বিদ‘আত শব্দের পরিবর্তে সুন্নাত পরিপন্থী প্রয়োগ করা

শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক সাহেব রহ.২৮ জানুয়ারি, ২০২৪অপসংস্কৃতি ও বাতিল সম্প্রদায়, গুনাহ শিরক কুফর ও বিদ‘আত

হযরত থানভী রহ. থানা ভবনে ঈদের নামায পড়ানোর পর ঈদের খুৎবা দান শেষে ঘোষণা দেন যে, ‘উলামায়ে কিরাম ঈদের নামাযের পর মুসাফাহা করাকে বিদ‘আত লিখেছেন।’ অতঃপর আমি হারদুঈ -এর ব্যাপারে হযরত ওয়ালা রহ.-এর কাছে জানতে চাই যে, ঈদের নামাযের পর মুসাফাহা বন্ধের জন্যে কোন পন্থা অবলম্বন করা উচিত? জবাবে তিনি (থানভী রহ.) বললেন, তোমাদের এখানে বিদ‘আত শব্দ প্রয়োগ করা কষ্টকর হবে। তাই তোমাদের এলাকার জন্যে উত্তম হচ্ছে-এ কাজকে সুন্নাত পরিপন্থী বলা। এটা যেমনি নরম তেমনি সর্বক্ষেত্রে উপযোগী।

তাই সর্বদা মুরব্বীদের সঙ্গে এসব ব্যাপারে পরামর্শ করতে থাকা। নিষেধ করা কিন্তু কাউকে ঘৃণা না করা। খেয়াল রাখতে হবে উপস্থাপনা যাতে কষ্টদায়ক না হয়। আর এ বিষয়টি বুযুর্গদের সুহবত ব্যতীত শুধু ইলম দ্বারা বুঝা সম্ভব নয়। আলহামদুলিল্লাহ উপযোগী পন্থায় বাধা-নিষেধ জারী রাখার ফলে, বর্তমানে হারদুঈ-এর ঈদগাহে মুসাফাহার এ রেওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে।