ঝগড়াবস্থায় স্ত্রী নামায অস্বীকার করলে
প্রশ্ন
কোন কারণে স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্য হয়। তারা উভয়ে নামাযী এদিকে তখন আসরের নামাযের ওয়াক্তও চলে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে বললো, অনুগ্রহপূর্বক নামায আদায় করে নাও। উত্তরে আফসোসের সূরে স্ত্রী বললো, আমি আর নামায পড়ব না। আমার নামায পড়ে কি লাভ? যেহেতু তুমি আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। আমার নামায পড়ে কি হবে? আমি তো জাহান্নামে যাব। অবশ্য কিছুক্ষণ পরই সে উক্ত নামায আদায় করে নিয়েছে এবং এখনো যথাযথাভাবে নামায আদায় করছে। এক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান কি? জানতে ইচ্ছুক।
উত্তর
নামায হচ্ছে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরয। ঈমানের পরই এর স্থান। কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেয়া হবে। সুতরাং কোন পেরেশানীর কারণেও এমন একটি বিধান সম্পর্কে এরুপ উক্তি করা মারাত্মক অপরাধ। সুতরাং উক্ত স্ত্রীর জন্য খালেসভাবে তাওবাহ করা জরুরী।
[প্রমাণঃ ফাতাওয়া আলমগীরী ৩:১৫৯# বেহেশতী জেওর ১:৪০]