রোযার মাসআলা

আহলে হক মিডিয়া৯ অক্টোবর, ২০২৪রোযা ও ইতিকাফ

প্রশ্ন

৭ ই রমযান এর ঘটনা, সেহেরি খাওয়ার পূর্বে খাবারে বিড়াল মুখ দেয় । সেই কারণে নতুন করে আবার ভাত রান্না করতে হয়, এবং আযানের সময় থেকে খাওয়া শুরু করে আযান শেষ হওয়ার পরেও খাবার খেতে থাকে। এখন তার রোযা হবে কী?

উত্তর

বগুড়া জেলার ধুনটে ১৪৪৪ হিজরীর গত সাতই রমজানে সাহরীর শেষ  সময় ছিল ৪: ৩৬ মিনিট। সাধারণত তিন মিনিট সতর্কতা স্বরূপ রাখা হয়। সেই হিসেবে আপনার সর্বোচ্চ ৪:৩৯ পর্যন্ত খাওয়ার সুযোগ থাকে। তারপর আজানের সময় ধরা হয় সতর্কতা স্বরূপ আরো তিন পর, সেই হিসেবে সেইদিন আজানের সময় ছিল ৪:৪২ মিনিট। কোনভাবেই ৪:৫৫ মিনিট পর্যন্ত সাহরীর সময় থাকার সুযোগ নেই। সুতরাং যারা বলেছেন চারটা পঞ্চান্ন মিনিট পর্যন্ত সাহরীর সময় ছিল, তাদের কথাটা সম্পূর্ণই অজ্ঞতাবশত। তাই যদি চারটা উনচল্লিশের পরও খানা খাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে তার রোযা হয়নি। উক্ত রোযাটি রমজান শেষে কাযা করে নিতে হবে। আজান দেয়া বা না দেয়ার সাথে সাহরী খাওয়া ও না খাওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। সাহরীর সম্পর্ক হলো, সুবহে সাদিক শুরু হওয়ার সাথে।

وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ۖ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ ۚ [٢:١٨٧]

আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। [সূরা বাকারা-১৮৭]

ولوظهرأنهأكلوالفجرطالعيجبعليهالقضاءولاكفارة (الفتاوىالهندية-1\194،جديد-1\256)

রোযার মাসআলা | ইসলামী যিন্দেগী