মসজিদ সংক্রান্ত আদব

শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক সাহেব রহ.৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩আত্মশুদ্ধি

আজকাল মসজিদের সামনের দেয়ালে কিবলার দিকে উপদেশমূলক অনেক কথা লিখা থাকে, যেগুলোর উপর দৃষ্টি পড়লে নামাযীদের অন্তরে বিভিন্ন চিন্তার সৃষ্টি হয়। এ জন্য এগুলো হয় অনেক উঁচুতে অথবা ডানে কিংবা বামে কিংবা পেছনের দেয়ালে লাগানো উচিৎ।

অনুরূপভাবে বর্তমান মসজিদে রং লাগানোর রীতি চালু হয়েছে। অথচ তাতে দুর্গন্ধ বিদ্যমান। অনেকে বলে যে শুকিয়ে গেলে আর দুর্গন্ধ থাকে না। আফসোস! মুসলমান ও ফেরেশতাদেরকে অল্প সময়ের জন্যও কষ্ট দেয়া কি জায়িয আছে? তা-ই যদি না হবে, তো পিয়াজ-রসুনের মত দুর্গন্ধযুক্ত খাবার খেয়ে মসজিদে আসা নিষেধ করা হলো কেন? আমি বোম্বের এক মসজিদে বয়ানে রং দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ায় তা নাজায়িয ও এর চাঁদা দেয়া গুনাহের কাজ বলেছিলাম। আমার কথা শুনে একলোক ইমাম সাহেবের কাছ থেকে তার দেয়া একশত টাকা তৎক্ষণাৎ নিয়ে নেয়। একজন জ্ঞানী লোক জানতে চাইলেন, তাহলে দরজা-জানালায় রং লাগাবো কিভাবে? প্রত্যুত্তরে আমি বললাম, দরজা-জানালা লাগানোর আগেই রং লাগিয়ে নিবেন।

মসজিদ সংক্রান্ত আদব | ইসলামী যিন্দেগী