শাইখের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণ
এক ভদ্রলোক আমাকে প্রশ্ন করেন যে, অমুক স্থানে একটা স্কুল আছে। সেখানে যেই ভর্তি হয়, পূর্ণতা অর্জন করে বের হয়। অর্থাৎ সাফল্য একশত ভাগ। আর আল্লাহ ওয়ালাদের সুহ্বতে যারা দ্বীন শেখে, তাদের ৫ ভাগও কামিল হয় না। পাঁচ ভাগ আর একশত ভাগের এই পার্থক্য কেন? আমি আরয করলাম- ভাই! পূর্ণতা আসে চূড়ান্ত সাধনা ও অনুসরণ থেকে। চূড়ান্ত সাধনা আর চূড়ান্ত অনুসরণ-এই দুইয়ের সমন্বয়ে ঘটাতে পারলেই উস্তাদের পূর্ণতা ছাত্রের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়। আর দ্বীন শিখতে যারা বুযুর্গদের সুহ্বতে আসে, তারা সাধনাও যেমন কম করে, তেমনি অনুসরণেও আন্তরিক হয় না। মনে করুন! শাইখ বললো- কূদৃষ্টি থেকে বেঁচে থাকবে। যদি কখনো কারো ওপর কূদৃষ্টি হয়েই যায়, তাহলে ৪ রাকা‘আত নফলের জরিমানা আদায় করবে। আর সাধনারত ব্যক্তি যদি মনে প্রাণে এর অনুসরণ না করে, তাহলে কিভাবে একশত ভাগ সাফল্য আসবে? তবে হ্যাঁ! যারা পূর্ণাঙ্গ অনুসরণ ও চূড়ান্ত সাধনা করে, তাঁরা অবশ্যই সাহিবে নিস্বত এবং কামিল হয়ে যায়।