নামায সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনার নিরসন

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব৭ অক্টোবর, ২০২৪নামায

প্রশ্ন

কোন এক মাসিক পত্রিকায় লিখেছে “আলিমগণের মতে অজ্ঞাত পরিমাণ কাযা নামাযের জন্য আন্তরিক তাওবাই যথেষ্ট।” এটা কতটুকু নির্ভরযোগ্য?

উত্তর

ইসলামী আহকামের মধ্যে নামায একটি সর্বশ্রেষ্ট হুকুম। ইচ্ছা করে নামায তরক করা কবীরা গুণাহ। নামায তরক হলে তা নিয়ম মাফিক কাযা করা জরূরী। চাই ইচ্ছায় কাযা হোক বা অনিচ্ছায় হোক। কম কাযা হোক বা বেশী। সর্বাবস্থায় কাযা করতে হবে। আর শারীরিক শক্তি না থাকলে ফিদয়া দিতে হবে বা ওসীয়ত করে যেতে হবে। তাওবার দ্বারা কাযা নামায মাফ হবে না। যদিও সারা জীবনের নামায কাযা হোক না কেন। তবে কেউ যদি কাযা করা আরম্ভ করে আর এর মধ্যে তার মৃত্যু এসে পরে এবং ফিদয়া দিতে সক্ষম না হয়, তাহলে সে ব্যক্তি ইস্তিগফার করতে থাকবে। তাহলে আশা করা যায়, আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমা করে দিবেন। তবে শুধুমাত্র তাওবাই যথেষ্ট বলা যাবে না। [প্রমাণঃ হালবী কাবীর, ৫২৯ # ফাতাওয়া দারুল উলূম, ৪:৩৩২-৩৩৬ # ইমদাদুল ফাতাওয়া ১:৩৩৮ # কিফায়াতুল মুফতী, ৩:৩৩৮, তাহতাভী, ৩৬৩ # খাইরুল ফাতাওয়া, ২:৬০৭]

নামায সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনার নিরসন | ইসলামী যিন্দেগী