পাত্রীর গুণাবলী কেমন হওয়া চাই

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব১৪ জানুয়ারি, ২০২৫বিবাহ তালাক

প্রশ্ন

বিভিন্ন ধর্মীয় বইয়ে বিবাহ সষ্পর্কে পাত্রীর গুণাবলী সম্বন্ধে বিভিন্ন গুনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে; যেমন, (১) মেয়েকে ধার্মিক হতে হবে (২) কুমারী হতে হবে (৩) সতী এবং সম্ভ্রান্ত পরিবারের হতে হবে ইত্যাদি। কিন্তু স্বামী, পরিত্যক্তা বা বিধবা নারীকে বিবাহ করা সষ্পর্কে ষ্পটভাবে তেমন লিখা নেই। স্বামী পরিত্যক্তা গরীব মেয়েকে বিবাহ করা কেমন হবে। স্বামী পরিত্যক্তা/বিধবা নারীকে বিবাহ সষ্পর্কিত বিষয়ে কুরআন/হাদীসের ব্যাখ্যা জানতে চাই। এ ক্ষেত্র মা-বাবা এবং নিকট আত্মীয়-স্বজন নারায হলে কি করা উচিত? পাত্র নিজে বিয়ে করতে পারবে কি না? তার বিস্তারিত জবাব চাই।

উত্তর

শরী‘আতে বিধবা মহিলাকে বিবাহ করা জায়িয, কোন প্রকার দোষণীয় নয়। কুরআন ও হাদীসে বিধবা মহিলা বিবাহ করা জায়িয হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ ও সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে অনেকে বিধবা মহিলাকে বিবাহ করেছেন। এধরনের মেয়েদের উপকারার্থে বিবাহ করা মহৎ কাজ। সুতরাং এক্ষেত্রে পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের নারায হওয়া উচিত নয়। আর বিধবা মহিলাকে বিবাহ করা দোষণীয় মনে করে নারায হলে শক্ত গুনাহ হবে।

আর বিবাহকারীর জন্য উচিৎ হবে হেকমতের মাধ্যমে মাতা-পিতাকে বুঝিয়ে রাযী করিয়ে তারপর বিবাহ করা। এতে যদি পিতা-মাতা অন্য কোন শরয়ী উযর ছাড়াই রাযী না হয় আর পাত্রও যদি বালেগ হয় তাহলে একা একা বিবাহ করলে করতে পারে।

[প্রমাণঃ সূরা নূর ৩২, #বুখারী শরীফ ২:৭৬০ #ফাতওয়া দারুল উলূম ৭:৪৮ #ইমদাদুল মুফতীন ১১৭]

পাত্রীর গুণাবলী কেমন হওয়া চাই | ইসলামী যিন্দেগী