মেয়েদেরকে দ্বীনী শিক্ষা
মেয়েদেরকে দ্বীনী কথা বার্তা শুনানোর ব্যবস্থা করাও জরুরী। দুনিয়ার সব কথাবার্তা তাকে জানানো হবে আর দ্বীনের কথাবার্তা থেকে বঞ্চিত রাখা হবে-এটা মারাত্মক অবিচার। মেয়েরা আমাদের কতটুকু আরামে রেখেছে এটা বুঝে আসে তাদের রোগ-ব্যাধির সময়। তাদের প্রতি অধিক দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন। কেননা, তারা দুর্বল, ক্ষমার যোগ্য, এবং বলতে গেলে ঘরে প্রায় বন্দীর মতোই থাকে। পুরুষের ভয়- না জানি কয়জনকে ভালোবাসে; কিন্তু আসলে মেয়েরা শুধু স্বামীকেই ভালবাসে। পুরুষের দ্বীনী খিদমত তাঁদের খিদমতেরই দান। কারণ তারা আমাদের ঘরে আছে বলেই আমরা ঘর-বাড়ি খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকি। পুরুষরা যখন অফিসে বসে ফ্যানের বাতাস খায়, মেয়েরা তখন চুলার সামনে আগুনের তাপে অবস্থান করে। পর্দানশীন মহিলাগণ বেশী বেশী সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার যিকির করবেন। ফলে বাচ্চাদের ওপর এর প্রভাব পড়বে এবং তাদের অন্তর যিকিরের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে যাবে।