রিযিকের সম্মান ও বরকত -

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব১৬ অক্টোবর, ২০২৩সুন্নত

আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম ও আওলিয়ায়ে কিরামের সঙ্গে মুসাফাহার সময় হাত ধোয়ার হুকুম দেয়া হয়নি। কিন্তু খানার সম্মানে খাওয়ার পূর্বে হাত ধোয়াকে সুন্নাত বলা হয়েছে। এতে বুঝা যায় রিযিকের কতো সম্মান। আর হাত ধুয়ে খানা খেতে বসে খানায় হাত লাগানোর আগে রুমাল, তোয়ালে বা অন্যকিছুতেই হাত না মুছা। খাওয়ার সময় দস্তরখানায় পতিত খাদ্যাংশ উঠিয়ে খেয়ে ফেলা। অথবা পিঁপড়ার গর্তের সামনে রেখে দেয়া। খাওয়ার পর খাদ্য গ্রহণে ব্যবহৃত আঙ্গুল সমূহ চেটে খাওয়া এবং খাওয়ার প্লেট বা পেয়ালা ভালো ভাবে পরিস্কার করে খাওয়া। কারণ, জানাতো নেই খাদ্যের কোন অংশে বরকত বিদ্যমান। মানুষ যখন রিযিকের বরকত থেকে বঞ্চিত হয়, তখন এই বলে কেঁদে বেড়ায় যে, ‘আমার রুযীতে বরকত নেই, তাবিজ দেন।’

রিযিকের সম্মান ও বরকত - | ইসলামী যিন্দেগী