হজ্বের মাসআলা

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব৩০ আগস্ট, ২০২৫হাজ্জ

প্রশ্ন

হজ্জের মাসসমূহে অথবা যে দেশ থেকে হাজিরা যখন হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে সে সময় যদি কারো কাছে হজ্জ করার মত টাকা থাকে তাহলে তার ওপর হজ্জ ফরজ হবে। উপরোল্লেখিত ইবারত থেকে তাই প্রমাণিত হয়।এখন আমার জানার বিষয় হল, পূর্ববর্তী যুগে হজ নিবন্ধন এর বিষয়টি ছিল না। এখন আমাদের বাংলাদেশে নিবন্ধন ছাড়া হজ করা সম্ভব নয়, তাই আমরা কি বলতে পারি নিবন্ধনের সময় কারো কাছে হজ করার মত সামর্থ্য থাকলে তার ওপর হজ ফরজ হয়ে যাবে? নাকি বলব যখন হজের মাস আসবে অথবা হজের উদ্দেশ্যে হাজীরা রওয়ানা করবে তখনই হজ ফরজ হবে?

উত্তর

হজ্জের মাস হওয়া হজ্জ ফরজের জন্য জরুরী নয়। বরং ব্যক্তি যেখানে বসবাস করে, সেখান থেকে হজ্জে রওনা হয়ে হজ্জ করতে পারবে বলে সামর্থ হওয়া।

যেমন বাংলাদেশে নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত হজ্জের নিবন্ধন না করলে হজ্জ করতে সক্ষম নয়। তাই সেই নিবন্ধনের সময় যাদের হজ্জের পরিমাণ অর্থ সম্পদ থাকে, তার উপর হজ্জ ফরজ হবে এবং আদায় করাও ফরজ হবে। আর যাদের কাছে পরবর্তী সময়ে হজ্জ পরিমাণ অর্থ সম্পদ আসে, তাদের উপরও হজ্জ ফরজ হবে। কিন্তু যাওয়ার উপর বাধ্যবাধকতা থাকার কারণে তার উপর আদায় করাটা ফরজ নয়। তাকে মা’জুর ধরা হবে। তার উচিত আগামী বছরের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। এর মানে হলো, হজ্জের পরিমাণ অর্থ সম্পদ ব্যক্তির কাছে থাকলেই হজ্জ ফরজ হয়ে যায়, কিন্তু আদায় ফরজ হয় হজ্জের মাসে।

الوقت أى وجود القدرة فيه وهى أشهر ا لحج أو هو وقت خروج أهل بلده إن كانوا يخرجون قبلها (غنية الناسك-22، الفتاوى الهندية-1\217، البحر الرائق-2\539)

فالمحبوسوالخائفمنالسلطانكالمريضلايجبعليهماأداءالحجبأنفسهماولكنيجبعليهماالاحجاجأوالايصاءبهعندالموتعنهدها (غنيةالناسك-24،فتحالقدير،زكريا-2\417-418،هندية-1\218،اعلاءالسنن-10\8،البحرالرائق-2\311)