চাচ্চু নে বাচ্চু কো ইমাম বানা লিয়া

শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক সাহেব রহ.৩০ মে, ২০২৩বিবিধ

হযরতওয়ালার পরামর্শে একবার বান্দা হাকীম কালীমুল্লাহ সাহেবের (হযরতের জামাতা) নিকট চিকিৎসার জন্য আলীগড় গমন করে। হযরতওয়ালা জামাতাকে ফোন করে জানিয়ে দেন এবং রাস্তা চেনানোর জন্য একজন ছাত্রকেও সাথে দিয়ে দেন। ঐ ছাত্রেরও হাকীম সাহেবের নিকট প্রয়োজন ছিল। ঔষধ নিয়ে সেখান থেকে ফেরা হয়। হাকীম সাহেব হযরতের জন্যও কিছু ঔষধ দিয়ে দেন। উল্লেখ্য যে, হযরত ঐ সময়ে অসুস্থ ছিলেন। আমি ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলাম, হযরতের সাথে দেখা করে সফর সম্পর্কে অবগত করানোর কোন প্রয়োজন আছে কি? ছাত্রটি বলল, আমি যখন হযরতের ঔষধ দিতে যাব তখন হযরতকে এ ব্যাপারে বলে দেব। আপনার আর কষ্ট করে দেখা করার প্রয়োজন নেই। তার কথামত আমি আর হযরতের সাথে সাক্ষাত করে সফরের ব্যাপারে অবগত করলাম না। আসরের পরে নাশতার জন্য হযরতের কামরায় প্রবেশ করে মজমায় বসার পূর্বে হযরত আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, সাক্ষাত আগে না নাস্তা আগে? আমি বললাম, সাক্ষাত আগে। হযরত বললেন, কিন্তু  আপনি তো এ মুহূর্তেও সাক্ষাত করেননি। আর সফর থেকে ফিরে আসার পরেও করেননি। তখন তাড়াতাড়ি আগে বেড়ে মুসাফাহা করলাম এবং ঐ ছাত্রটির কথা হযরতকে জানালাম। হযরত বললেন, আজীব কথা যে, ‘চাচ্চু নে বাচ্চু কো ইমাম বানা লিয়া’ অর্থাৎ চাচারা (বয়স্ক ব্যক্তি) বাচ্চাদের পরামর্শ মুতাবিক চলতে শুরু করেছে। অর্থাৎ আপনার উচিৎ ছিল ঐ ছাত্রের সাথে পরামর্শ না করে হারদুঈতে দায়িত্বপ্রাপ্ত হযরতের খলীফাদের সাথে পরামর্শ করা ও আমার সাথে সাক্ষাৎ করে সফরের ব্যাপারে ইত্তিলা দেয়া।

চাচ্চু নে বাচ্চু কো ইমাম বানা লিয়া | ইসলামী যিন্দেগী