মসজিদের সভাপতি কিংবা সদস্য অমুসলিম হওয়া
Question
মসজিদের কোন সদস্য কিংবা সভাপতি অমুসলিম হলে কোন অসুবিধা আছে কিনা? উল্লেখ্য, আমাদের মসজিদের কমিটিতে সকলে সরকারী চাকুরীজীবি, প্রায় তারা পরিবর্তন হয়ে থাকে। কোন কোন সময় মুসলমান অফিসারের পরিবর্তে হিন্দু অফিসার এসে থাকে। এমতাবস্থায় অধিকার বলে হিন্দু অফিসার মসজিদ কমিটির সদস্য কিংবা সভাপতি বা সেক্রেটারি হলে কোন অসুবিধা হবে কিনা?
Answer
শরী‘আতের আলোকে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা রয়েছে। উক্ত নীতিমালার আলোকে ওয়াকফকৃত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে। এর বিরোধিতা বৈধ হবে না। আর সে নীতিমালার উপর চালানোর জন্য মুতাওয়াল্লী ও ক্যাশিয়ার এবং সেক্রেটারী অবশ্যই তার নিয়মাবলী ও বিধি-নিষেধ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অন্যথায় নাজায়েয ও অনধিকার চর্চা করে ফেলবে। যা শরী‘আতে জায়িয নেই।
সেহেতু কোন হিন্দু বা অমুসলিম ব্যক্তিকে মসজিদ বা মাদরাসার সেক্রেটারী, সভাপতি অথবা ক্যাশিয়ার বানানো জায়িয হবে না। বরং তার স্থলে কোন দ্বীনদার আমানতদার ও প্রাপ্তবয়স্ক, জ্ঞানী ব্যক্তিকে মনোনীত করা চাই। কোন পরহেজগার আলিম হলে আরো ভাল এবং সাধারণ সদস্যও উপরোক্ত গুণসম্পন্ন হওয়া চাই।
তবে যদি কোথাও এ ধরনের কোন হিন্দু বা অমুসলিমকে নিয়মানুযায়ী সভাপতি, সেক্রেটারী বা ক্যাশিয়ার বানানো হয়ে থাকে, তাহলে তাকে হিকমত তথা কোন কৌশলে উক্ত পদ অপসারণ করতে হবে। যেন এ জন্য কোন ফিতনার সম্মুখীন না থেকে হয়। [প্রমাণঃ ফাতাওয়া শামী ৪:৩৮০; ফাতাওয়া রাহীমিয়া ২:১৬৪; বুখারী ২:১০৬১]