তাহিয়্যাতুল উযু ও দুখূলুল মসজিদের হুকুম
প্রশ্ন
নামায শিক্ষা গ্রন্থে অথবা হুজুরদের কাছ থেকে শোনা যায়- জুমু’আর দিনে মসজিদে ঢুকেই তাহিয়্যাতুল উযু দুই রাক’আত, দুখুলুল মসজিদ দুই রাক’আত নামায পড়তে হয়। এ দুই রাক’আত কি শুধু জুম’আর দিনেই পড়তে হয়, না কি অন্যান্য ওয়াক্তে নামায পড়ার জন্য মসজিদে ঢুকলে সে সময়ও পড়া যায়?
উত্তর
তাহিয়্যাতুল উযু দুই রাক’আত নামায প্রত্যেকবার উযু করার পর পড়া মুস্তাহাব। শুধু জুমু’আর নামাযের পূর্বেই পড়তে হয় এমন নয়। বরং নামাযের জন্য বা এমনিতে উযু করেও উক্ত দুই রাক’আত নামায পড়া ভাল এবং সাওয়াবের কাজ। তবে ফজরের ফরজের পূর্বে এবং বাদ ফজর হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং মাগরীবের পূর্বে এবং ও আসরের পরে তা পড়বে না। এমনি ভাবে প্রত্যেকবার মসজিদে প্রবেশের পর দু’রাক’আত তাহিয়্যাতুল মসজিদ (মসজিদে প্রবেশের নামায) পড়া মুস্তাহাব এবং সাওয়াবের কাজ। তবে এ নামাযও উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময়ে পড়বে না। বুঝা গেল এই দুই প্রকার নামায পড়া মুস্তাহাব। পড়তেই হবে, এমন জরুরী নয়। অনেক সময় খুতবার পূর্বে ৪ রাক’আত সুন্নাত পড়ার সময় দেয়া হয়। তখন এ নামায না পড়া ভাল। কারণ এ সময় উক্ত নামায পড়তে গেলে সুন্নাত ৪ রাক’আত খুতবার সময় পড়তে হয়। অথচ খুতবার সময় নামায, দু’আ ও কথাবার্তা বলা সবই নিষিদ্ধ। সুতরাং সময় কম থাকলে এ নামায না পড়ে শুধু জুমু’আর ৪ রাক’আত সুন্নাত (কাবলাল জুমু’আ) পড়ে নিবে। [প্রমাণঃ কিফায়াতুল মুফতী ৩:২৭৪]