Masail
100%

কাযা নামাযের ফিদয়া দেওয়ার নিয়ম

Question

এখন থেকে ৪০ বৎসর পূর্বে এক ব্যক্তি অসুস্থতার কারণে প্রায় ২/৩ মাস পর্যন্ত নামায রোজা আদায় করতে পারেনি। এখন ঐ নামায রোজা আদায় করার মত শক্তিও তার নেই। ঐ রোযা ও নামাযের জন্য তার কি করতে হবে? যদি ফিদয়া দিতে হয়, তা কিভাবে দিবে? ৪০ বৎসর পূর্বে যে রকম মাল-জিনিসের মূল্য ছিল এখন অনেক বেড়েছে, এ অবস্থায় এখন তা কিভাবে আদায় করবে?

Answer

এমতাবস্থায় তার প্রতি শরীয়তের বিধান হল, যদি সে দাড়িয়ে বা বসে অথবা ইশারার মাধ্যমে নামায আদায় করতে সক্ষম হয়, তাহলে বিগত দিনের নামায কাযা আদায় করে নিবে। এমতাবস্থায় শুধু ফিদয়া আদায় করে দায়িত্বমুক্ত হতে পারবে না। তবে যদি উল্লেখিত কোন অবস্থায়ই মৃত্যু পর্যন্ত আর নামায আদায়ে সক্ষম না হয়, তাহলে ফিদয়া আদায় করবে। তেমনিভাবে রোযার হুকুম।

নামাযের ফিদয়ার নিয়ম হচ্ছে-প্রতিদিন ছয় ওয়াক্ত নামাযের হিসাবে প্রতি ওয়াক্ত নামাযের ফিদয়া “পৌনে দুই সের গম বা তার বর্তমান বাজার মূল্য” আদায় করে দেয়া। আর একটি রোযার ফিদয়া এক ওয়াক্ত নামাযের ফিদয়ার সমপরিমাণ। টাকায় পরিশোধ করতে চাইলে বর্তমান মূল্য দ্বারা পরিশোধ করবে। [প্রমাণঃ আলমগীরী ১:১২৫ # আলমগীরী ১:২০৭, # হিদায়া, ১:২২২ ]

الشيخ الفاني الذي لا يقدر علي الصيام يفطر و يطعم لكل يوم مسكينا كما يطعم في الكفارات.....من مات و عليه قضاء رمضان فاوصي به اطعم عنه وليه لكل يوم مسكينا نصف صاع من بر او صاع من تمر او شعر – [الهداية 1/222]