উযুর দু‘আ

উযুর শুরুতে পড়ার দু‘আ

  بِسْمِ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ

অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

ফযীলত: উযুর শুরুতে যে উক্ত দু‘আ পড়ে যতক্ষণ উযু থাকে ফেরেশতা তার আমলনামায় নেকী লিখতে থাকে। (মাজমাউয যাওয়ায়েদ, হাদীস: ১১১২)

উযুর মাঝে পড়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذَنْبِـيْ وَوَسِّعْ لِـيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ

অর্থ: হে আল্লাহ! আমার গুনাহ মাফ করে দাও। আমার ঘর প্রশস্ত করে দাও। আমার রিযিকে বরকত দান করো। (নাসায়ী- সুনানে কুবরা, হাদীস: ৯৮২৮)

উযুর শেষে পড়ার দু‘আ

اَشْهَدُ اَنْ لَّاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো মা’বূদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই, এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল।

ফযীলত: যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে উযু করে আকাশের (উপরের) দিকে তাকিয়ে উপরোক্ত দু‘আ অর্থাৎ কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হয়, সে যেকোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২৩৪)

বি. দ্র. তিরমিযী শরীফের এক বর্ণনায় কালিমায়ে শাহাদাতের সাথে নিম্মোক্ত দু‘আ পড়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে,

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي ْمِنَ التَوَّابِيْنَ، وَاجْعَلْنِـيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে অধিক তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করো এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের মধ্যে শামিল করো। (সুনানে তিরমিযী, হাদীস: ৫৫)