অনর্থক কথা-বার্তা থেকে বেঁচে থাকা
হযরত শাইখুল হাদীস যাকারিয়া রহ.-এর ওখানে এক রমযানে ১২০০ শত মেহমান ছিল। তিনি সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন- ‘খাও আর খুব ঘুমাও। শুধু একটা বিষয়ে সাবধান থাকবে, সেটা হচ্ছে- অনর্থক কথাবার্তায় লিপ্ত হতে পারবে না। যে এমনটি করবে, তাকে বের করে দেব।’ এতে বুঝা যায় যে, বুযুর্গদের দৃষ্টি থাকে সেই নূরের হিফাযতের প্রতি যা বিনয় ও ভক্তি থেকে সৃষ্টি হয়। পানির ট্যাংকি ভরার পর নীচের পাইপ খুলে দিলে ট্যাংকি যেমন খালি হয়ে যায়, তেমনি অন্তরে বিনয় ও ভক্তির সৃষ্ট নূর নিয়ে অনর্থক কথা-বার্তায় লিপ্ত হলে তা নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই নামাযে বিনয় দ্বারা অর্জিত নূরের হিফাযত ও স্থায়িত্বের জন্যে অনর্থক কথাবার্তায় লিপ্ত হওয়া থেকে বেঁচে থাকতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ প্রয়োজনে কথা বলা এবং কথা বলার পর চিন্তা করা-কোনটা ঠিক হয়েছে আর কোনটা অতিরিক্ত হয়েছে। প্রত্যেক নামাযের পর এর হিসাব করা এবং ক্ষমা চাইতে থাকা।