নিজের ঘরকে গুনাহমুক্ত রাখা
কোন বাচ্চা যদি আমাদেরকে এরকম খবর দেয় যে, অমুক বিছানার উপর জুতা রেখেছে অথবা দেয়ালে দাগ লাগাচ্ছে অথবা পেয়ালায় মাছি পড়েছে। তাহলে আমরা পেরেশান হয়ে যাই। অথচ এর ফলে কোন কিছু কমছে না; বরং বাড়ছে। পায়ের ব্যাথায় পা ফুলে গেল, এটা বৃদ্ধি, পূর্বে কম ছিল এখন বাড়ছে অথচ ডাক্তারের কাছে যেতে হচ্ছে। অতএব বোঝা গেল সব বৃদ্ধি ভালো নয়। অনুরূপ ভাবে মশারীর ভিতর দু-তিনটা মশা ঢুকলে তাড়ানো ব্যতীত ঘুম আসে না। একটা মশা আর কতখানি রক্ত খেত? এক রতি, বা এক মাশা। এরপর সেও আরামে ঘুমাতো আপনিও। কিন্তু এ একফোঁটা রক্ত দিতেও কেউ রাজি না। বন্ধুগণ! চিন্তা করে দেখুন, আমাদের ঘরে আজ কি পরিমাণ (মুনকারাত) অন্যায়-অশ্লীলতা ঢুকেছে। সন্তানেরা ইংলিশ কাটিং চুল রাখছে। ঘরে জীব-জানোয়ারের ছবি টানানো হচ্ছে। অথচ আমরা নির্বিকার। ঘরে সাপ-বিচ্চু ঢুকলো তৎক্ষণাৎ সেগুলো তাড়ানোর ব্যবস্থা করি। অথচ আল্লাহর না-ফরমানীতে ঘর ছেয়ে যাওয়ার পরও আমরা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছিনা।