নিজের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
১৯৬৭ সালে যখন মিসরীয় সৈন্যদের ইসরাইলী ইহুদী সৈন্যদের সাথে যুদ্ধে শোচনীয়ভাবে পরাজয় ঘটে এবং তার ফলশ্রুতিতে বাইতুল মুকাদ্দাস ইহুদীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, তখন একজন এসে আমাকে জিজ্ঞেস করে যে, আমরাতো মুসলমানদের জন্য দু‘আ করছি, কবুল হচ্ছেনা কেন? আমি তাকে পাল্টা প্রশ্ন করি, আপনি কি করেন? বলল-ব্যবসা করি। আমি বললাম মনে করুন আপনার ছেলে আপনার সাথে বে-আদবী করে আপনার দোকানের নির্মিত পোশাক না পরে উলঙ্গ হয়ে বসে থাকে অথবা মাল-পত্র বিনষ্ট করে, তাহলে আপনি দোকান থেকে বের করে দিবেন কি-না? যদি ইমাম সাহেব, সন্তানের মামা, চাচা এসে তা ক্ষমার জন্য আপনাকে সুপারিশ করে, কিন্তু সে নিজে এসে ক্ষমা না চায় তাহলে আপনি কি তাকে ক্ষমা করে দোকানে বসতে দিবেন? তখন সে বলে উঠল-যতক্ষণ না ছেলে নিজে এসে ক্ষমা চাইবে ততক্ষণ তাকে কিভাবে ক্ষমা করা যায় এবং দোকানে বসতে দেয়া যায়। আমি বললাম- মিসর এবং বাইতুল মুকাদ্দাস এলাকার অধিবাসীদের অবস্থাও ঠিক অনুরূপ। তারা নিজেরা নিজেদের কৃতত্ব জন্য ক্ষমা চাচ্ছে না, নিজেদের ইসলাহ ও সংশোধনের চেষ্টা করছে না, তাহলে আপনাদের দু‘আ তাদের কি কাজে আসবে? আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেনঃ -ان الله لا يغير ما بقوم حتى يغيروا ما با نفسهم
অর্থ: আল্লাহ তা‘আলা ততক্ষণ পর্যন্ত কোন জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেরা নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করে।