ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করে দেয়া

আহলে হক মিডিয়া৮ আগস্ট, ২০২৫লেনদেন কামাই রোজগার

প্রশ্ন

আমি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার চুক্তিতে সাধারন মানুষের পাসপোর্ট করে দিয়ে থাকি। সেক্ষেত্রে আমাকে সরকারি নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করার পরও বিভিন্ন ঝামেলা থেকে বাচাঁর জন্য এবং কাজের দ্রুততার জন্য বিভিন্ন দায়িত্বশীল কে অতিরিক্ত টাকা (ঘুষ) দিতে হয়। এমতাবস্থায় আমার জন্য এ কাজকে পেশারূপে গ্রহন করা জায়েয হবে কি? এবং তার থেকে উপার্জিত টাকা আমার জন্য হালাল হবে কি? জানালে উপকৃত হবো। জাজাকাল্লাহ।

উত্তর

ঘুষ দেয়া ও নেয়া উভয়ই হারাম। তাই যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে ঘুষ প্রদান করা বিরত থাকতে।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي»

আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা.থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২৩১৩, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৫৮০, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১৩৩৬]

তবে একান্ত বাধ্য হয়ে নিজের উপর থেকে জুলুম ও পেরেশানী থেকে বাঁচতে ঘুষ দেয়ার অনুমতি আছে। তবে নেয়া কখনোই জায়েয নয়। তবে অহেতুক কেবল বেশি কাজ পাবার জন্য বা শরয়ী কোন উজর ছাড়া এমনিতে ঘুষ দেয়া হারাম হবে।

الرشوة ما يعطيه الشخص الحاكم وغيره ليحكم له او يحمله ما يريد (رد المحتار، كتاب القضاء، مطلب فى الكلام على الرشوة-8/34، اعلاء السنن، كتاب القضاء، تحقيق معنى الرشوة-15/61(

دفع المال للسلطان الجائر لدفع الظلم عن نفسه وماله ولاستخراج حق له ليس برشوة يعني في حق الدافع (رد المحتار، كتاب الحظر ولاباحة-9/607، فتح القدير، كتاب ادب القاضى-7/255، البحر الرائق، كتاب القضاء-6/262(

ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করে দেয়া | ইসলামী যিন্দেগী