রাবী ও মুদাল্লিস
প্রশ্ন
১) কোন রাবী যদি অজ্ঞাত পরিচয় বলে অভিযুক্ত হয় আবার তাকে যদি মুদাল্লিস হিসাবেও অভিযোগ করা হয় তবে এর বিধান কি? অর্থাৎ অজ্ঞাত ও মুদাল্লিস দুটোই কি একসাথে হওয়া সম্ভব ? আর যদি রাবীটি কারও কারও মতে অজ্ঞাত আর কারও কারও কাছে পরিচিত হয় তবে তাকে কি মুদাল্লিস রাবী হিসাবে চিহ্নিত করা যায়? গেলে তা কিভাবে ?
২) যে কোন মুদাল্লিস রাবীর মু;আনআন বর্ননাই কি দুর্বল? যেমন আন সুফিয়ান (সাওরী) ;আন আসিম ইবন কুলাইব আন কুলাইব ইবন হিশাম এখানে সুফিয়ান মুদাল্লিস এবং আন শব্দে আসিম থেকে বর্ননা করেছেন হাদ্দাসান/আখাবরানা বলেন নি। তবে কি হাদীসটি মুদাল্লাস ? যদি না হয় তবে তা কেন ও কিভাবে ?
উত্তর
১। অজ্ঞাত পরিচয় আবার মুদাল্লিস এ দু’টি একসাথে হওয়া সম্ভব নয়। কারণ, কোন রাবীকে মুদাল্লিস বলতে হলে তার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়া আবশ্যক। আর অজ্ঞাত রাবীতো ঐ ব্যক্তি যার ক্ষেত্রে কিছুই জানা যায় না। তার নাম, সিফাত, বা তিনি কার কাছ থেকে ইলম শিখেছেন। বা নাম জানা গেলো, কিন্তু তার ব্যাপারে পরিস্কার মন্তব্য জানা যায় না। তাহলেই উক্ত ব্যক্তিকে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী বলা হয়।
তাই একই রাবীকে মুদাল্লিস এবং অজ্ঞাত পরিচয় একসাথে বলার কোন সুযোগ নেই।
২। সকল মুদাল্লিস রাবীর আনআনা বর্ণনা প্রত্যাখ্যাত নয়। বরং যে মুদাল্লিস রাবী সিক্কা রাবী থেকেই তাদলীস করেন, এবং তাদলীস খুবই কম করে থাকেন এমন মুদাল্লিস সিক্বা রাবীর বর্ণনা গ্রহণযোগ্য।
সুফিয়ান সাওরী গ্রহণযোগ্য মুদাল্লিসদের অন্তর্ভূক্ত। এ কারণেই ইমাম বুখারী রহঃ পর্যন্ত তার কিতাবে সুফিয়ান সওরী থেকে মু’আনআন বর্ণনা বুখারীতে এনেছেন।
তাই সুয়িয়ান সাওরী রহঃ এর আনআনা সূত্রে বর্ণিত হাদীস দুর্বল নয়। বরং তা গ্রহণযোগ্য।
قال أبو داود: سمعت أحمد سئل عن الرجل يعرف بالتدليس يحتج فيما لم يقل (سمعت)؟ قال: “لا أدرى” فقلت: الأعمش متى تصاد له الألفاظ؟ قال “يضيق هذا، أى أنك تحتج به” (سؤالات أبى داود لأحمد-199)
وليسهذاخاصافىالأعمشنبليتعدىلكلحافظمكثركأبىإسحاقالسبيعىوالثورىوغيرهما