রোযার নিয়্যতের সময়সীমা

মুফতী মনসূরুল হক সাহেব৯ অক্টোবর, ২০২৪রোযা ও ইতিকাফ

প্রশ্ন

মাসিক রাহমানী পয়গাম জানুয়ারী ৯৮ সংখ্যায় “রোযার মাসায়িল” শিরোনামে রমাযানের দিনে ১১টার পূর্বে রোযার নিয়্যত করলেই রোযা হয়ে যাবে। কিন্তু অন্য একটা মাসিক ম্যাগাজিনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাদীসে শরীফে আছে, যে ব্যক্তি রাত্র শেষ হওয়ার পূর্বেই রোযার নিয়্যত করল না, তারা রোযা হবে না। সঠিক মাসআলা জানতে চাই।

উত্তর

রাহমানী পয়গামে যা লেখা হয়েছে, তাই সঠিক। দ্বীপ্রহর এর পূর্বে আনুমানিক বেলা ১১টার পূর্বে নিয়্যত করলেই রমাযানের রোযা হয়ে যাবে। কেননা, বুখারী শরীফে আছে যে, রমাযান শরীফের রোযা ফরয হওয়ার পূর্বে যখন আশুরার রোযা ফরয ছিল, তখন একবার ২৯ তারিখে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় মদীনার লোকেরা মুহাররমের ৯ তারিখে এক ব্যক্তিকে ঘোষণা করতেবললেন যে, যারা খানা খেয়েছে তারা যেন বাকী দিন না খায়। আর যারা খায়নি তারা যেন রোযার নিয়্যত করে নেয়। কেননা আজ আশুরার দিন। উল্লেখ্য, উক্ত মাসিক ম্যাগাজিনে যে হাদীসটি পেশ করা হয়েছে, তা কাযা রোযা বা অনির্দিষ্ট মান্নতের রোযার সাথে সম্পৃক্ত। ফরয, নফল বা নির্দিষ্ট মান্নতের রোযার ব্যাপারে নয়।

[প্রমাণঃ ফাতাওয়া শামী ২:৩৭৭# ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬:৩৪৪# বুখারী শরীফ ১:২৬৮# আবূ দাঊদ শরীফ ১:৩৩২]

রোযার নিয়্যতের সময়সীমা | ইসলামী যিন্দেগী