গুনাহর বিষক্রিয়া
নিজের বাড়ী থেকে কাউকে একটা ইট দেয়া সহ্য হয় না। নিজের রক্ত থেকে মশাকে এক বিন্দু রক্ত দেয়া বরদাশ্ত হয়না। কিন্তু দ্বীনের প্রতিটি ক্ষতি অল্পতেই আমরা মেনে নেই। যেমন, ইফ্তারের দাওয়াতে মাগরিবের জামা‘আত বা মসজিদে উপস্থিত হওয়াকে নিজের জন্যে মাফ মনে করা। দ্বীনী মজলিসসমূহের ব্যাপারেও একই হুকুম। অর্থাৎ দু’ চারজন অক্ষম বৃদ্ধের কারণে সবাই ঘরে জামা‘আত না করে, মসজিদে গিয়ে জামা‘আত পড়া। প্রত্যেক নেক আমল দ্বারা রূহে যেরকম নূর ও শক্তি পয়দা হয়, এরকম প্রত্যেক গুনাহ্ দ্বারাও অন্তরে অন্ধকারও দুর্বলতার সৃষ্টি হয়। কুস্তিগির সারা বছর শক্তি বর্ধক খাদ্য খেয়ে বছরে একবার মাত্র ধুতরা (এক প্রকার বিষাক্ত ফল) খেয়ে বিছানার সঙ্গে লেগে যাবে। ধুতরার বিষক্রিয়া সারা বছরের শক্তি বর্ধক খাদ্য দ্রব্যের গুণাগুণ পানি করে দুর্বলতার কারণ হয়। আর তার পরিমাণ বেশী হলে মৃত্যু অবধারিত। সাধারণ একটা ফলের ক্রিয়াই যদি এতো ভয়াবহ হয়, তাহলে গুনাহর বিষক্রিয়া রূহের নূরানিয়াত ও সৎ কাজের শক্তি বিনষ্ট করবে না, এটা আবার কি রকম ধোঁকা?