিছে নামায পড়া জায়িয হবে কি?

উত্তর

এক মুষ্টির ভিতরে দাড়ী কাটা হারাম। যে ব্যক্তি এ হারাম কাজে লিপ্ত হবে শরী‘আতের অন্যান্য আহকাম পুরাপুরি পালন করা সত্ত্বেও সে ফাসিক বলে বিবেচিত হবে। আর ফাসিকের পিছে নামায পড়া মাকরূহে তাহরীমী । তদুপরি বিড়ি-সিগারেট পান করা মাকরূহ। বিড়ি-সিগারেট পান করার পর মুখ পরিষ্কার করা ব্যতীত মসজিদে যাওয়া নিষেধ। এর দ্বারা মানুষদের এবং ফেরেশতাদেরকে কষ্ট দেয়া হয়। তাছাড়া এটা স্বাস্থের জন্যও খুব ক্ষতিকর। আর নামাযের কিরাআতে লাহানে জলী পড়লে ক্ষেত্র বিশেষে নামায ফাসিদ হয়ে যায়। সুতরাং উল্লেখিত তিন প্রকার দোষে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ইমাম পদে নিয়োগ করা বা বহাল রাখা জায়িয নয়। তার পিছে নামায পড়া মাকরূহে তাহরীমী। এজন্য দ্রুত ঐ ব্যক্তিকে ইমামের পদ থেকে অপসারণ করে দীনদার, পরহেযগার, মুত্তাকী ও সহীহ আকীদা সম্পন্ন আলেমকে ইমাম পদে নিয়োগ করা কমিটির অপরিহার্য দায়িত্ব। নতুবা মুসল্লিদের নামাযের ক্ষতির জন্য মুতাওয়াল্লী বা কমিটি দায়ী হবে। [প্রমাণঃ ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ৫:১০৫-১১২ # ফাতাওয়ায়ে রাহীমিয়া ৪:৩৫০ # ফাতাওয়ায়ে শামী ১:৫৫০]

واما الفاسق فقد عللوا كراهة تقديمه بأنه لايهتم لأمر دينه, وبأن في تقديمه للامامة تعظيمه, وقد وجب عليهم اهانته شرعا...... في شرح المنية على ان كراهة تقديمه كراهة تحريم لما ذكرنا. [رد المحتار:1/560]

ধূমপায়ীর ইমামতী | ইসলামী যিন্দেগী