মালফুযাত
১০০%
সফরে খানার বিষয়ে সচেতন থাকা
হযরতওয়ালা রহ. স্বীয় দাদার অভ্যাসের কথা নকল করে বলেন যে, তিনি কোথাও সফরে গেলে নিজের সাথে কিছু খাদ্য-দ্রব্য রাখতেন যাতে করে প্রয়োজনের সময় কষ্ট না হয়। হযরতওয়ালা আরো বলেন, কোন স্থানে খানার আগে উপস্থিত হলে তো ঠিক আছে-সেখানে গিয়ে শরীক হবে। কিন্তু খানার সময়ের পরে গেলে অবশ্যই রাস্তায় নিজ দায়িত্বে খানা খেয়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছবে। বাড়ীওয়ালাকে কষ্টে ফেলবে না।
(আমরা হারদুঈ সফরে এর উপরে আমল করতাম। কেননা রেলগাড়ির বিলম্বের কারণে সফরে সাধারণতঃ খানার সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেই হারদুঈ পৌঁছতে হত। তখন আমরা রেলগাড়ি থেকেই খানা খাওয়ার কাজ সেরে যেতাম।) তবুও হযরত রহ. জিজ্ঞেস করতেন যে, আপনারা কি খানা খেয়েছেন? কারো খানার প্রয়োজন আছে কি?