কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার শর্তাবলী ও চামড়ার হুকুম

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব১০ অক্টোবর, ২০২৪কুরবানী ও আক্বিকা

প্রশ্ন

কুরবানী কার উপর ওয়াজিব, কতটুকু মাল থাকলে কুরবানী করতে হবে? কুরবানীর চামড়া নিজে ব্যবহার করেত পারবে কি-না?

উত্তর

কুরবানী স্বাধীন মুকিম মুসলমান যার নিকট কুরবানীর দিনে ৭ ১/২ তোলা স্বর্ণ বা ৫২ ১/২ তোলা রৌপ্য বা এর সমমূল্যের নগদ অর্থ অথবা ব্যবসার মাল কিংবা প্রয়োজন অতিরিক্ত সামানপত্র থাকে, তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। চাই তা পূর্ণ এক বৎসর স্থায়ী থাকুক, বা না থাকুক। এক কথায় যে পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হলে ঈদুল ফিতরের দিনে ফিতরা ওয়াজিব হয়, সেই পরিমাণ সম্পদ কুরবানীর দিনে (অর্থাৎ ১০/১১/১২ ই যিলহজ্জ) কারো নিকটে কিংবা দু’বৎসর বয়সের গরু বা মহিষের সাত ভাগের অন্ততঃ এক ভাগ অংশে শরীক হয়ে কুরবানী করা ওয়াজিব। তবে গরু-মহিষে একাধিক অংশ নিলে বা একাই একটা কুরবানী করলে, কোন ক্ষতি নেই বরং ভাল। আর কুরবানীর চামড়া পাকা করে নিজে ব্যবহার করা যায়, বা অন্যকে হাদিয়া দেয়া যায়। কিন্তু, বিক্রয় করলে তার মূল্য গরীব-মিসকীনদেরকে দান করা ওয়াজিব।

কোন খালিস দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের গরীব তালিবে ইলমকে দান করলে, দানের সাথে সাথে ঈলমে দ্বীনের সহায়তার সাওয়াব পাওয়া যাবে।

[হিদায়াঃ ১:২৩২]

কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার শর্তাবলী ও চামড়ার হুকুম | ইসলামী যিন্দেগী