জন্মনিয়ন্ত্রণ করে তাওবা করা

প্রশ্ন

কোন মহিলা জন্মনিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি ‘লাইগেশন’ করলো। এমতাবস্থায় উক্ত মহিলা কিভাবে তাওবা করলে ঐ পাপ থেকে নিষ্কৃতি পাবে?

উত্তর

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্বতি গ্রহণের লক্ষ্য নানা প্রকার হয়ে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিরোধ করা ও সুখী সংসার গড়া। যার কারণ হিসাবে বলা হয় যে, এটা গ্রহণ না করলে, মানুষের মৌলিক চাহিদা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান প্রভৃতির ভারসাম্য রক্ষা পাবে না। অথচ এ বিশ্বাসের দ্বারা আল্লাহ পাকের রাযযাকিয়াতের (রিযিকদাতা হওয়ার) আকীদা অস্বীকার করা হয় যা কুফর বা ঈমান বিধ্বংসী। সুতরাং, এরূপ বিশ্বাস নিয়ে কেউ যদি জন্ম নিয়ন্ত্রণের স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে তাহলে তার জন্য জরুরী হলো কৃতকর্মের জন্য আল্লাহ পাকের দরবারে কান্নাকাটিসহ খাঁটি ভাবে তাওবা করা। অবশ্য যদি স্ত্রীর শারীরিক অক্ষমতা বা নবাগত শিশুর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কোন আশংকার কারণে স্থায়ীভাবে লাইগেশন করে থাকে তাহলে তাতে ঈমান নষ্ট হবে না। তবে স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করে আল্লাহ প্রদত্ত একটি যোগ্যতাকে চিরতরে বন্ধ করে ফেলার জন্য গুনাহগার হবে এবং এর জন্য তাকে খাঁটি মনে তাওবা করতে হবে। [প্রমাণঃ শামী ৩:১৭৩ #ফাতাওয়া রাহীমিয়া, ২:২৩৪]