নও মুসলিমের কুফুরী অবস্থার অর্জিত সম্পদের শরয়ী হুকুম

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব১৩ আগস্ট, ২০২৫মিরাস বন্টন, সামাজিকতা আচার ব্যবহার ও রাজনীতি

প্রশ্ন

নওমুসলিম ব্যক্তি মুসলমান হওয়ার পর তার কাছে কাফির থাকা অবস্থায় হারাম উপায়ে যে মাল ছিল, সে মাল কি করতে হবে? এই মাল কি সে মুসলমান হওয়ার পর ব্যবহার করতে পারবে?

উত্তর

অমুসলিম থাকা অবস্থায় কোন মানুষের হক নষ্ট না করে উপার্জিত মাল-সম্পদ হালাল বা হারাম যে পন্থায়ই উপার্জন করে থাকুক, মুসলমান হওয়ার পর ঐ মাল-সম্পদ এই ব্যক্তির জন্য ব্যবহার করা এবং তার মালিকানায় রাখা জায়িয হবে। কেননা অমুসলিম থাকা অবস্থায় এই ব্যক্তি হালাল হারামের বিধান মেনে চলার জন্য বাধ্য ছিল না, তখন শুধু সে ঈমান গ্রহণের জন্য আদেশপ্রাপ্ত ছিল। তাই মুসলমান হওয়ার পর স্ত্রী যদি এক সাথে ইসলাম গ্রহণ করে, তাহলে তাদের বিবাহ ঠিক থাকে। অথচ তখন সে পদ্ধতিতে বিবাহ হয়েছিল, তা হয়ত শরী‘আত পরিপন্থী ছিল। কিন্তু ইসলাম তা-ই বহাল রাখে। (প্রমাণঃ হিদায়া ২:৩৪৪)

এক হাদীসে আছে, ইসলাম অতীতের সকল গুনাহ মিটিয়ে দেয়। [মিশকাত শরীফ ১:১৪]

উল্লেখ্য যে, উক্ত মাল-সম্পদ যদি কোন ব্যক্তির হক নষ্ট করে অর্জন করে থাকে, আর ঐ ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়, তাহলে তাকে মাল ফেরত দিতে হবে অথবা মালের মালিক থেকে মাফ করিয়ে নিতে হবে। কেননা, এটা বান্দার হক। আর তা বান্দা থেকেই মাফ করিয়ে নিতে হয়। [প্রমাণঃ মিরকাত ১:১০২, #আততালীকুস সাবীহ ১:৪১]