মালফুযাত
১০০%
মেহমানের মালিকানা
দাওয়াতের খানার মজলিসে জনৈক বিশিষ্ট আলেম হাত বাড়িয়ে বরকতের জন্য হযরতের নিকট খানার একটা লোকমা প্রার্থনা করেন। হযরত তার দিকে তাকালেন কিন্তু কিছু বললেন না। আবার লোকমাও দিলেন না। খানা থেকে ফারেগ হয়ে হযরত ইরশাদ করলেন যে, দাওয়াতী খানার উপর মেহমানের কোন মালিকানা বা স্বত্ত থাকে না। তার নিজের জন্য সেটা খাওয়া মুবাহ হলেও সে অন্যকে দেয়ার অধিকার রাখে না। অবশ্য মেহমানের বাড়ীতে খানা পৌঁছে দেয়া হলে সে মালিকানা লাভ করে বিধায় অন্যকেও দেয়ার ক্ষমতা থাকে।