প্রাপ্ত বয়স্কা মেয়েকে বেপর্দা অবস্থায় নূরানী ট্রেনিং দেয়া

প্রশ্ন

প্রাপ্ত বয়স্কা মেয়েদেরকে বেপর্দা অবস্থায় নূরানী পদ্ধতিতে কুরআন শিক্ষা দেয়া জায়েয আছে কি-না? এবং এরূপ বয়সের মেয়েদেরকে বেপর্দা অবস্থায় কুরআন শিক্ষা দানকারী ইমামের পেছনে নামায আদায় করা জায়েয আছে কি-না?

উত্তর

শরী‘আতের দৃষ্টিতে পর্দা করা ফরয। সুতরাং, পুরুষদের জন্য প্রাপ্ত বয়স্কা বেগানা মহিলাদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা হারাম। তাই প্রাপ্ত বয়স্কা মেয়েকে খোলামেলাভাবে পর্দা তরক করে কুরআন শিক্ষা দেয়া কোন ইমাম বা মু‘আল্লিমের পক্ষে মোটেও জায়েয হবে না। এরূপ ইমাম শয়ী‘আতের দৃষ্টিতে ফাসিক হিসেবে গণ্য হবে। সুতরাং, তার পেছনে নামায পড়া মাকরূহে তাহরীমী এবং তার তাওবা করে সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তাকে ইমাম হিসেবে বহাল রাখা নাজায়েয। আর উক্ত ইমামের জন্য ইমমতি করাও মাকরূহে তাহরীমী। (সূরা নূর-৩০, হিদায়াহ-৪৪২, মিশকাত-২:২৬৯, তাফসীরে মাযহারী-৬:৯৮, দুররে মুখতার-১:৫৫৭)

প্রাপ্ত বয়স্কা মেয়েকে বেপর্দা অবস্থায় নূরানী ট্রেনিং দেয়া | ইসলামী যিন্দেগী