হারদুই মাদরাসার মা‘মুলাত

শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক সাহেব রহ.৩০ মে, ২০২৩সুন্নত, দীন শিক্ষা ও তাহ্ক্বীক্বাত

মসজিদে ফজর, আসর এবং ঈশার পরে কিতাবী তা‘লীমের ব্যবস্থাপনা আছে। ঈশার পরে সীরাতের কিতাব থেকে পড়া হয় আর আসরের পরে হায়াতুল মুসলিমীন থেকে তা‘লীম হয়। আযান-ইকামত আর সুন্নাতের মুযাকারা হয় এবং তিন মিনিট লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর যিকির করা হয়। ফজরের পরে নামাযের আমলী মশক, নামাযে সচরাচর পঠিত সূরা সমূহের যে কোন একটি সূরা হতে একটি করে শব্দ সহীহভাবে মশক করানো হয়ে থাকে এবং কুরআনে কারীমের একটি আয়াতের সংক্ষিপ্ত তাফসীর হয়।

বুধবারে আসরের পরে মহল্লায় উমুমী গাশ্‌ত এবং মাগরিবের পরে ঈমানী বয়ান হয়। জুমু‘আর দিন আযানের আগে সকলেই মসজিদে হাযির হয়ে ৪ রাকাআত সালাতুত তাসবীহ পড়ে থাকেন। আযানের পরে সংক্ষিপ্ত বয়ান হয়। বয়ানের পরে মসজিদ ফান্ডের কালেকশনের জন্য রুমাল চলে। সকলকেই এর মধ্যে হাত প্রবেশ করাতে হয়, চাই দান করুক বা না করুক। এ কালেকশনটা সম্ভবত হযরতওয়ালা অন্যদের তা‘লীমের জন্য রেখেছেন। এরপরে সানী আযান, খুতবা ও নামায হয়। 

আর প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর তারানা তথা বিশেষ মুনাজাত পড়া হয়। একটি করে আকীদাহ মুখস্থ করানো হয় এবং আযান ইকামতের আমলী মশক হয়। সবশেষে মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দ কিংবা কর্মচারীদের মধ্যে থেকে কাউকে বলা হয় কুরআনে কারীম থেকে এক রুকু তিলাওয়াত করার জন্য। তিলাওয়াতের পরে দু‘আ হয়। উল্লেখ্য যে, এই তিলাওয়াত ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে।

হারদুই মাদরাসার মা‘মুলাত | ইসলামী যিন্দেগী